|| গিরগিটিয়া || নবকুমার দাস এ শুধু মুখোশের লগন - বর্ণচোরা আমের প্রহর , সঙ্গী অজস্র ফন্দি ফিকির,ফকিরি ফায়দা লোটার... নানান বর্ণ ও ধাঁচের আলখাল্লা,সুযোগের অপব্যবহার নৌটঙ্কি নেপোজীবন বেঁচে থাকে, সাক্ষী গ্রাম শহর। প্রলাপের প্রহর এখন, শতসহস্র প্রতিশ্রুতি প্রজ্ঞাপন দিনভর এ পল অঙ্ক-কষার ,মায়াজালে পতঙ্গ জীবন -জড়িয়ে পড়ার ।। [বিস্তারিত]
বিভাগ: কবিতা
মর্ত্যে চলছে যমের হোলি খেলা, ছুঁয়ে দিলেই প্রাণ-পাখি আলিঙ্গনে জড়ায় মৃত্যুকে। স্বর্গ-নরক পরিপূর্ণ আত্মার কোলাহলে; পরকাল আজ অতি সন্নিকটে। সব দুয়ার বন্ধ করে যতই করো উৎসবের আয়োজন- হেম-পেয়ালা হাতে মুচকি হাসছে যমদূতের অধর জোড়া। চিতায় জ্বলছে সনাতনীয় শরীর; কবরে পুরছে খ্রিষ্টান, মুসলিমের দেহ; সমাহিত শরীর আর জেগে ওঠে না বহ্নিশিখায়, বৃষ্টির শীতল-ফোঁটায়। অম্লজান খুঁজেছে পাত্রের… [বিস্তারিত]
জানি দেখা হবে! মরণের এপারে কিংবা মরণের ওপারে, শুধু জানি দেখা হবেই। দেখা হবে একদিন ঘৃণিত নয়নে, নয়তো কামনার দৃষ্টিতে দেখা হবেই। দূর থেকে দাঁড়িয়ে, চোখে চোখে কথা হবে, অথবা পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়াও হবে। অসুস্থ শহরে,ব্যস্ত প্রহরে, হয়তো দেখা হবে। অজস্র দিন, অগণিত নির্ঘুম রাত, অন্তত মহাকাল অপেক্ষা নিমিষেই দূর হবে, জানি;আমি জানি একদিন… [বিস্তারিত]
সাঁঝ হলো আঁধার ঘনিয়ে এলো বসেছে আলোর মেলা, জোনাকিরা তৈরি আছে দেখাবে আলোর খেলা। বাজলো তোমার আলোর বেণু জগৎ মাঝারে, জগতটা যে ভরে গেছে অশুভের আঁধারে। সত্যের আলো জ্বালিয়ে দূর করব তাই না রে, অশুভর কালো ছায়া নিয়েছে আঁকড়ে জগতের সব কাজে রে। কি ভাবে রক্ষা করব জগতকে পথ দেখাও প্রভু, চড়াই-উতরাই বাইতে দাও আমারে… [বিস্তারিত]
হায় প্রাণ পাখি, তুমি তো একদিন চলে যাবে, চলে যাবে আমার এই চঞ্চল পিঞ্জিরা ছেড়ে। তখন আমি পড়ে রব হরিৎ দূর্বাঘাসের উপর, ক্লান্ত দুপুরে মাঠে ভিতর জীর্ণ শীর্ণ অবস্থায়। শত চেষ্টা করে কেউ প্রাণ পাখি প্রতিস্থাপন করতে পারবে না, আধুনিক সভ্যতার যুগে। হায় পাখি, তুমি একবার চলে গেলে, না আস তাতে আবার তাতে ফিরে। জনম… [বিস্তারিত]
সবাই বলছে সুবাস ঘ্রাণে ঈদ- ঈদ- ঈদ- ঈদ- ঈদ- শুধু আমার ঈদ কোথায়? কোন সে সুরের ঘ্রাণে; মন বন্ধি- ঘর বন্ধি- বন্ধি আলো- বাতাস; উঠান জুড়ে পায়ে- পায়ে ঈদ যে আমায়! তারার জ্বল ছল চাঁদের ফাঁকে বলো না ভাই ঈদ মোবারক ঈদ- আমার গায়ে হোক না তোমার মাটির ছোঁয়া ঈদ- দুচোখ আমার ঈদ দেখে না… [বিস্তারিত]
সে আসে নিঃশব্দ পায়ে টলমল জলে, ফারাওয়ের সমাধি স্তম্ভের মতো অতন্দ্র টহলে, ওয়ার্ডের সমস্ত বিপত্নীক পিলার, পাহারায় রেখেছিলো বুক ঝাপটানো মেয়েটাকে! আক্রান্ত স্থলে বিদ্রোহী যুবক যেভাবে করে পণ, আটকাতে চায় অবশ্যম্ভাবী আত্মসমর্পণ! মেয়েটার শখ ছিলো একদিন উড়বে- মেঘের সাথে বিকালের পাখির মতোন! আজ চন্দ্রমাসের শেষদিন তার শরীরে লুপাস, বিষময় প্রজাপতি দিয়েছে গালেতে ছাপ, অক্সিজেনের গতি… [বিস্তারিত]
আমার অভিলাষ হয় কোনো পড়ন্ত বিকেলে, প্রেমিকার হস্তে হস্ত রেখে ঘুরতে। আমার অভিলাষ হয় পুষ্পকাননগুলোতে, সুগন্ধি যুক্ত পুষ্পের শাখে পুষ্প মুঞ্জরি হয় ধরতে। আমার অভিলাষ হয় আন্ধার রাতে গগনের তারকারাজি, আর জোনাকির আলোর মেলার সাথে খেলতে। আমার অভিলাষ হয় শরতকালে নীল আকাশের শুভ্র মেঘের ভেলা সাথে ভাসতে। আমার অভিলাষ হয় বৃষ্টির দিনে ময়ূরের যেমন পেখম… [বিস্তারিত]
নিহত গোলাপেরা সুন্দর হয়, মানবীর চোখে উৎসারিত বিশুদ্ধ বিষক্রিয়া, থামিয়ে দিয়েছে মহাপ্রস্থান! পরিপূর্ণ প্রেম শেষে পুরূষ হাওয়ায় ভাসে, তলানিতে জমে শ্বাশত অবিশ্বাস! বুকের প্রকোষ্ঠে রক্তগন্ধী ঢেউ, সযতনে লুকিয়ে রেখেছিল কেউ কেউ! ধারালো ছুরির ঠোঁটে শ্বেতগন্ধী রাজহাঁস, স্বেচ্ছায় পোঁচ দিল মাংসল হৃদয়ে তার, বন্য উঠান তাজা রক্তে ভরপুর! সব রক্তই নাকি গোলাপ? নাড়ীর টানে বাঁধা পাপড়ির… [বিস্তারিত]
জানি মহাকাব্যের দিন শেষ। তবুও মহাকাব্য সাধারনজনের আশ্রয়। বহু গাথা ,অতিকথা ইত্যাদির অন্যতম আশ্রয় রামায়ণ-মহাভারত। মহাভারত আমার অন্যতম প্রিয় গ্রন্থ। মহাভারতের অনন্য কাহিনী ও অজস্র চরিত্রের মাঝে একলব্য সুতপুত্র কর্ণের মত এক অনিন্দ্যসুন্দর ট্রাজিক হিরো। বহুদিন ধরে তাকে নিয়ে মহাকাব্যানুসারী লেখার সাধ আমার । বছর কুড়ি আগে এই লেখা শুরু করেছিলাম, নানান ব্যস্ততায় সেই লেখা… [বিস্তারিত]
আমি আপনাকে, তোমাকে, তোকে বলছি আমি লিখব, আমি লিখব - লিখব আমি প্রেমিকের বিরহ আর বেদনার কথা, লিখব আমি স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে সাধারণ জনতার বিদ্রোহের কথা। আমি আপনাকে, তোমাকে, তোকে বলছি আমি লিখব, আমি লিখব- লিখব আমি বীরের বীরত্বের কথা, লিখব আমি শান্তি আর সাম্যের কথা। আমি আপনাকে তোমাকে তোকে বলছি আমি লিখব, আমি লিখব লিখব… [বিস্তারিত]
তোমায় পাই'বা না পাই তবুও রয়েছো হৃদয়ের আঙিনায়। তুমি ভেবেছিলে আমি মনে হয়তোমায় আর মনে করি না, তোমায় পাই'বা না পাইআমার এই শূন্য হৃদয়শুধু তোমাকে'ই চায়। বহুদিন তুমি দুরে রয়েছোতোমার নেশার নৌকায়আজও আমি ডুবে ডুবে যায়। স্বপ্ন ছিল,আশা ছিল শুধু ছিলনা অভিমানকিসের মোহে তুমি করলে এতো ব্যবধান! আমার শহরে তুমি বিহীনহায়নারা করছে আজ তাবা আঁধারে… [বিস্তারিত]
দুখের জলের ঢেউ কতোটা আঘাতে আছড়ায়ে পড়ে অসহায় বুকে দুঃখী বিনে তা বুঝে কি অন্য কেউ!! বাক হারা জননী, কাঁদছে অসুস্থ ছেলের শিয়রে বসে, শিশির দানার মতো দু’চোখে বিষাদের জল অসহায় হয়ে যেন তা চলেছে অনিবার ভাগ্যকে দোষে। বেঁচে থাকার অবলম্বন তার একমাত্র সন্তান ক’দিন আগেই নাকি বলেছিল ‘মাগো এই ঈদে কিন্তু জামা দিও মোরে… [বিস্তারিত]
আমি নির্মল সবুজ শ্যামল প্রকৃতির কথা বলছি, আমি ধর্ষিতা বোনের আত্মা চিৎকারের কথা বলছি, আমি ক্ষুধার্ত কৃষকের কথা বলছি। আমি অভিজাত শ্রেণির আত্ম অহামিকার কথা বলছি, আমি শোষক শ্রেণির শোষণের কথা বলছি, আমি জীবনানন্দ দাশের রূপসী বাংলার কথা বলছি। আমি নাগরিকদের সকল অধিকার স্বাধীকারের কথা বলছি, আমি সংগ্রামী বিপ্লবী জনতার কথা বলছি, আমি অধিকার বঞ্চিত… [বিস্তারিত]
এ জগতময় তুমি ছিলে বলে আমরা মাটির ফসল ফুলাই- অথচ তোমার ঘ্রাণ আমরা পায় না- ভুলে গেছি তোমার প্রসব বেদনা, তোমার রক্ত চোষা- ১০ মাস ১০ দিন; আমরাও মা হয়েছি কিন্তু তোমার কষ্টটুকু অনুভব করতে আজও জানলাম না আর কত স্বার্থপর হলে তোমাকে বুঝবো জনমদুখিনী মা! ক্ষমার যোগ্যহীন আমাদের মতো সন্তান তারপরও ক্ষমা করে দাও… [বিস্তারিত]















