আগের পর্বের লিঙ্ক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-১৭) পর্ব-১৮ সন্ধ্যা ৭:৩০মিনিটে আমরা হোটেল রুমে পৌছালাম। সারাদিন একটানা ছবির জন্য বনের ভিতর হেঁটে ক্লান্ত ছিলাম। যতক্ষন ছবি তোলায় ব্যাস্ত ছিলাম ততক্ষন আরাম-আয়েশের কোন সুযোগ ছিল না। কাজের মাঝে থাকলে কখন যে সময় চলে যায় তা উপলব্ধি করা যায় না। আর সেই কাজ যদি হয় ফটোগ্রাফী তা’হলে তো… [বিস্তারিত]
বিভাগ: ভ্রমণ
বাংলাদেশের সিলেট ঘেষা মেঘালয়ের পাহাড়ি গ্রাম রিওয়াই। পাহাড়ের ভেতর আকিবুকি কেটে বেড়িয়ে গেছে ছোট একটা পাহাড়ি নদী থাইলং। বর্ষায় এই নদীগুলো ভয়ঙ্কর গতিতে মেঘালয়ের পানিগুলো বাংলাদেশের ভেতর পাঠিয়ে দেয়। রিওয়াই গ্রামের সেই ছোট্ট নদীর দুই ধারে গজিয়ে উঠা কয়েকটি বট গাছের শেকড় জড়ো হয়ে তৈরি করেছে একটা সেতু। ওটাকে স্থানীয়রা নাম দিয়েছে ‘লিভিং রুট ব্রিজ’… [বিস্তারিত]
আগের পর্বের লিঙ্ক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-১৬) পর্ব-১৭ মেটে হুতুমপ্যাঁচার ছবি তুলে আমরা ৩ নাম্বার জোনের প্রবেশ মুখে আসলাম। জোনের ভিতরের মূল রাস্তা ধরে হাঁটার সময় মনে হলো ভারতীয় ফটোগ্রাফার অক্ষয় ভগ্যতের সহধর্মনীর কথা। তাঁদের সঙ্গে পরিচয় হবার সময় বলেছিলেন ৪ নাম্বার জোনে Pelican বা বড়-গলা গগণবেড় ছবি তুলেছেন। Pelican এর কথাটা মাথায় ছিলো। Pelican… [বিস্তারিত]
হঠাৎ করেই ইচ্ছেরা পেয়ে বসলো বললো.... 'না হয় করলেই ভুল,তুলে এক মুঠো ফুল!' ভুল যখন করলেই, তখন দেরী কেনো ভরাতে অঞ্চল? বেশ বেশ! এটা ঠিক ক্যামন হলো বলো তো? ভুল করলে,ফুল তুললে অঞ্চল ভরালে একটু ফটোগ্রাফি করলেই বুঝি দোষ! এই তো! ষোলোকলা পূর্ণ [বিস্তারিত]
আগের পর্বের লিংক- মামাকে দেখতে যাওয়া-(পর্ব-১৫) পর্ব-১৬ তখন সময় বিকাল সাড়ে চারটা। আমরা ৪ নাম্বার জোনটা সফলতার সঙ্গে শেষ করলাম। কিছু নতুন পাখি ও পূ্র্বের তোলা পাখির ভাল ভাল শট পেয়ে সবাই আনন্দিত হলাম। ৩ নাম্বার জোনে যাবার জন্যে হাঁসতে হাঁসতে জোন থেকে বের হয়ে যার যার রিক্সায় চড়লাম। এই জোনের পথে বনের ক্যান্টিন। তাই… [বিস্তারিত]
একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু পাগলের সাথে শলা-পরামর্শ করে বেড়িয়ে পড়ি রেল লাইনে হেটে হেটে গ্রাম বাংলাকে দেখার জন্য। এবং সিদ্ধান্ত নেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল লাইন ধরে হাটবো। এটাই ছিলো আমাদের রেল লাইন পরিকল্পনা, ইতিমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম… [বিস্তারিত]
আগের পর্বের লিঙ্ক এখানে- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-১৪) পর্ব-১৫ বেশ কয়েক প্রজাতির পাখির ছবি তুলে আমরা ৫ নাম্বার জোন শেষ করলাম। দুপুরের আহারের জন্য বনের ভিতর কেন্টিনে গেলাম। আমাদের ট্যুর অপারেটর সুজিত বেরা নুডুলস,পরেটা, ভাজি, কমলা লেবু ও ফলের জুস পাঠালো। সেগুলি দিয়েই আহারটা শেষ করি।পরে মনের মাধুরী মিশিয়ে এক কাপ চা-পান করে ৪ নাম্বার… [বিস্তারিত]
ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। তাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিলো সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। তবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে এটি যে খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন সে সম্বন্ধে কোনো সন্দেহ থাকে না। ধারণা করা হয় তিনি ১৫শ… [বিস্তারিত]
আগের পর্বের লিংক মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-১৩) পর্ব-১৪ ৫ নাম্বার জোনের সরু পথ থেকে মূল পথে একটি ওক গাছের নীচে আমরা সবাই বসলাম। সকাল থেকে একটানা ছবি তোলায় শরীরটা ক্লান্ত হয়ে উঠে। এরই মধ্যে জীতেন চা-বিস্কিট নিয়ে চলে আসলো। চা-পান সেরে সামনে অগ্রসর হলাম। সবার চেহারায় তাকিয়ে বুঝতে পারলাম দলের সঙ্গীরা ভালো কিছু ফুলফ্রেম ছবি… [বিস্তারিত]
আগের পর্বের লিংক- মাামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-১২) পর্ব-১৩ কালোবকের ছবি তোলার সময় আমার রিক্সার পার্টনার খোন্দকার কিসমত ভাই অন্য পাখির ছবি তোলায় ব্যাস্ত ছিলেন। আমার সঙ্গীরা কেউই আমার সঙ্গে ছিলেন না। তাঁরা সবাই যার যার মতন ছবি তুলছিলেন। দলের সাথীরা কালোবকের ছবি তুলতে না পারায় আমার মনটা খারাপ ছিলো। পরে এক সঙ্গে হলে আমি উনাদের… [বিস্তারিত]
আগের পর্বের লিংক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-১১) পর্ব-১২ বনের শেষ প্রান্তের ৬ নাম্বার জোনে সারস ও ইউরোশীয় চামুচঠোঁটি সহ আরো কিছু প্রজাতি পাখির ছবি তুলে আমরা ৫ নাম্বার জোনের জন্য রওনা হলাম। দূরত্ব হবে আনুমানিক ৯০০ গজের মতন। এখানে বলে রাখা দরকার যে, কেওলাদেও বনের মূল ফটক হইতে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত ১০ ফুট চওড়া সোজা… [বিস্তারিত]
একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু পাগলের সাথে শলা-পরামর্শ করে বেড়িয়ে পড়ি রেল লাইনে হেটে হেটে গ্রাম বাংলাকে দেখার জন্য। এবং সিদ্ধান্ত নেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল লাইন ধরে হাটবো। এটাই ছিলো আমাদের রেল লাইন পরিকল্পনা, ইতিমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম… [বিস্তারিত]
মামাকে দেখতে যাওয়া। (পর্ব-১০) < পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুণ পর্ব-১১ আমি আগের কোন এক পর্বে উল্লেখ করেছিলাম যে,কেওলাদেও পার্কের শেষ প্রান্তে (বনের শেষ অংশে) ৬ নাম্বার জোন। এখন ভাবছি বনটি সম্পর্কে একটা সম্যক ধারনা আমার পাঠক বন্ধুদের দেওয়া দরকার। যাতে করে তাঁরা বনের পরিবেশটা ভাল করে বুঝতে পারেন। অন্যান্য জোন সম্পর্কে যখন আলোকপাত করবো… [বিস্তারিত]
কেউ কেউ বলেন বাংলার কাশ্মীর, মূলত এটা একটা পরিত্যক্ত লাইম-স্টোন লেক, যা কেয়ারী লাইম স্টোন লেক নামে পরিচিত। এছাড়া কেয়ারী লেক, আবার অনেকে নীলাদ্রি নামে ডেকে থাকেন নীল পানির কারণে। তবে ইদানিং ভ্রমণ পিপাসুরা নীলাদ্রি নামটাকেই মনে হয় বেশী পছন্দ করছেন। তবে জায়গাটাকে যে নামেই ডাকা হোক না কেন সৌন্দর্য্যে যে কেউ জায়গাটার প্রেমে পড়তে… [বিস্তারিত]
মিউজিয়ামে প্রবেশ না করে আমরা সামনে দিকে আগালাম। দেখা পেলাম বিশাল বোর্ডে চিহ্নিত করা গোটা কেওলাদেও বনের একটা ম্যাপ। কোন জায়গায়, কত নাম্বার লেকে বা বিলে, কোন কোন পাখির অবস্থান সবই বোর্ডে দেখানো আছে। ভারতীয় ফটোগ্রাফারদের কাছে সবই জানা। তাই তারা সাইকেল ভাড়া নিয়ে বনের ভিতর চলাফেরা করে। ম্যাপে দেখলাম উত্তর আমেরিকা থেকে আসা ফ্লেমিংঙ্গো… [বিস্তারিত]













