মূল লেখায় যান

২৫ মার্চ,১৯৭১ এর কালরাত্রিতে যেসব অকুতোভয় বাঙালি বুকের কয়েকটি পাঁজর আর একটি করে লাল টুকটুকে হৃদপিন্ড নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন ইতিহাসের নিকৃষ্টতম পশুদের বিরুদ্ধে,তাদের সেই ছেলেমানুষি দুঃসাহসকে উৎসর্গ করছি এই সিরিজটি ১৯৭১,বর্ষাকালের কোন একদিন।বরিশালের আগৈলঝড়া থানার রাজিহার গ্রামের সত্তর বছরের বৃদ্ধ শরৎ বাবু বাড়ির উঠানে বসে খই খাচ্ছিলেন,তাঁর গায়ে ছিল জ্বর।পাকিস্তানি মিলিটারি আসতে দেখে ভয়ে… [বিস্তারিত]

চমকি গেইট খুলে অবাক! এতো স্মার্ট মেয়ে মানুষ সে জীবনেও দেখেননি।যেমন তার রূপ তেমনি তাহার পোষাক যেনো কুড়ের ঘরে ডানা কাটা পরি এসে নামল। -কে আপনি?কাকে চাই,কেনো কোথা থেকে এসেছেন? মেয়েটি চোখের সান গ্লাসটি ডান হাতে নামিয়ে সদা মিষ্টি হেসে চমকির প্রশ্নের উত্তর দেন। -এতো প্রশ্ন এক সঙ্গে,....ঠিক আছে আমি জয়া,এটা কি সূর্য্যদের বাড়ী? চমকি… [বিস্তারিত]

মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত এবং ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে যাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে তাদের কবরে লেখা হচ্ছে শহীদ !যদি এই কুলাঙ্গারদের শহীদ লেখা হয় তাহলে প্রকারান্তে দেশের জন্য যারা যুদ্ধ করে প্রাণ দিয়েছিল তাদের সঙ্গে তামাসা করা ছারা আর কিছু নয়। এটা যদি এখন প্রতিহত করা না যায় তাহলে আগামী প্রজন্ম এসব কুলাঙ্গারদের শহীদ… [বিস্তারিত]

তাঁর কথা মনে হলেই এক অন্য রকম অনুভূতি জাগে মনে, শ্রদ্ধায় অবনত হয়ে আসে মাথা।খুব কাছে থেকে "আম্মা" ডাকার আকুলতা জাগে মনে। জানেন তিনি কে ?? জানেন আমি কার কথা বলছি ??? আমি শহীদ জননী, আমাদের পরম শ্রদ্ধেয়, আমাদের আম্মা জাহানারা ইমামের কথা বলছি। যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমসহ স্বাধীনতাবিরোধী সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত একনিষ্ঠ… [বিস্তারিত]

"ওদের ৩০ লক্ষ হত্যা করো। বাকিরা আমাদের থাবার মধ্যেই নিঃশেষ হবে..." প্রচন্ড চিৎকার, হাহাকার, কান্নার ধ্বনি চারিদিকে। ঘামছে, সমস্ত শরীর ঘামছে কিম্ভূতকিমাকার লোকটার। অদ্ভুত! ঘামগুলো ক্যামন রক্তের মতো দেখাচ্ছে যে!! লোকটা ঘুমিয়ে পরেছে আবার। অনেক বছর যাবৎ একইভাবে ঘুমুচ্ছে সে।কিন্ত ইদানীং বহু বছরের পুরনো কিছু ঘটনা দু্ঃস্বপ্ন হয়ে আনাগোনা করে তাঁর ঘুমের মাঝে। হঠাৎ হঠাৎ… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

১৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় বাংলাদেশের এক কর্মকর্তা কলকাতা প্রেসক্লাবে উপস্থিত হন৷তিনি বিদেশী ও ভারতীয় সাংবাদিক ও কূটনীতিকদের পরদিন সকাল ৬টায় প্রেসক্লাবে হাজির থাকতে বলেন৷ ভোর হতেই সাংবাদিক ও টেলিভিশন ক্যামেরাম্যানরা ভিড় করতে থাকেন।৬টা বাজতেই কয়েকশ সাংবাদিক হাজির হয়ে যান কলকাতা প্রেসক্লাবে৷কেউ কিছু আঁচ করতে পারেন না৷ যথা সময়ে বাংলাদেশের কর্মকর্তা প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের স্বাগত জানান৷… [বিস্তারিত]

মনকে শান্ত রাখার চেষ্টায় দীপ্ত কিছু ক্ষন পূর্বে এক দল টুপি পড়া যুবক অর্ধ বয়সী লোকেরা তাদের ঘর বাড়ীগুলোকে আগুনে জ্বালিয়ে ভাংচুড় করে গেছেন।কারন কিছুই না তাদের মতে দীপ্তরা এ দেশে অভিসপ্ত জাতি,তাদের সাফ কথা এ দেশে কোন ভিন ধর্মী লোকেরা বসবাস করতে পারবে না।যদি মুসলমান হতে পারে তবেই তারা এদেশে বসবাস করতে পারবেন...এমনি মর্মস্পয়ী… [বিস্তারিত]

আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই আজো আমি মাটিতে মৃত্যূর নগ্ননৃত্য দেখি, ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে… এ দেশ কি ভুলে গেছে সেই দু:স্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময় ? বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসে মাটিতে লেগে আছে রক্তের দাগ। শেরপুর জেলা থেকে ৩৬ কিঃ মিঃ দূরে নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন কাকরকান্দি,গারো পাহাড়ের কোল… [বিস্তারিত]

"সত্যের কাছে অসত্য নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে” ... নিজ আইনজীবী মতিউর রহমান আকন্দের কাছে কথাটা বলেছে নরপিশাচ, রাজাকার কামারুজ্জান। হুম, এই একটা কথায় আমি ওর সাথে সহমত, কড়াভাবে সহমত। ঠিকই তো !! সত্যের কাছে অসত্য নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় বলেই, শেরপুর ডাকবাংলোয় বসে মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সন্দেহভাজনসহ নিরীহ বাঙালিদের হত্যার নির্মম সত্য ৪৪ বছর পরে উন্মোচিত হয়ে… [বিস্তারিত]

গ্রামের নাম সোহাগপুর।কেন সোহাগ দিয়ে একটি স্থানের নামকরণ করা হয়েছিল তা অজ্ঞাত।হয়ত ঐ গ্রামের কোন নারী তাঁর প্রিয়তম স্বামীর কাছ হতে খুব বেশী সোহাগ পেতেন কোন এককালে যা কালক্রমে সোহাগপুর হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে। শেরপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে নালিতাবাড়ি উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়নে একটি গ্রামের নাম ছিল সোহাগপুর। ১৯৭১ সনের ২৫ জুলাই… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

ঘটনা-০৪ঃ মনছুরা... সময়টা ১৯৭১। যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়। চারিদিকে আতংক।সারাদেশের মানুষের মতোই মনছুরা খাতুনও খুব শঙ্কিত তাঁর পরিবার পরিজন এবং অনাগত সন্তানকে নিয়ে। পৃথিবীতে তাঁর ১ম সন্তান আসছে, এই ভেবে একজন মায়ের যতোটা উচ্ছ্বাসিত হবার কথা তার চেয়ে হাজার গুন বেশি উদ্বিগ্ন মনছুরা। মনে একটাই প্রশ্ন শেষ পর্যন্ত তাঁর অনাগত সন্তানটিকে কি সে পৃথিবীতে আনতে পারবে… [বিস্তারিত]

সেলিনার সেই শিলালিপি

আরাফ কাশেমীমুক্তিযুদ্ধ১০টি মন্তব্য

স্বাধীন বাংলাদেশেই আজ কলম চালানো যে কত কঠিন তা চোখে মেললেই দেখতে পাওয়া যায়,তাহলে ভাবতে পারেন কি পরাধীন বাংলার মাটিতে কলম চালানো কতটা কঠিন ছিলো।কিন্তু তারপরো কলম চলেছিলো অনেকে,তাদের মাঝে একটি কলম চলে ছিলো সেলিনা পারভীনের হাত ধরে পরাধীনতার বৃত্ত থেকে স্বাধীনতার আলোর আশা বুকে নিয়ে। শহরে তখন কারফিউ ডিসেম্বর সকালবেলা ১১৫ নং নিউ সার্কুলার… [বিস্তারিত]

স্বাধীনতা

সীমান্ত সৈকতকবিতা, মুক্তিযুদ্ধ৬টি মন্তব্য

পূর্ব গগনে সদ্য উদিত রক্ত-লাল সূর্যের আলোয় চোখে ভাসে বাতাসে উড়ন্ত লাল সবুজ পতাকা । মুগ্ধ সবাই দেখে স্বাধীনতা ,নিচ্ছে নিশ্বাস প্রাণ ভরে, বলছে কথা মন খুলে শোর কলরবে, পরাধীনতার উন্মাদ ষাঁড় তেড়ে বেড়াবেনা আর, পরাবেনা কেউ পায়ে গোলামির সেকল, এইতো স্বাধীনতা । লুটেপুটে খাবে নেতৃত্বের আসন-দ্বারী রাগব বোয়াল আত্মমগ্ন নিরীহ অবাগি জনতা, গিলে নেবে… [বিস্তারিত]

যদি আপনি দেখেন বর্তমানে কোন মামলায় খুনি,ধর্ষক হিসেবে প্রমানিত মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত কোন ব্যক্তি বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করে।তাকে কোন সাঁজাই ভোগ করতে হয়নি,জেল থেকে বিনা শর্তে তাঁকে মুক্তি দিয়ে দেয়া হয়েছে,আইন এবং বিচার ব্যবস্থার উপর আপনার কোন শ্রদ্ধা থাকবে? ঠিক এমনই করা হয়েছে।অভিযুক্ত বিচারাধীন এগার হাজার যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি দিয়ে দেয়া হয়েছে ১৯৭৫ সনের… [বিস্তারিত]

(সত্য ঘটনা অবলম্বনে, চরিত্রের নামগুলো ও পরিবর্তন করা হয়নি) আলেয়া কান পেতে আছে। কই মানুষটার পায়ের শব্দ তো পাচ্ছি না? কত পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এই গভীর রাতে একটু আগেই একটা শিয়াল বোধ হয় জানালার পাশ দিয়ে হেঁটে গেল। আলেয়া কান পেতে আছে। বিকাল বেলা জয় খবর দিয়ে গেল- আলে’পা আজ রাত্রে বাসায় থাকবেন, দুলাভাই… [বিস্তারিত]