# সোনেলায় আমি, আমার সোনেলা (সোনেলার জন্ম মাস)

Author: শামীম চৌধুরী
Published: 2020-09-03
Category: একান্ত অনুভূতি
URL: https://sonelablog.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b8/

আমাকে এই লেখাটি লেখার সুযোগ করে দিয়েছে সোনেলা। সোনেলার উঠোনে ছিলাম বলেই তা সম্ভব হয়েছে। নতুবা আমার মতন এমন বনে-বাঁদাড়ে ঘুরা মানুষকে কেউ জানতে পারতো না। জীবনে কোনদিন ভাবিনি একজন কর্মজীবি মানুষ হয়ে লেখা-লেখি করবো।

ফেসবুকে হিসাব খুলে দেয় আমার একমাত্র কণ্যা। সম্ভবতঃ ২০০৮ সাল। আমাকে মেয়ে বললো-  
তোমাকে ফেসবুকে একাউন্ট খুলে দিয়েছি।  
আমি জানতে চাইলাম সেটা দিয়ে কি হবে?  
মেয়ে বললো-  
তুমি তোমার অনুভুতি,ছবি,পরিবারের সঙ্গে আড্ডার গল্প কাহিনী,বন্ধুদের সঙ্গে ইনবক্সে কোথপোকথন সহ সবকিছু শেয়ার করতে পারবা। আবার তোমার স্কুল ও কলেজ জীবনের হারানো বন্ধুদের খুঁজে পাবা।  
হারানো বন্ধুদের খুজে পাবো শুনেই আগ্রহটা বেড়ে গেল।

তারপর এক বছর ফেসবুকে যাওয়া হয়নি। পাসওয়ার্ড ও আইডির নাম সব মেয়ের কাছে ছিল। একদিন মেয়েকে বললাম। আমাকে বুঝিয়ে দাও-  
কি ভাবে কি করবো?  
মেয়ে পাশে বসিয়ে সব কিছু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখালো ও শিখালো। সেই হিসাবে আমার মেয়ের কাছে হাতে-খড়ি ও সে শিক্ষিকাও বটে।

ব্লগ সম্পর্কে আমার কোনই জ্ঞান ছিল না। শুধু এতটুকু জানতাম, ব্লগে যারা লিখেন তারা ব্লগার। মৌলবাদীরা ব্লগার রাজিবকে হত্যা করেছিলো। সেই ঘটনা ফেসবুকে জেনেছিলাম। সেখানে রাজিবকে ইসলাম বিরোধী ও ইসলামের শত্রু বলে হত্যা করা হয়।  
মানে কি দাঁড়ালো?  
মানে হলো ব্লগাররা নাস্তিক।  
পরবর্তীতে এই মৌলবাদীরা একে একে অভিজিৎ সহ অনেক ব্লগারকে হত্যা ও জখম করেছে। হুমায়ূন আজাদ স্যারও এদের হাত থেকে রক্ষা পাননি। তাই ব্লগ সম্পর্কে তেমন কোন আগ্রহ জন্মায়নি। তবে ভয় পাইনি।

আমার যে বিষয়-বস্তুর উপর সম্যক ধারনা বা জ্ঞান নেই, তা নিয়ে হৈ-চৈ করিনা। কারন মুর্খরাই জ্ঞান ছাড়া হৈ-চৈ করে। সুতারাং জ্ঞানহীন কোন বিষয়-বস্তু নিয়ে তর্ক করার অর্থ হচ্ছে অপরের কাছে বো কোন গোষ্ঠির কাছে নিজেকে হাস্যপদ হিসেবে তুলে ধরা। আর এটা কোন বাহাদুরীরও কাজ নয়। ছোটবেলা থেকে এই শিক্ষায় চলে আসছি। নিজ সন্তানদেরও একই শিক্ষায় দীক্ষা দিয়েছি।

**সোনেলায় আসার পিছনের গল্পঃ**  
**\=====================**  
সোনেলায় না আসলে জানতাম না যে, সোনেলা একটি বিশাল আকাশ। আর এই আকাশে আছে কত জানা-অজানা নক্ষত্র। এক কথায় যদি প্রকাশ করি তবে সোনালা হচ্ছে নক্ষত্রদের মিলনমেলা।

কর্মজীবনের বাহিরে আমি একজন শখের ছবিয়াল। চট্টগ্রামে বসবাসরত আমার পূর্ব পরিচিত ইঞ্জিনিয়ার মানস চৌধুরী লিটুর সহপাঠী এম ইঞ্জা ভাই। তিনি আমার পাখির ফটোগ্রাফী দেখে আমার সঙ্গে ২০১৮ সালে ফেসবুকে যুক্ত হোন। এক কথায় তিনি আমার ছবির ভক্ত। প্রতিটি পাখির পরিচয় ও প্রাপ্তিস্থান তাঁকে জানানো ছিলো বাধ্যবাধকতা। নতুন কোন পাখির ছবি দেখামাত্র জানতে চাইতেন কি নাম। এই ভাবে চলছিলো দিনগুলি। আমি কোনদিন ইঞ্জা ভাইকে সরাসরি দেখিনি। তবে ফোনে কথা হতো অসংখ্যবার। তাঁর কথা বলার স্টাইল, ভাষাগত মান ও কন্ঠ শুনে বুঝতে পারতাম তিনি একজন উচ্চ বংশীয় সৌখিন মানুষ। তাঁর সঙ্গে আমার সরাসরি দেখা হয় মা মাটি মানুষের মিলনমেলায়। শুধুমাত্র আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য তিনি অসুস্থ্য শরীর নিয়ে এসেছিলেন। সারাদিন আমার পাশে বসে সঙ্গ দিয়েছেন। সেদিন আরেকজন ছিলেন। তার নাম না বললে অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ পায়। তিনি মনির হোসেন মমি ভাই। তাঁরা দুজন যে ভাবে আমাকে সঙ্গ ও ভালবাসা দিয়েছেন তার জন্য ইঞ্জা ভাই ও মমি ভাাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

২০১৮ সালের মার্চ মাসে ইঞ্জা ভাই আমাকে সরাসরি ফোনে বলেন আপনাকে একটি ব্লগে নিতে চাই। আপনার প্রতিভাগুলি সেখানে তুলে ধরলে পাঠকরা আপনার কাজগুলির মূল্যায়ন করবে। শুধু তাই নয় পৃথিবীতে যত বাংলা ভাষা-ভাষী দেশ ও মানুষ আছে তারা সবাই আপনার লেখা ও ছবি পড়তে এবং দেখতে পারবে। আপনার ভক্তের সংখ্যাও বাড়বে। আপনার কাজের স্বীকৃতি মিলবে। হাজার হাজার মানুষ জানতে পারবে আপনি কে?  
কি আপনার পরিচয়?  
ইত্যাদি ইত্যাদি।

তিনি আরো বলেন, ফেসবুকে আপনার সঙ্গে যুক্ত যতজন বন্ধু আছেন তারাই শুধু জানতে পারবে আপনার প্রতিভা সম্পর্কে। ইঞ্জা ভাইয়ের কথা শুনে লোভ হলো। উনাকে বললাম কি ভাবে ব্লগে লিখবো জানি না?  
তাছাড়া সদস্য হবো কি করে?  
উনি সব শুনে বলেন আমি সব করে দিচ্ছি। তারপর উনি আমার ছবি নিলেন,  
কি নামে হিসাব খুলবেন তা জানতে চাইলেন।  
ব্লগে আমার নামে হিসাব খুলে পাসওয়ার্ড দিয়ে বললেন এবার ব্লগে প্রবেশ করুন। যেখানে যেটা না বুঝতাম তার স্কীনশট দিয়ে বুঝিয়ে দিতেন। অল্প দিনে ব্লগ সম্পর্কে একটা ধারনা হলো।

২০১৯ সালের ২৩শে এপ্রিল শাহবুলবুল বা সাহেব বুলবুলি পাখি নিয়ে প্রথম লিখে পোষ্ট করি। আর সেটাই ছিলো সোনেলা ব্লগে প্রথম পোষ্ট। আর সেদিন থেকেই ব্লগে আমার যাত্রা হলো শুরু। সে পর্যন্ত সবকিছুই এই গুনীমানুষটি নিজ হাতে করে দেন। আমাকে শিশুর মত করে শিখাতে থাকেন।

একে একে অনেকের লেখা পড়ার সুযোগ হলো। কবিতা,ছোটগল্প, গল্প,ভ্রমন কাহিনী থেকে শুরু করে সমাসময়িক সব বিষয়ে লেখাগুলি পড়তাম আর ভাবতাম এত এত নক্ষত্রের মাঝে নিজেকে দাঁড় করাতে পারবো তো?  
এমন করেই ইঞ্জা ভাইয়ের হাত ধরে চলে আসলাম সোনেলায়।

**লেখা ও ছবির হাতে খড়িঃ**  
**\================**  
সোনেলায় আমার নিয়মিত লেখা প্রকাশ না হলেই ফোনে ইঞ্জা ভাই বলতেন-  
লেখা দিচ্ছেন না কেন?  
পাঠকরা ছবি দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।  
উনার কথায় বুঝতে পারতাম তিনি কতটুকু সজাগ ছিলেন আমার উপর। বয়সে ছোট হলেও তিনি একজন অভিভাবকের মতন আমায় আদেশ ও উপদেশ দিয়েছেন। আজকের জায়গায় নিয়ে এসেছেন। সোনেলায় ছবি পোষ্টের একটা বাধ্যবাধকতা আছে। ১০০কেবির উপরে সাইজ হতে পারবে না। আমি ছবি রি-সাইজ করতে পারতাম না বলে পোষ্টও দিতে পারতাম না। এ ব্যাপারটি জানতে পেরে আদরের ছোট ভাই তৌহিদ ও ইঞ্জা ভাই আমাকে সহযোগিতা করে আসছিলেন। একদিন জিসান ভাই জানতে পারেন আমি ছবি রি-সাইজ করতে পারি না বলে লেখা দেই না। তিনি আমার ফেসবুকের বক্সে সফটওয়ারের লিংক দিয়ে বলেন ছাইরাস হেলাল ভাই এটা ব্যাবহার করছেন। আপনিও করতে পারেন। আশা করি আপনার সমস্যার সমাধান হবে। একজন মানুষ ব্লগের জন্য কতটুকু নিবেদিত প্রাণ হলে এমন করে প্রতিটি সদস্যদের খোঁজ রাখতে পারেন তা পাঠক বন্ধুদের উপর ছেড়ে দিলাম।  
উনাদের দুজনকে বিরক্ত করাটা আমার নীতিবিরোধী মনে হলো। এমন সময় জিসান ভাইয়ের সফটওয়ার হাতে পেয়ে সেই বিপদ থেকে মু্ক্ত হলাম। নিয়মিত লেখা শুরু করলাম। ছবি রি-সাইজ করার হাতে-খড়ি পেলাম। ধন্যবাদ জিসান ভাই।

**সোনেলা থেকে যা পেলামঃ**  
**\=================**  
সোনেলা আমাকে একজন লেখক হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে। একজন ফটোগ্রাফার হিসেবে দুনিয়ায় পরিচিয় তুলে ধরেছে। এমন এমন মানুষের সঙ্গে পরিচয় ঘটিয়েছে যা আমার স্বপ্নের বাহিরে ছিলো। এত এত গুনীজনের কাছ থেকে আমাকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পাওয়ার সুযোগটা করে দিয়েছে সোনেলা। মানুষ গড়ার কারিগর যেমন শিক্ষক সমাজ। তদ্রুপ লেখক,কবি,চিত্রগাহক সহ আমাদের নানান প্রতিভাগুলি পাঠকদের বাগানে ফুঁটিয়ে তোলার নিঃস্বার্থ কারিগর হচ্ছে এই সোনেলা।  
স্বার্থপরের মতন সোনেলার কাছ থেকে সব কিছু গ্রহন করলাম।  
যার জন্য সোনেলার কাছে চির ঋনী হয়ে রইলাম।

**সোনেলায় কি দিলামঃ**  
**\==============**  
আমার মতন একজন হতদরিদ্র ও কৃপণ মানুষের পক্ষে “দাতা হাতেম তাই” এর মতন সোনেলাকে দেয়ার কিছুই নেই। যা আছে তা নিঃস্বার্থ অফুরন্ত ভালোবাসা ও দোয়া। রঙধনুর সাতরঙে মিশানো একরাশ ভালোবাসো ও ফুলেল শুভেচ্ছা দিলাম সোনেলাকে। আশা করি আমার বন্ধুরা সানন্দে গ্রহন করবেন।

**কৃতজ্ঞতা প্রকাশঃ**  
**\===========**  
সর্বপ্রথম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জিসান ভাইয়ের প্রতি।  
আমার চোখে তিনি সোনেলার একজন প্রাণপুরুষ। আজ তাঁর নিঃস্বার্থ ভালোবাসার অবদান সোনেলা ব্লগ। এই পুরুষটির জন্ম না হলে, সোনেলার জন্ম হতো না বলে আমার বিশ্বাস।

কৃতজ্ঞা জানাই হিডেন ফটোগ্রাফার ও কবি ছাইরাস হেলাল ভাইকে। আমার প্রতিটি লেখায় উনার মন্তব্যগুলি আমাকে অনুপ্রেরনার জোগান দেয়। উনার অকৃত্রিম ভালবাসার কাছে আমি পরাজিত।

কৃতজ্ঞতা জানাই আদরের ছোট ভাই তৌহিদকে।  
আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য তাঁর শত কাজ রেখে ছুঁটে আসে রাজশাহীতে আমার হোটেল রুমে। তার মূল কারন ছিলো ভার্চুয়াল জীবনের অবসান। প্রথম দেখাতেই আমাকে আপন করে নেয় । বড় ভাইয়ের জায়গায় বসিয়ে দেয়। যার কোন যোগ্যতাই আমার নেই। সোনেলার নক্ষত্রদের মাঝে প্রথম নক্ষত্র তৌহিদের সঙ্গে সেদিন ভার্চুয়াল জীবনের অবসান ঘটে।

কৃতজ্ঞ জানাই মনির হোসেন মমি ভাইকে।  
যার সঙ্গে আমার সরাসরি দেখা হয় মা মাটি মানুষের মিলনমেলায়। মমি ভাইয়ের সাহায্য সহযোগিতায় সোনেলায় এতটুকু পথ পাড়ি দেয়া সম্ভব হয়েছে।

কৃতজ্ঞতা জানাই রেহানা আপুকে।  
ভাই বোনের মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে উনার সঙ্গে। আমার প্রতিটি কর্মে উনার সহযোগিতা আামকে উৎসাহিত করেছে।

কৃতজ্ঞতা জানাই সুপর্না দিদিভাইকে।  
যার ভালবাসা আমাকে আরো উজ্জীবিত করেছে।

কতজ্ঞতা জানাই,আলমগীর ভাই, সুপেন বড়ুয়া দাদা, হালিম নজরুল ভাই, মজিবর রহমান ভাই,সহ নাম না জানা সোনেলার সকল নক্ষত্রদেরকে।

কৃতজ্ঞতা জানাই সোনেলার মিলনমেলায় উপস্থিত সকল নক্ষত্রদেরকে। সেদিন উপস্থিত সকলের সঙ্গে স্বশরীরে পরিচয় হওয়ায় ভার্চুয়াল জীবনের অবসান ঘটে। সেদিন ছিলেন বণ্যা আপু,অনন্য অর্ণব, নিতাই দাদা,সুপেন দাদা,রুকসানা আপু সহ অনেকে। সেদিন উনাদের সান্নিধ্যে থাকতে পেরে নিজে গর্ববোধ করেছি। সেই মিলনমেলায় অধিকাংশ ভাই-বোনদের সঙ্গে আমার ভার্চুয়াল জীবনের অবসান ঘটানোর জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জিসান ভাইয়ের প্রতি।

বিঃদ্রঃ যে সকল ভাই-বোনদের নাম উল্লেখ করতে পারিনি তাদের সকলের কাছে কায়মনোবাক্যে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। সবাই আপনারা নিজ গুনে আমাকে ক্ষমা করবেন।

**কিছু কথাঃ**  
**\=======**  
**(১)** সোনেলা একটি পরিবার। আর সদস্যরা সেই পরিবারের সন্তান। যারা এই পরিবারে লেখা-লেখি করেন তারা সবাই গুনী ও জ্ঞানী। কারো লেখায় কে মন্তব্য করবে বা করবে না তা সম্পূর্ন তাঁর ব্যাক্তিগত বিষয়। তবে যারা আপনার কোন লেখায় মন্তব্য করেন তাদের মন্তব্যের উত্তর বা জবাব দেয়া আপনার নৈতিক দায়িত্ব। তাতে আপনার সৃজনশীল ভদ্রতার পরিচয় প্রকাশ পায়। আর মন্তব্যকারী আশাও করেন।

**(২)** ব্লগে যত পোষ্ট হয় দিন শেষে দেখা যায় তাতে কবিতার সংখ্যা ৮০ ভাগ। আমি কবিতাকে ছোট করে দেখছি না। কবি ভাইয়েরা আমার উপর নাখোশ হবেন না। শুধুমাত্র ব্লগের ডেকোরেশনটা ফুঁটানোর জন্য বলা। যাতে অনিবন্ধিত পাঠকরা যেন মনে না করেন ব্লগটি কবিতার উপর নির্ভরশীল। এ ব্যাপারে ব্লগ সঞ্চালকদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

**(৩)** ”ব্লগারদের স্বপ্ন” এর মতন আরো নতুন কিছু ব্লগারদের মাঝে সাড়া জাগানো যায় কিনা সেটা ভেবে দেখার অনুরোধ রইলো।

**(৪)** বছর শেষে বার্ষিক পুরস্কার ছাড়া প্রতি মাসে সেরা লেখক,কবি,সাহিত্যিক ও ছোট গল্পকার নির্বাচন করে তাঁর লেখা এক মাস পিনপোষ্ট করা যায় কিনা। আশা করি বিজ্ঞ ব্লগ সঞ্চালকরা নজরে রাখবেন।

**সর্বশেষঃ**  
**\======**  
ভালোবাসি সোনেলার প্রতিটি ব্লগারকে।  
ভালোবাসি সোনেলার সকল পাঠককে।

সোনেলার জন্ম মাসে আমি সোনেলার দীর্ঘায়ূ কামনা করছি। সোনেলা বিশ্বের বুকে একটি বাংলা ভাষার উৎকৃষ্ট ও সর্বশ্রেষ্ঠ ব্লগ হিসেবে পরিচিত ঘটুক এই কামনা করে সোনেলার সঙ্গে আমৃত্যু থাকার অঙ্গীকার ও শপথ করছি।  
সবাই ভাল থাকুন।  
সবার জন্য রইলো শুভ কামনা।

শুভ শুভ শুভ মাস  
সোনেলার জন্ম মাস।
