# “সোনেলার জন্মতিথিতে” একান্ত ভাবনা

Author: প্রদীপ চক্রবর্তী
Published: 2020-09-07
Category: একান্ত অনুভূতি
URL: https://sonelablog.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be/

সাক্ষাৎ খুব অল্প সময়ের,তবু এমনভাবে গেঁথেছে অন্তরে..  
যেমন করে সাজানো প্রতিটা শব্দ ‘ সোনেলা দিগন্তে জলসিড়ির ধারে।’

স্বল্প পরিধির অভিজ্ঞতায় তারমধ্য সোনেলায় যেটুকু পেয়েছি এখনো অবধি,  
অসংখ্য লেখকের অনুভূতি দিয়ে গাঁথা অক্ষরমালা এ যেন আমার ব্যথা সারানোর দারুণ মহৌষধি।

কলমের জন্মদাতা বহুজন হয়,যারা হারিয়ে গিয়েছে ব্যর্থতায়,  
সোনেলার জলসিঁড়ি দিগন্ত তাদের নতুন করে পথ দেখায়।  
..  
এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে মানুষ সাহিত্যচর্চা কখন থেকে শুরু করেছে বা সাহিত্যের গোড়াপত্তন কখন কোথায় তা আমি জানিনা।  
তবে আমার একান্ত ভাবনা সৃষ্টির প্রথম লগ্ন থেকেই সাহিত্যের বিচরণ।  
কারণ ধরণীর জন্মলগ্ন থেকে যদি চন্দ্র, সূর্য, সাগর, নদী, ফুল, গাছ, পাহাড়, আকাশ থাকে তাহলে সাহিত্যও ছিলো।  
যুগে যুগে মহাকবিগণ ও সাহিত্যিকগণ এসব প্রকৃতি থেকেই আস্বাদন করেছেন সাহিত্যের রূপ, রস, গন্ধ, মাধুর্য।  
প্রকৃতি ব্যতীত সাহিত্যচর্চা সম্ভব নয়।  
কেননা সাহিত্যের অনেককিছু প্রকৃতির মধ্যে লুকায়িত।  
প্রকৃতি ব্যতীত আমরা একাকার।  
সাহিত্যচর্চা করার পূর্ব প্রকৃতিকে ভালোবাসতে হবে এবং অনুভব করতে হবে।

চলে আসি প্রাসঙ্গিকে একটা নিদারুণ অনুভব নিয়ে।  
বাড়ির আঙিনা জুড়ে ফুলের সমাহার।  
কাকডাকা ভোরে ছুটে আসে দূরদূরান্ত হতে মৌমাছি আর ভ্রমর রেণু কুড়ানোর আস্বাদনে।  
তা দুচোখ ভরে দেখতাম।  
শুভ্র শরতের ঝরে পড়া শুভার্থী শিউলির মোহনীয় গন্ধে রোজ রোজকার মোহিত হতাম।  
আর একান্তে ঝরে পড়া শিউলি ফুল দিয়ে আপনমনে সাজাতাম নিজের নামের আদ্যক্ষর।  
অবসরে রথীমহারথীদের গল্প, কবিতা, উপন্যাস ইত্যাদি বই নিয়ে ফুলগাছের নিচে বসেবসে পড়তাম।  
শীতের ভোরে ঠাকুমা শোনাতে ভূতের গল্প, পরীর গল্প কখনো বা সাতভাই চম্পার গল্প।  
এসবকিছুর মন্ত্র মুগ্ধতায় মনের মণিকোঠায় আসতো নানান কথামালা। তা গ্রথিত করে রাখতাম আপন ডায়েরীতে।  
আর এসবে উৎসাহ পেয়েছি পরিবারের।  
তো ভাবনা কিসে?  
মনের আনন্দে আপনমনে দু চার লাইন লিখে যাই।

হ্যাঁ তবে একটা কথা।  
কখনো কবিসাহিত্যিক হওয়ার স্বপ্নে লেখি না।  
সে স্বপ্ন আমি কখনো দেখিনা  
এবং তা কখনো দেখবো না!

একটু আধটু ২০১৪ সাল থেকে ফেইসবুকে লিখতাম আর লোকজন কখনো বাহ,দারুণ,অসাধারণ,নাইচ।  
এসব নিয়ে কয়েকমাস আমারও বেশ দারুণ দারুণ লাগতো।  
হঠাৎ অগ্রহায়ণের ইরি ভরা মাঠ তারমধ্য এক জোনাকি রাতে পড়ার টেবিলে বসে একটা বিষয় মনে হলে আজকে ফেইসবুকে চারলাইনের কবিতা লিখব তাতে অর্থহীন ও বানান ভুল থাকবে!  
দেখি লোকজন তাতে কি মতামত করে।  
লাইক প্রায় একশত আপ, কমেন্ট প্রায় পনেরোষোলোর উপর। কমেন্টগুলো দারুণ, সেই, অসাধারণ ইত্যাদি!  
আর মনেমনে ভাবলাম আর হলোনা আমার ভুল হতে শিক্ষা। সবাই না পড়ে, না বুঝে এতসব কমেন্ট করেছেন। একজনও বললো না ভুল হয়েছে!  
ভাবলাম ফেইসবুকে অগত্যা চাষবাস করে লাভ নেই। তবে ফেইসবুক ছেড়ে অন্য কোথাও ধারাবাহিক লেখার অপশন নেই ডায়রী ব্যতীত।  
যাইহোক এখনো অব্ধি লিখে যাচ্ছি ফেইসবুকে।  
তবে ব্যতিক্রম।  
মতামত একই হলেও দুএকজন মাঝেমধ্যে ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেন।

হঠাৎ করে ঝড়বৃষ্টি থেমে পূবের আকাশে রোদ খিলখিলিয়ে হাসছে। আর জলতরঙ্গে ঢেউ খেলছে সোনালী রোদ্দুর।  
ভাবছি রহস্য আছে, না হয় বৈকি এমন!  
শেষ বিকেলের রোদ্দুরে জলকেলি করছে সদ্যজাত হাঁসের ছানা। আর ডানাবেয়ে নামছে উষ্ণতার গন্ধ।  
এ উষ্ণতা জানান দিচ্ছে আকাশের পশ্চিমা গোধূলিতে রঙধনু উঠবে!  
রঙধনু আমার বেশ পছন্দের।  
আকাশের কিছু রঙধনু প্রকৃতির কাছে বৈরী।  
তবে এ রঙধনুর আগমনীতে সুচিন্তিত সুজ্ঞানের অধিকারীর আহ্বান আসবে তা কখনো ভাবতেও পারিনি।  
মাঝেমধ্যে উনি আমার লেখা পড়তেন এবং যথার্থ মতামত প্রকাশ করতেন। কখনো ভুল ধরিয়ে দিতেন।  
আমার বেশ ভালো লাগতো উনার মতামত।  
কেননা আমি মৃত্যুের পূর্ব পর্যন্ত শুদ্ধ হওয়ার চর্চা করে যেতে চাই। তবে জানিনা এ কথাটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত।  
মানুষ তো!  
তাই ভুলত্রুটি হবে। কিছু ভুলের শিক্ষা অন্যের কাছ হতে শিখতে হয়। আর নিজের ব্যক্তিত্বের ভুল নিজেই সংশোধন করতে হয়।  
কে এই সুচিন্তিত মতামতের অধিকারী?  
দেখতে হবে।  
স্বল্প জ্ঞান নিয়ে একে একে নিজের অভিজ্ঞতার কথা যাচ্ছি লিখে নিজের ফেইসবুক ওয়ালে।  
অনেক তথ্য উপাত্ত নিয়ে জানা গেলো উনি একজন ব্লগার!  
কোন এক কাবেরী ধানের সুগন্ধি ছড়ানো আলোকিত সন্ধ্যায় উনি বলছেন,  
প্রদীপ তুমি আমাদের ব্লগে লিখো না কেন?

আমি উনাকে প্রশ্ন না করে নিজেকে প্রশ্ন করলাম  
What is a blog?  
ব্লগ সম্পর্কে আমার কোনো ধারনাই ছিলোনা।  
এবং ব্লগার কি? এর আলাদা বিশেষণটাও কি?  
তবে টেলিভিশনে, খবরের কাগজে দেখেছি ব্লগার হত্যার ঘটনা।  
কারণ কী ভাবতাম হয়তো কারো বিরুদ্ধে কিছু লিখেছেন। তাই এমন হত্যা।  
অনেক তথ্য উপাত্ত নিয়ে জানা গেলো উনি একজন ব্লগার।  
উনার নাম সাবিনা ইয়াসমিন।  
আমি মনেমনে ভাবছি ব্লগে লিখলে ব্লগার হতে হবে।  আর মস্তক কবে কবে কখন কে জানি কর্তন করে দেয়!  
ভাবছি এসবে আমি নেই।  
হয়তো আমার বিপদ ডেকে আনছেন উনি ( সাবিনা ইয়াসমিন দিদি )  
কোন কথা নেই।  
চুপচাপ বসে থাকলাম।

রাত্রিবেলা একা একা ভাবছি ব্লগ,ব্লগ ব্লগার।  
এইতো কয়েক বছর আগে পত্রিকায় দেখেছিলাম ব্লগার অনন্ত,অভিজিৎ আরও কত ব্লগারদের কে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে কে বা কারা।  
না ব্লগে লিখব না।  
আমার ফেইসবুক ওয়ালে থাকুক ছোটখাটো লেখাগুলো।  
রাত্রি প্রায় অনেক ব্লগ ব্লগ বলে ঘুমিয়ে পড়লাম।  
পরেরদিন ঠিক সন্ধ্যাবেলা আমন্ত্রণ এসেছে ব্লগে লিখার জন্য!  
তবে লিখতে নারাজ,আমি।  
না আর হলো না মনের ভাবনা ফিরিয়ে নিলাম।  
আর যাইহোক ব্লগে লিখব।  
যদি না লিখতে পারি হয়তো সেখান থেকে কিছু শিখতে পারব। শিখার আগ্রহ আমার ছোটবেলা থেকে।  
সাবিনা ইয়াসমিন দিদি আমায় বললেন  
প্রদীপ তুমি তোমার লেখাগুলো সোনেলায় পোষ্ট করো, প্লিজ। আমি তোমাকে ব্লগে দেখতে চাই।  
এমন আহ্বান আসবে তা কখনো ভাবি নি।  
তাই প্রথমে “প্রকৃতি প্রেম” কবিতার মাধ্যমে আমার সোনেলা ব্লগে লেখার যাত্রা।  
তার আগে সাবিনা ইয়াসমিন দিদি বললেন প্রদীপ তোমার নাম বাংলায় লিখে দাও।  
আর একটা ছবি দাও। আমি আইডি করে তোমাকে পাসওয়ার্ড আর ইউজার নেম পাঠাবো।  
আমি বললাম ঠিক আছে,দিদি।  
তবে কিভাবে লিখতে হয় তা জানা নেই।  
দিদি বললেন কিছু জানতে বা কোনো কিছু বুঝতে সমস্যা হলে ইকরাম জিসান সাহেব কে জিজ্ঞেস করবে!  
উনাকে তো আমি চিনি না।  
কোথায় কেমন করে পাই?  
আর মনেমনে ভাবলাম ঝামেলায় পড়লাম কি না।  
সাবিনা ইয়াসমিন দিদিকে বললাম উনাকে কিভাবে পাই?  
বললেন তাঁকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাও।  
তিনি তোমাকে সুন্দর ভাবে ব্লগের সবকিছু বুঝিয়ে দিবেন।  
ঠিক আছে দিদি।  
তাই সাথে সাথে রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে দিলাম শ্রদ্ধেয় ইকরাম জিসান দাদাকে ।  
একে একে কথোপকথন চলছে আমাদের।  
ইকরাম জিসান দাদার একে একে অমায়িক কথা শুনে মন ভরে গিয়েছে।  
আইডি নিয়ে ব্লগে কিছুতেই লগইন করতে পারছিলাম না। জিসান দাদা একে একে বলতে লাগলেন আমায় কিভাবে কি করতে হবে।  
দাদা এত ধৈর্যের সহিত স্ক্রিন শর্ট দিয়ে দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন কিভাবে লগইন করবো।  
নিজের অজ্ঞতার জন্য আমি বারবার ব্যর্থ হতে লাগলাম।  
তবুও হাল ছাড়িনি লগইন করতে হবে আজ আমাকে।  
আজ কিছু একটা লেখা শেয়ার করব ব্লগে।  
জিসান দাদা এতো ধৈর্য সহকারে আমাকে বুঝিয়ে দিতে লাগলেন আমি প্রায় অবাক হয়ে গিয়েছি।  
উনার এতো ধৈর্য?  
বাহ্!  
যা কোনকিছু দিয়ে এতে ভূয়সী প্রশংসা করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।  
অত্যন্ত শ্রদ্ধ্যাভাজন ব্যক্তি জিসান দাদার মহানুভবতা দেখে আমার নতশির।  
যা কোনকিছু দিয়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা আমার দ্বারা সম্ভব হবে না।  
রাত্রি প্রায় এগারোটা গড়িয়ে!  
ব্যাস্…… করলাম লগইন।  
আহ্  
কি আনন্দ।  
আকাশে বাতাসে।  
ব্লগে প্রথম কবিতা পোস্ট দিয়ে যাত্রা শুরু।  
একে একে আসতে লাগলো মন্তব্য আর অভিবাদন।  
দেখে পেটভরে গিয়েছে।  
ইকরাম জিসান দাদার কারিগরি দক্ষতার কথা আমি অনেকের কাছে গল্প করেছি।  
যাঁর তুলনা হয়না।  
মন আজও ছুটে চলে এই প্রিয় দাদার সাথে দেখা করতে। যখন ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন তা শুনে মন বেশ খারাপ লাগছিলো। আর সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করলাম উনার সুস্থতার জন্য।  
অসুস্থতার জন্য অনলাইনে জিসান দাদা সক্রিয় ছিলেন না।  তাই শ্রদ্ধাভাজন তৌহিদুল ও ইঞ্জা দাদা কাছ থেকে  খোঁজখবর নিতাম জিসান দাদার অবস্থা কেমন।  
অবশেষে সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় এবং সকলের প্রার্থনায় দাদা সুস্থ উঠেছেন।  
সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রিয় দাদার জন্য সবসময় প্রার্থনা করি সর্বদা যেনো ভালো থাকেন, সুস্থ থাকেন।

সোনেলা ব্লগে এসেই বুঝলাম ব্লগ কি  
এবং তা কেমন।  
পরিচ্ছন্ন,পরিপাটি এক বিশাল উঠোন। এ উঠোনের সব সদস্য একে অপরের আত্মজন।  
ব্লগ সম্পর্কে আমার কখনো অভিজ্ঞতা ছিলোনা।  
সোনেলা ব্লগে এসে আমার ক্ষুদ্র ভাবনাকে আর আমার মতো ক্ষুদ্র মানুষ স্থান পাবে তা কখনো ভাবতেও পারিনি।  
সাবিনা দিদি আমায় প্রায় বলতেন প্রদীপ তুমি ভালো লিখো। এই কথাশুনে একটু প্রাপ্তি জাগতো মনের মধ্য।  
ভাবছি আমি আজ হতে একা নয়।  
বরং আমি আজ একা থেকে সহস্রের পথে উত্তরণ।  
এতো বড়মাপের লেখকগণ পেয়ে আমি সত্যিই মুগ্ধ।  
সত্যিই আমি জানতাম না সোনেলা কি?  
জানতাম না সোনেলার ইতিহাস।  
সোনেলার জন্মমাস উপলক্ষে বিজ্ঞ ব্লগারগণের পোষ্ট পড়ে জানতে পেরেছি সোনেলার আদ্যোপান্ত ইতিহাস।  
লেখালেখির জগতে আমি খুবি অজ্ঞ এবং খুবি ক্ষুদ্র।  
সোনেলার জন্মমাস সেপ্টেম্বর ঋতুতে শরৎ।  
অনেকেই সোনেলার জন্মমাস নিয়ে জ্ঞানগর্ব লেখা লিখে যাচ্ছেন। আমার এই ক্ষুদ্র ও স্বল্পজ্ঞান নিয়ে লেখা কতটুকু সম্ভব হয়েছে তা জানিনা।  
সোনেলার কাছ হতে আমি অনেককিছু পেয়েছি।  
কিন্তু সেরাটা আজও দিতে পারিনি।  
ব্লগে এসে নিয়মিত ধারাবাহিক ছোটখাটো “পর্বতকন্যের ইতিকথা” নামক উপন্যাস লেখার সামর্থ্য হয়েছিলো, শুধুমাত্র আপনাদের অনুপ্রেরণা আর ভালোবাসায়।  
যা ২০২০ সালের একুশে বইমেলায় রঙিন মোড়কে আবদ্ধ হয়ে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে।  
আর এ উপন্যাস বই আকারে বের করতে গিয়ে ভাবনার মাঝে দুঃসাহসে জন্ম দিয়ে দেন ব্লগের অনেকে,  
বিশেষ করে শ্রদ্ধেয় দাদা ইকরাম জিসান, সাবিনা ইয়াসমিন দিদি, শ্রদ্ধেয় মনির হোসেন মমি, তৌহিদ ইসলাম, এম ইঞ্জা, নিতাই দাদা এবং ব্লগের আরও অনেকে। সবার কথা “পর্বতকন্যের ইতিকথা ” বই আকারে বের করা।

এইসব গুণীজনের উৎসাহ আর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে সিদ্ধান্ত নিলাম বই প্রকাশের।  
তবে বইটি প্রকাশের পেছনে নাম, যশ, খ্যাতির জন্য নয়, নিজের মধ্যে গড়ে উঠা ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ।  
সোনেলা আমায় শিখিয়েছে কিভাবে ভুল হতে শুদ্ধ হওয়ার শিক্ষা নিতে। ব্লগের পাঠকগণের সুচিন্তিত মতামতে আমার লেখায় ভুলত্রুটি বের হয়ে আসে।

ব্লগের প্রত্যেক ব্লগারগণের ভালোবাসা,অনুপ্রেরণা আর আপনাদের উদারতার কাছে আমি ঋণী।  
প্রিয় সোনেলার শুভ জন্মমাসে রইলো সোনেলার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।  
সকল শ্রদ্ধেয় ব্লগারগণের প্রতি রইলো শ্রদ্ধা,ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা।  
অশেষ কৃতজ্ঞতা ও সাধুবাদ জানাই সাবিনা ইয়াসমিন দিদিকে এতো ভালো মানের সৃজনশীলতার প্লাটফর্মে আমাকে আহ্বান করে দু চার লাইন লেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।  
সোনেলা ও আপনাদের ভালোবাসা আর অনুপ্রেরণা কখনো ভুলবো না।  
যতদিন লিখতে পারি সোনেলা লিখে যাব।

ভালো থাকুন,সোনেলায় থাকুন।

বিদ্রঃ লেখায় ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

শুভ জন্মতিথি সোনেলা🌹🌹💜💜

ছবিঃ সহস্তে কারুকাজ।

সোনেলার জন্য উৎসর্গ।
