# মুখোশের আড়ালে মুখোশ (রহস্য গল্প) – পর্ব – ৩

- Author: [আর্বনীল](https://sonelablog.com/author/robi_21123/)
- Published: 2015-03-11T17:45:49+00:00
- Updated: 2015-03-11T17:45:49+00:00
- Category: [গল্প](https://sonelablog.com/category/literacy/story/)
- Tags: আর্বনীল, আর্ব্লীনের গল্প, নীল, মুখোশ, রবি, রহস্য
- URL: https://sonelablog.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%b8%e0%a7%8d-3/

---

(এই গল্পের সমস্থ স্থান কাল চরিত্র এবং ঘটনার বর্ননা সম্পুর্ন কাল্পনিক। এড় সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। গল্পের মুল পেক্ষাপট কিছুটা ভারতীয় চলচিত্র ‘জাতিস্বর’ থেকে অনুপ্রাণিত।)

সকাল ৮টা ১৮ মিনিট।  
রাতে আবীরের খুব ভালো ঘুম হয়েছে। সে এখন বাইরে হাটা হাটি করছে। কিন্তু রোবেনের রাতে একদম ঘুম হয়নি। যে কারণে তার চোখজোড়া লাল হয়ে আছে। রাতে সে আবারও তার বাবার ডায়রীটা নিয়ে বসেছিল। প্রায় অর্ধেকটার মত পড়া শেষ করে ফেলেছে সে। এতটুকু লেখা থেকে মোটামুটি একটা সিদ্ধান্তে আসা যায়। কিন্তু জোর দিয়ে এখনো কিছুই বলা যাবে না। রোবেন সিগারেটের প্যাকেটে হাত রাখতেই তাথৈ এসে ঘরে ঢুকল। ব্রেকফাস্ট দেয়া হচ্ছে। আপনি ফ্রেশ হয়ে নিন। আর শুনুন এত সিগারেট খাওয়া কিন্তু ঠিক না। কাল রাতে আপনি বেশ কটা সিগারেট খেয়ে ফেলেছেন। এখন আর খাবেন না। প্লিজ!  
রোবেন সিগারেটের প্যাকেটটা রেখে দিল। তাথৈ কোন ভাবে গতরাতে সিগারেট খাওয়ার ব্যাপারটা দেখে ফেলেছে। এসব মেয়েরা সাধারণত সিগারেট খাওয়া ছেলেদের খুব একটা পছন্দ করেনা। কিন্তু এখনই উনার চোখে অপছন্দের পাত্র হওয়া ঠিক হবে না। রোবেন বলল, ইয়ে মানে… রাতে ঘুম আসছিলনা তাই একটু…  
তাথৈ মুচকি হাসল। হুম! বুঝেছি। আপনি যান। ফ্রেশ হয়ে আসুন। আমি মোমেনাকে দিয়ে আপনার জন্য ব্রেকফাস্ট পাঠাচ্ছি। রোবেন তোয়ালে নিয়ে বাথরুমে ঢুকল।

তাথৈ নিজেই তাদেরকে নিয়ে পুরনো বাড়িটার মুল ফটকের সামনে এসে দাঁড়াল। আবীর অবাক হয়ে বাড়িটা দেখছে। এত পুরনো একটা বাড়ি। অথচ এখনও কত জীবন্ত। বাইরের দেয়ালে আঁকা কয়েকটা শিল্পকর্ম নজর কাড়ার মত। রোবেন! আমি এখনো বিশ্বাস করতে পারছিনা। এত বড় একটা বাড়ির সামনে আমি দাঁড়িয়ে আছি। রোবেন কিছু বলল না। সে ধীরে ধীরে বাড়ির ভেতরে এগিয়ে যাচ্ছে। তার পিছু পিছু যাচ্ছে তাথৈ। আবীর তাদের সাথে যায়নি। সে তার নিজের মত করে এদিক ওদিক ঘুরে দেখতে লাগল। তাথৈ বলল, জানেন রোবেন! এই বাড়িটাতে ছোট বড় সব মিলিয়ে ৩২টার মত ঘর আছে।  
রোবেন বলল, উহু ৩২টা না। এখানে সব মিলিয়ে ঘর আছে ৩৫টা। এবং সব কটা ঘরেই একটা করে খাট আছে। অন্যান্য আসবাবপত্রের সঠিক হিসেবটা বলা যাচ্ছে না। তবে পুরো বাড়ি জুড়ে জানালা আছে মোট ৭১টা। সামনে পেছনে দরজা আছে ৬৭টা। আর বাড়ির পেছনে আছে একটা দিঘী। দিঘীর শান বাঁধানো ঘাটের পাশে দুইটা কড়ই গাছও থাকার কথা।  
বিস্ময়ে তাথৈ এর চোখ কপালে উঠে গেল। আমি নিজে গুনে দেখেছি ঘর ৩২টা। আর আপনি না গুনেই বলছেন ৩৫টা? তাছাড়া দরজা জানালা গাছ এসবই বা আপনি জানলেন কিভাবে? রোবেন বলল, আপনাকে সব বলব। কিন্তু তার জন্য একটু সময় দরকার। আপনার হাতে সময় আছেতো?  
তা আছে। কিন্তু…  
রোবেন তাথৈকে ‘কিন্তু’তেই থামিয়ে দিল। তারপর তার ব্যাগ থেকে বাবার ডায়রীটা বের করে তাথৈয়ের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল, আপনি আমার বাবার লেখা এই ডায়রীটা পড়ুন। আমি এই ফাঁকে আপনাদের দিঘীটা দেখে আসি। তাথৈ ডায়রীটা হাতে নিতেই রোবেন বলল, ও আচ্ছা একটা কথা জানার ছিল। এই বাড়িটা বিক্রি হবে এমন কোন বিজ্ঞপ্তি কি আপনি কোথাও দিয়েছিলেন? পত্র-পত্রিকা, মিডিয়া বা অন্য কোথাও? যার সুত্র ধরে আমার বাবা আপনার সাথে যোগাযোগ করেছিল?  
তাথৈ বলল, নাহ! এমন কিছু হয়নি। আসলে এই বাড়িটা বিক্রি করব এমন কথা আমি কখনও ভাবিনি। হঠাৎ একদিন আপনার বাবা এসে উপস্থিত! উনি এই বাড়িটা কিনতে চাইলেন। কিন্তু আমি কোন একটা কারনে এটা বিক্রি করতে চাইছিলাম না। আপনার বাবাও নাছড়বান্দা! উনি এটা কিনবেনই। শেষে উনার প্রবল আগ্রহের কাছে আমি মত বদল করলাম। ১২ লাখ টাকায় বাড়িটা বিক্রি করে দিলাম।  
রোবেন মনে মনে বলল, তারমানে আমি যা ভাবছিলাম সেটাই। ওকে তাথৈ! আপনি বরং কোথাও বসে ডায়রীটা পড়ুন। আমি দিঘীর ঘাটে আছি। বাকি কথা ওখানেই হবে।  
তাথৈ ডায়রীটা এপিঠ ওপিঠ উল্টে দেখল। খুব সাদামাটা একটা ডায়রী। কিন্তু উনি হঠাৎ করে এটা কেন পড়তে দিল কে জানে? তাথৈ একটা চেয়ার টানল। অনেক পুরনো দিনের জিনিস! তাই কেমন নড়বরে হয়ে গেছে। তাথৈ সাবধানে চেয়ারটায় বসে ডায়রীটা খুলে পড়তে শুরু করল।

রোবেন দিঘীর এমাথা থেকে ওমাথা পর্যন্ত একবার ভালো করে দেখে নিল। আশে পাশে কোন বাড়ি ঘর নেই। কোন লোকজনও চোখে পড়লনা। সে হাটতে হাটতে দিঘীর ঘাটে গিয়ে বসল। সুন্দর শান বাঁধানো ঘাট। এখান থেকে কয়েক পা এগুলেই সিড়ি নেমে গেছে পানি পর্যন্ত। পানিটা খুব পরিস্কার। দেখলেই হাত ভেজাতে ইচ্ছে করে। রোবেন নীচে নেমে হাত মুখ ধুলো। পানিটা বেশ ঠান্ডা। ঘাটের দুপাশে বিশাল দুইটা কড়ই গাছ থাকায় এখানে রোদ একদমই পরে না। বাবা এই গাছের কথাই ডায়রীতে লিখেছিল। আরো বলেছিল “তুমি চাইলেই গভীর রাতে দিঘীর ঘাটে বসে নিজেকে রহস্য উপন্যাসের নায়ক ভাবতে পার”। বাবা এখন নেই। অথচ……  
তাথৈ ডায়রী পড়া শেষ করে রোবেনের পাশে এসে বসল। ডায়রীটা শেষ করতেই তার মাথার ভেতর একধরেন চিনচিনে ব্যাথা শুরু হয়েছে। যদিও তার মাথা ব্যাথাটা প্রায় সময়ই করে। কিন্তু এখনকার ব্যাথাটা অন্যদিনের মত মনে হচ্ছে না। একটু জানি কেমন কেমন।  
রোবেন জিজ্ঞেস করল, ডায়রীটা পড়ে আপনি কিছু বুঝতে পেরেছেন? তাথৈ মাথা নেড়ে বলল, নাহ! তবে আমি প্রচণ্ড শকড! এটা কি করে সম্ভব? আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা। রোবেন দিঘীর ঘাটে ডান পাশে যে কড়ই গাছটা আছে। সেটার নীচে বার বার তাকাচ্ছে। ওখানে ম্যানুয়েলের ডাকনার মত কিছু একটা দেখা যাচ্ছে। আচ্ছা! বাবা এটা নিয়ে ডায়রীতে কিছু কি লিখে গেছে? রোবেন মনে করার চেষ্টা করল। কিন্তু কিছুতেই মনে করতে পারলনা। মাঝে মাঝে প্রয়োজনীয় ব্যাপারগুলো মেমরী কেন যেন খুঁজে পায় না! শিট!  
তাথৈ বলল, রোবেন! আপনি চুপ করে আছেন কেন? অন্তত কিছু একটা বলুন। এটা কি করে সম্ভব? একটা মানুষ দিনের পর দিন স্বপ্ন দেখে ডায়রী লিখে গেল। আর সেটা কিনা পুরোপুরি বাস্তবের সাথে মিলে যাবে? কিভাবে?  
রোবেন বলল, ধরুন টেলিভিশনে একটা ২০০ পর্বের ধারাবাহিক নাটক বা সিরিয়াল শুরু হয়ে এখনও চলছে। আপনি কোন কারণে ১০০পর্ব পর্যন্ত দেখেন নি। আপনি দেখা শুরু করলেন ১০১পর্ব থেকে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি ১০০পর্ব পর্যন্ত কি হয়েছে সেটা জানতে পারবেন না। আমার ধারনা! বাবার ক্ষেত্রেও ঠিক এই ঘটনাই ঘটেছে।  
তাথৈ বলল, দেখুন আমি এখনো কিছু বুঝতে পারছিনা। আপনি আমাকে একটু সহজ করে খুলে বলবেন?  
হুম! তাহলে আপনাকে সহজ করেই বলি। ব্যাপারটা হল এমন, বাবার আগের জন্মের একটা নির্দিষ্ট সময়ের স্মৃতিগুলো স্বপ্নের মাধ্যমে বর্তমানে ফিরে আসছিল। খেয়াল করবেন ‘নির্দিষ্ট সময়ের’ স্মৃতি। যেমন উনার স্বপ্নটা শুরু হয়েছে একটা রাজপ্রাসাদে। সেখানে উনি বিচার কার্য পরিচালনা করছিলেন। কিন্তু এর আগে কি হয়েছে বা না হয়েছে এসব কিন্তু বাবা মনে করতে পারতোনা। কিন্তু ঠিক এই ঘটনা থেকে এর পরের স্মৃতিগুলো একে একে বাবার মাঝে ফিরে আসছিল। যে কারণে উনি ধারাবাহিকভাবে স্বপ্নটা দেখতে শুরু করেন।  
তাথৈ ঘামতে শুরু করল। মেয়েটা এমনিতেই সুন্দর। তার মাঝে মুখে ঘামের ছোট্ট ছোট্ট বিন্দু জমায় আরো সুন্দর লাগছে। তারমানে এই বাড়িটাই যে সেই রাজপ্রাসাদ ছিল। এতে কোন সন্দেহ নেই আপনার?  
অবশ্যই না। আপনি ইতিহাস ঘেটে দেখুন। হয়তো আরো কিছু জানতে পারবেন। তাথৈ বলল, সে নাহয় দেখলাম। আচ্ছা! আপনার বাবার এই ব্যাপারটা নিয়ে কোন specialist এর সাথে কথা বলেন নি?  
রোবেন পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেট বের করল। ভেতরে একটাই মাত্র সিগারেট আছে। এটা জ্বালাতে যাবে ঠিক সেই মুহুর্তে তার মনে হল, তাথৈ সিগারেট পছন্দ করে না। ওর সামনে সিগারেট জ্বালানোটা ঠিক হবে কিনা সে বুঝতে পারছেনা। সে কয়েক সেকেন্ড কি যেন ভাবল। তারপর সিগারেটটা ছুড়ে ফেলে দিল।  
তাথৈ বলল, সিগারেট ফেলে দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ! এখন বলুন আপনি কারো সাথে এই ব্যাপারটা নিয়ে কথা বলছিলেন?  
আহ… আসলে বাবার ব্যাপারটা নিয়ে কারো সাথে যে কথা বলিনি তা না। আমি একজন Psychologist এর সাথে কথা বলেছিলাম। উনি যা বললেন তা হচ্ছে, ‘Hippocampalgyrus’ বা ‘Memory centre’ মানুষের মস্তিস্কের এমন একটা অংশ বা এলাকা। যেখানে মানুষের নতুন এবং পুরাতন সব স্মৃতি জমা হয়ে থাকে। এই ‘Hippocampalgyrus’ অনেক সময় অনেক ভাবেই জেগে বা নড়ে উঠতে পারে। যেমন – কাসর ঘন্টার ধ্বনি, ‘ওম’ শব্দের উচ্চারন সহ আরো অনেক ভাবেই হতে পারে। এবং এটা যখন হয় তখন ‘Brainwave’ এ 3.5 Hz প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করে। যার ফলে মানুষের পুরাতন স্মৃতি। এমনকি অতীত জীবনের স্মৃতিও ফিরে আসতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, কারো এই সমস্যাটা যদি এভাবে দিন দিন বাড়তেই থাকে। তবে পুরনো স্মৃতি যেগুলো ফিরে আসছে। সেগুলো স্থায়ী হয়ে বর্তমান স্মৃতিগুলো ধীরে ধীরে মুছে যেতে পারে। আবার এমনও হতে পারে, অতীত এবং বর্তমান দুইটা স্মৃতি-ই একসাথে থেকে গেল। এক্ষেত্রে তখন ব্রেইনে প্রচণ্ড রকমের চাপ পরবে। এমনকি এর ফলে ব্রেইনস্টোক করে মানুষ মারাও যেতে পারে।  
রোবেন একটু থেমে বলল, এবং তাই হয়েছে। এখান থেকে যাওয়ার পর বাবা ব্রেইনস্টোক করেই মারা যান। যাওয়ার আগে আমাকে বলে গেছে অন্তত একবারের জন্য হলেও আমি যেন এখানে আসি। বাবা হয়তো চেয়েছিল আমি উনার সমস্যাটা কোথায় সেটা খুঁজে বের করি। বলতে পারেন এজন্যই আমার এখানে আসা। এবং আমি বোধহয় এই সমস্যাটা সমাধান করতে পেরেছি। কিন্তু এখানে আসার পর বাবার সাথে সম্ভবত কিছু একটা ঘটেছিল। যা বাবা চিঠিতে আমাকে বলতে গিয়েও বলেনি। এখন এই রহস্যটাই আমাকে সমাধান করতে হবে। আচ্ছ মিস তাথৈ! আপনি তখন বলছিলেন কোন কারণে বাড়িটা বিক্রি করতে চাচ্ছিলেন না। কারণটা কি আমি কি জানতে পারি? আসলে জানাটা আমার খুব দরকার। আপনি কিছু লুকুবেন না। প্লিজ।  
তাথৈ একমুহুর্ত কি যেন ভাবল। তারপর বলতে শুরু করল – আসলে এই বাড়িটা প্রায় ১৯ বছর ধরে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পরে আছে। আমার দাদাজান মারা যাওয়ার পর থেকেই এই বাড়িতে নানারকম অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটত। অস্বাভাবিক ঘটনা মানে Exactly কি এমন হত তা আমি বলতে পারছিনা। কেননা তখন আমি অনেক ছোট ছিলাম। বাড়ির মানুষজন নানারকম সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। তারপর একসময় বাবা ঠিক করলেন এই বাড়িতে থাকা আর সম্ভব না। আমরা চলে গেলাম অন্য একটা বাড়িতে। তখন থেকে এই বাড়িটা পুরোপুরি ফাঁকা। এরপর গ্রামের কিছু লোকজন কৌতূহলবশত বাড়ির ভেতর যেত। তখন নাকি অনেকেই কোন না কোন রকম অস্বাভাবিক ঘটনার মুখোমুখি হয়েছে। এ থেকেই লোকমুখে বাড়িটা অভিশপ্ত। এজন্যই দেখুন না! এই বাড়ির আশে পাশে আর কোন বাড়িঘর নেই। যাদের ছিল তারাও ভয়ে চলে গেছে। এজন্যই আমি বাড়িটা বিক্রি করতে চাইছিলাম না।  
রোবেন বলল, অস্বাভাবিক ঘটনা মানে কি ভৌতিক কিছু? আপনি এসবে বিশ্বাস করেন? তাথৈ বলল, যদিও এসব কারনেই বাবা বাড়িটা ছেড়ে দিয়েছিল। তবে আমার সাথে কখনও এমন কিছু ঘটেনি। তাই আমার বিশ্বাস করারও কোন অবকাশ থাকে না। তবে গ্রামের লোকমুখে যেহেতু শুনতে হচ্ছে। তখন বিশ্বাস না করলেও মানতে তো হবে। তাই না?  
আচ্ছা এসব ঠিক কি কারণে হচ্ছে। আপনারা কখনও জানার চেষ্টা করেন নি? তাথৈ বলল, কে চেষ্টা করবে বলুন? মানুষ হয়ে কি আর ভুত-প্রেতের সাথে লড়াই করা যায়? তাও আবার সাধারণ মানুষ হয়ে! আসলে এই গ্রামে এত সাহসী মানুষ একজনও নেই। যাইহোক, আপনি যদি এই ব্যাপারে কিছু করতে চান। আমি আপনাকে আমার সাধ্য মত সাহায্য করব। এখন আমি যাই। আমাদের অনেক পুরনো একজন লোক আছে। বশির চাচা। উনাকে পাঠিয়ে দেব। আপনাদের দেখাশুনা করবে। আর হ্যা! আপনারা অবশ্যই সাবধানে থাকবেন। কেমন? আসছি।

চলবে…

২য় পর্ব – http://sonelablog.com/archives/29830

আমার পরিক্ষা চলছে…… পরিক্ষা শেষে সবার মন্তব্য পড়ে উত্তর দেব……  
সবাই দোউয়া করবেন…… যাতে এই সেমিষ্টারে কোন সাব্জেক্টে আর ডিম না পারি… :p

---

Comments: 5 — https://sonelablog.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b6-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%b8%e0%a7%8d-3/#comments
