# মুক্ত কথন(প্রথম পর্ব)

Author: মাসুদ চয়ন
Published: 2019-09-11
Category: একান্ত অনুভূতি
URL: https://sonelablog.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac/

(১)আদর্শ কে হাতিয়ার করে সমাজে প্রতিষ্ঠা পাওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজের একটি।কারন,এই সমাজের অধিপতিরা আদর্শহীন কুলাঙ্গার’  
যে মানুষেরা চরিত্রহীন আদর্শহীন লম্পটদেরকে বাহ বাহ দিয়ে ক্ষমতার আসনে বসিয়ে দিচ্ছেন-সেই মানুষগুলি এই সমাজের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে সর্বক্ষেত্রে।কারন,তারা আপোষ করে চলতে জানে।  
যখন দেখছে সেই কলঙ্ক নিজের মা বোনের বা পরিবারের উপর এসে পরছে।  
তখন আদর্শের কাছে গিয়ে মাথা ঠুকে মুক্তির মিনতি করছে।হে প্রভু আমার আদর্শ ফিরিয়ে দাও,এই পাশবিক কলঙ্ক হতে মুক্ত কোরো-  
আদর্শ নিরুপায় অসহায় হয়ে অভিমানে দূরে চলে যাচ্ছে।  
খুব দ্রুতই আমাদের মানবিক সভ্যতা অন্ধকারে ডুবে যাবে।যে গুটিকয়ের আদর্শ টিকে আছে তারাও নিশ্চিন্নের পথে।তাই আজ স্বাধীন বাঙালী হয়েও গর্বে গৌরবান্বিত হতে পারিনা।কারণ,সব কিছু নষ্ট দালালদের অধিকারে সাব্যস্ত হয়ে গেছে-মানুষ নীরবতায় চেপে যাচ্ছে বাক স্বাধীনতা হারানোর কষ্ট।গনতন্ত্র মরে গেছে স্বচ্ছতার স্বাধীনতা জ্বলে গেছে\_আমরা নামমাত্র স্বাধীন জাতি। আমাদের জাতীয় পতাকা নাট্যাভিনয়ের প্রতীকী স্মারক বহন করে যায় তবে কি?  
(২)  
একেবারে উৎকৃষ্ট এবং একেবারে নিকৃষ্ট যারা,তারা স্পষ্টবাদী দুঃসাহসী-  
তারা সবসময় মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায়’  
যাদের মধ্যে দুটোরই সংমিশ্রণ তারা স্বার্থবাদী,কারনে অকারণে রুপ ও রঙ বদলায়’লজিক্যালি সুবিধাবাদী।  
আমাদের সমাজ এখন তৃতীয় শ্রেণীর মানুষদের দখলে-  
উৎকৃষ্টরা আলোর পক্ষের মশাল হয়ে জ্বলতে চায়’  
নিকৃষ্টরা অন্ধকারের জন্য নিবেদিত হয়’  
আর তৃতীয় পক্ষ আলো অন্ধকার উভয়ের চলার পথকে অবরুদ্ধ করে দেয়/  
তখন আর আলো অন্ধকারকে পৃথক করা যায়না’এই পক্ষ খুবই বিপদজনক/  
(৩)  
সভ্যতা যতই প্রগতিশীলতার দিকে ধাবিত হচ্ছে,মানুষ ততো বেশি আত্নকেন্দ্রিক হয়ে ওঠার প্রয়াস চালাচ্ছে।  
মানুষের আবেগ ও মনুষ্যত্ব কমে যাচ্ছে।  
প্রগতিশীলতা অবশ্যই সভ্যতার জন্য ভালো ফল নিয়ে আসছে-  
তবে তার কলকাঠি মানবিক মানুষের তত্ত্বাবধানে নেই-  
সবকিছু নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে উচ্চ শ্রেনীর পুঁজিবাদী স্বার্থান্বেষী মহল কতৃক ।  
এজন্য পৃথিবী ধন সম্পদে পরিপূর্ণ হয়ে উঠলেও বেশিরভাগ মানুষ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ।  
৯৮ ভাগ মানুষকে অবাঞ্চিত প্রতিপন্ন করে মাত্র ২ ভাগ মানুষের কল্যান সাধনে নিমগ্ন আধুনিক প্রগতিশীলতা..  
আশ্চর্য হচ্ছেন তাইতো!  
সামনে আরও ভয়ংকর অন্ধকার।  
যখন রোবোট দিয়ে শ্রমিকের কাজ সম্পাদন করা হবে,তখন নিম্ন আয়ের মানুষেরা অনাহারে মারা যাবে/
