# মালয়েশিয়াতে কয়েকদিন ৫ (বাতু কেভস)

Author: নীহারিকা
Published: 2017-05-26
Category: ভ্রমণ
Tags: মালয়েশিয়া ভ্রমণ কাহিনী
URL: https://sonelablog.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a7%ab/

রাত দেড়টার দিকে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায়। জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে আর আমি ঠকঠক করে কাঁপছি। সেন্ট্রাল এসি চলছে বিধায় রেগুলেটর কমিয়ে দিয়েও কম্বলে কাজ হচ্ছে না। দাঁতে দাঁত বাড়ি খাচ্ছে। কর্তাকে ডেকে তুলতেই সে আমার অবস্থা দেখে ভয় পেয়ে গেলো। সাথে প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ আছে, কিন্ত খালি পেটে কিভাবে খাই। শেষে বাধ্য হয়েই খালি পেটে খেয়ে কম্বল মুড়ি দিয়ে বসে রইলাম। ঘন্টাখানেক পর জ্বর কিছুটা কমে এলে শুয়ে পড়লাম। ভাবছিলাম, সকালে কি বাইরে যেতে পারবো? কর্তার জন্য মায়া হচ্ছিলো। আমি অসুস্থ্য হলে বেচারার বেড়ানোটা টেনশনময় হবে। এসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুম ভাংলো সকাল ৮.৩০ এর দিকে। বিছানা থেকে নামতে গিয়ে বুঝলাম কিছুটা দুর্বল কিন্ত জ্বর নেই। মনে মনে খুশি হলাম। ফ্রেস হয়ে এসে কর্তাকে বললাম ফ্রেস হয়ে নিতে। ফ্রেস হয়ে দুজনে গেলাম হোটেল ডাইনিং এ। আজ আমরা একটু দেরিই করে ফেলেছি। দেখলাম ডাইনিং হল ফুল। ট্রে থেকে পাউরুটি, জেলি, মাখন আর সেদ্ধ ডিম নিলাম আজ। সাথে জুস। খেতে খেতে দেখতে লাগলাম অনেক অপরিচিত মুখ। কিছু পরিচিত মুখও দেখলাম যাদের গতকাল দেখেছিলাম। সবাই খাচ্ছে, গল্প করছে। আমার ভালো লাগছিলো না। মুখের স্বাদ চলে যাওয়ায় পাউরুটি খেতেও খুব কষ্ট হচ্ছিলো। খুব কষ্ট করে খেয়ে উঠে পড়লাম। বাইরের দিকে চোখ পড়তেই দেখলাম লাইন দিয়ে ট্যুরিস্ট কার, মাইক্রোবাস, ট্যাক্সি অপেক্ষা করছে যাত্রীদের জন্য। লোকজন গাড়িতে উঠছেন, চলে যাচ্ছেন। ঘড়িতে দেখি ৯.৩০ বাজে। তাড়াতাড়ি রুমে গিয়ে তৈরি হতে হবে বাতু কেভ দেখবার জন্য। কর্তা জিজ্ঞেস করলো যেতে পারবো কি না, নাকি প্ল্যান চেঞ্জ করবে? সাহস নিয়েই বললাম যেতে পারবো ইনশাআল্লাহ। তৈরি হতে হতেই ফোন এলো ড্রাইভারের, চলে এসেছেন। রওনা হলাম বাতু কেভের উদ্দেশ্যে। যেতে যেতে কথা হচ্ছিলো ড্রাইভারের সাথে যে সে আজ সারাদিন আমাদের শহরের অন্যতম স্পটগুলো ঘুরিয়ে দেখাবে। আমাদের পছন্দের কোন স্পট থাকলে বলতে, উনি সেখানে নিয়ে যাবেন। বললাম KL Tower এ যাওয়া যাবে? সে বললো অবশ্যই যাওয়া যাবে তবে আগে এর টিকিট কেটে নিতে হবে। নাহলে প্রচুর ভিড় হয় মাঝে মাঝে। এছাড়া বাকি স্পটগুলো তাকেই সেট করতে বললাম যেগুলো শহরের কাছেই। অসুস্থ অবস্থায় দুরে যাবার সাহস পাচ্ছি না। কিছুক্ষণের মধ্যেই উনি আমাদের এক অফিসে নিয়ে এলেন, যেখান থেকে KL Tower সহ আরও কিছু স্পটের অগ্রিম টিকিট কাটা যায়। কয়েকটি স্পটের রঙিন লিফলেট দেয়া হলো আমাদের সিদ্ধান্ত নেবার জন্য। আমি বার্ড পার্কের টিকিট খুঁজছিলাম। সেখান থেকে বলা হলো এর টিকিট পার্কেই কেনা যাবে কিন্ত কর্তার খুব একটা আগ্রহ দেখলাম না। স্পট পছন্দ হয়তো টিকিটের দাম সেই উঁচু, নাহলে পছন্দই হয় না। এদিকে KL Tower এর টিকিটের দাম ৫২ রিঙ্গিত করে। শুনেই মেজাজ খারাপ। লিফটে উপরে উঠিয়ে একটু দেখাবে তাতে এত দাম নিতে হবে কেন? আবার আরেক তলা উপরে গিয়েই আলাদা কাঁচের স্পেসে যাওয়া, টাওয়ার থেকে একটু বের করা জায়গায় কাঁচের ফ্লোর, এর টিকিটের মুল্য প্রায় ডাবল। শুনে বললাম কোনো ইচ্ছে নেই আমার সেখানে ছবি তোলার, যেখানে আমার ক্যামেরাম্যানের এই অবস্থা। তো আমরা কাঁচের স্পেস বাদেই টিকিট করলাম। আরো দুটি স্পট পছন্দ হলো। একটির নাম i-City. এটি একটি এমিউজমেন্ট পার্ক। ১৪৮ রিঙ্গিত করে ১ জনের টিকিটের দাম। পার্কের ৭ টি এরিয়া দেখা যাবে এই দামে। আবার ড্রাইভার শুধু i-City যেতে আসতেই নেবে ১৫০ রিঙ্গিত। শুনে তো ফিট হবার অবস্থা। বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৩ হাজারের কাছাকাছি! দুজন মিলে এক স্পটেই সব মিলে প্রায় ১২ হাজার টাকা চলে যাবে? সব স্পটের টিকিটের দাম এত বেশি যে, ভাবছি, বাকি দিনগুলোর খাওয়া আর এয়ারপোর্টে ফেরার টাকা থাকবে তো? যাহোক, কর্তার আগ্রহে সেই টিকিটও কেনা হলো। এবার রওনা হলাম বাতু কেভের উদ্দেশ্যে। পথ ঘাট দেখতে দেখতে পৌছেও গেলাম। ওখানে ঢুকেই দুর থেকে দেখতে পাচ্ছিলাম বিরাট বিরাট চুনাপাথরের পাহাড় বেষ্টিত সেই বিশাল Lord Murugan বা কার্তিক ঠাকুরের মুর্তি, আর পেছনে পাহাড় বেয়ে উঠে গেছে ইয়া লম্বা সিঁড়ি।

![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/05/IMG_7534-225x300.jpg)

অসম্ভব সুন্দর। গাড়ি থেকে নামতেই ড্রাইভার/গাইড এ স্পট সম্পর্কে ব্রিফ করলেন আমাদের। তিনি জানালেন, এই লর্ড মুরুগান বা কার্তিক ঠাকুরের মুর্তিটি লম্বার দিক দিয়ে বিশ্বের ২য বৃহত্তম মুর্তি। এর উচ্চতা ৪২.৭ মিটার বা ১৪০ ফুট। এর বাইরের অংশ রঙ করতে ৩০০ লিটার গোল্ড পেইন ব্যবহৃত হয়। এটি তৈরি করতে সময় লেগেছিলো ৩ বছর এবং ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসে এটি উদ্বোধন করা হয়। কিন্ত কি অবাক ব্যাপার, এত বছর পরও দেখে মনে হয় একদম নতুন, চকচকে।

![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/05/IMG_7535-225x300.jpg)

সবশেষে ড্রাইভার/গাইড আমাদের সাইডব্যাগ দেখিয়ে বানর হতে সাবধান থাকতে বললেন। বললেন, বানর যদি একবার ব্যাগ নিয়ে যেতে পারে তবে আর পাবার আশা নেই। আমরা ব্যাগ ঠিকঠাক করে সামনের উঠোনের মত জায়গাটা ঘুরে দেখতে লাগলাম। একপাশে খেয়াল করলাম মন্দির এবং আরো কিছু মুর্তি সাজানো। সেগুলো দেখে এগিয়ে গেলাম সেই বিখ্যাত সিঁড়ির দিকে যা কিনা মাটি থেকে একদম পাহাড়ের উপরে গুহামুখ পর্যন্ত উঠে গেছে। সিঁড়ির গোড়ায় গিয়েতো আমি বাকরুদ্ধ। ২৭২ খানা সিঁড়ি বেয়ে এই অসুস্থ শরীরে আমি উঠবো কিভাবে? ইচ্ছে হচ্ছে কিন্ত ঠিক সাহস হচ্ছে না। একবার মাথা ঘুরে বা পা পিছলে পড়ে গেলে একদম গড়িয়ে নিচে পড়ে যাওয়া ছাড়া থামার কোনো উপায় থাকবে না। আর থামলেও বাঁচবো কি না সন্দেহ। কর্তা বললো উঠে কাজ নেই। অসম্ভব। সেও উঠবে না। ![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/05/IMG_7526-225x300.jpg)কিন্ত আমিতো উঠবই। কিছুক্ষণ সিঁড়ির দিকে চেয়ে থাকলাম। দেখলাম বিভিন্ন বয়সের অনেক লোকজন উঠছে-নামছে। সাহস সঞ্চয় করে কর্তাকে বললাম, আমি যাবো। সে নিচে অপেক্ষা করতে চাইলে করতে পারে। ভাবছিলাম এত কাছে এসে গুহার ভেতরটা না দেখে ফিরে গেলে পরে আফসোস হবে। বিসমিল্লাহ বলে উঠতে শুরু করলাম। আশেপাশে অনেক বানর ঘুরাফিরা করছে। ব্যাগ সামলে উঠা শুরু করলাম। কিছুদুর উঠে বুঝতে পারলাম এ খুব সহজ কাজ নয়। সিঁড়িগুলো পাকা করা কিন্ত বেশ খাড়া। রেলিং দিয়ে সিঁড়িকে ৩ ভাগে ভাগ করেছে। আমি সেই রেলিং ধরে আস্তে আস্তে উঠতে থাকলাম। ৩২/৩৩ টা সিঁড়ি উঠতেই দম শেষ। আমার পেছনেও অনেকে উঠছে। তাকিয়ে দেখি কর্তাও উঠছে। আমি আবার উঠা শুরু করলাম। আরো ২০টার মত সিঁড়ি উঠে রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে গেলাম। পেছনে তাকাতেই এক সাদা মহিলা আমাকে দেখে হেসে ফেললো। তারও একই অবস্থা। এরপর পেছনে যাকেই দেখি সবার মুখেই সেই হাসি। যেন এর অর্থ, “আর কতদুর?” আবার উঠতে শুরু করলাম। হাঁপাচ্ছি আর ঘেমে অস্থির। তবুও উঠছি আর সিঁড়ির গায়ে লেখা নম্বর। দেখছি। অবশেষে প্রায় ২০ মিনিটের চেষ্টায় গুহামুখে উঠতে সফল হলাম। উঠে তো আমি আর নাই। পারলে মেঝেতেই বসে পড়ি। মাথা ঘুড়ছে, চোখে অন্ধকার দেখছি আর গলা শুকিয়ে কাঠ। এদিকে পেছনে কর্তা উঠে এসেছে। তার অবস্থাও খারাপ। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ভেতরে তাকালাম।

![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/05/IMG_6806-240x320-225x300.jpg)

কি বিশাল গুহামুখ। ঢুকেই ভেতরে বাঁ’দিকে সুন্দর এক মন্দির। অনেকে যাচ্ছে, প্রার্থনা করছে। আর ডানে, বায়ে, উপর, নিচে বানর আর বানর। কখন যে লাফ দিয়ে কোথায় যাচ্ছে সে এক দেখার মত অবস্থা। কিছু এদিক ওদিক বসে আছে, হাটছে। আমরা ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম। কিছু কবুতরও দেখলাম। মানুষ খাবার দিচ্ছে খাচ্ছে। প্রথম গুহায় ঢুকেই অবাক হলাম। এত বড়ও গুহা হয়! এর ভেতরে আবার দেখি সিঁড়ি দিয়ে উপরে আরেক গুহায় যাবার ব্যবস্থা।

![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/05/IMG_7540-225x300.jpg)

আরও অনেকগুলো সিঁড়ি। উঠে দেখি দারুন ব্যাপার। মাথার উপর পুরো আকাশ দেখা যাচ্ছে। অসাধারণ। এই গুহাটাও বিশাল। এর ভেতরেও একপাশে সুন্দর ছোট্ট একটি মন্দির। গুহার ছাদ থেকে ছোট ছোট গাছ ঝুলছে। কি যে অদ্ভুত! আমরা যে যার মত ঘুরে গুহামুখে এসে দাঁড়ালাম।

![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/05/IMG_7544-300x225.jpg)

ফিরে পেছনে তাকিয়ে দেখি কি অদ্ভুত দৃশ্য। পাহাড়ের মাঝ দিয়ে লর্ড মুরুগান আর শহর দেখা যাচ্ছে। মুগ্ধ হয়ে কিছুক্ষণ সেই দৃশ্য উপভোগ করে নামতে শুরু করলাম। সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে দেখি ডানে আরেকটি গুহা। আমি এদিকে পানি পিপাসায় অস্থির। সঙ্গে পানি নেই। তবুও ঢুকলাম ভেতরে। গিয়ে দেখি এখান থেকে অন্ধকার গুহার ভেতরে টানেলের মত।

![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/05/IMG_7539-225x300.jpg)বাদুর উড়াউড়ি করছে। সেখানে টিকিট কেটে ঢুকার ব্যবস্থা। আমি ঢুকতে চাইলে কর্তা বললো আর ঢুকে কাজ নেই। ভেতরে বাদুর এবং গুমোট অবস্থায় অসুস্থ হয়ে যেতে পারি। আমি আর কথা না বাড়িয়ে বের হয়ে এলাম। বের হতেই দেখি গুহামুখে একটি বানর ভীষণ সুন্দর এক বাচ্চা কোলে নিয়ে বসে আছে। চট করে ছবি তুলে ফেললাম।

![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/05/IMG_6844-240x320-225x300.jpg)

নিচে নামতে নামতে দেখলাম কিছু দোকান সাজানো। বিভিন্ন ধরণের শোপিস আছে সেখানে। কর্তা বলল কিছু কিনতে চাইলে কিনে নাও। আমিও মনের আনন্দে একটি শোপিস কিনে নিলাম। আস্তে আস্তে নিচে নামছি। ক্লান্তিতে শরীর কাঁপছে। তাছাড়া সিঁড়িগুলো অনেক খাড়া। খুব সাবধানে দেখে দেখে না নামলেই পা পিছলে পড়ে যেতে পারি। শক্ত করে রেলিং ধরে আস্তে আস্তে নেমে এলাম। আমি নামার আগেই কর্তা আমাকে ফেলে নেমে গেলো। কি আজব লোক রে বাবা। নেমে এসে দেখি বিশাল কবুতরের ঝাক। ছবি তুলে ফেললাম।

![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/05/IMG_6851-320x240-300x225.jpg)

কিন্ত কর্তা কোথায়? তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি পাশের দোকান থেকে সফট ড্রিনক্স কিনে খেতে খেতে গাড়ির দিকে এগোতে থাকলাম। ভাবলাম সে হয়তো গাড়িতে আছে। কিন্ত গাড়িতে গিয়ে দেখি সেখানেও সে নেই। আমার কাছে মালয়েশিয়ান সিম না থাকায় ড্ররাইভারকে বললাম ফোন দিতে। কিন্ত ভদ্রলোক ফোন ধরে না। ভাবছি, সে কি আমাকে রেখে পালিয়ে গেলো? আচ্ছা যাক, গাড়ি যখন সাথে আছে হোটেলে অন্তত ফিরতে পারবো। এই ভাবতে ভাবতেই দেখি উনি আসছেন। কোথায় গিয়েছিলো জিজ্ঞেস করাতে বললো, পিপাসা পেয়েছিলো তাই ডাব, জুস খেয়ে আসলো।  আমার জন্য কেনো কিছু আনলো না এই বিষয়ে ঝগড়া করতে করতে রওনা হলাম শহরের দিকে, অন্য একটি স্পটের উদ্দেশ্যে।

চলবে…..

আগের পর্বগুলো পড়ুন:

**মালয়েশিয়া ভ্রমণ কাহিনী ৪/** [মালয়েশিয়াতে কয়েকদিন ৪](/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a7%aa/)

**মালয়েশিয়া ভ্রমণ কাহিনী ৩/** [মালয়েশিয়াতে কয়েকদিন ৩](/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a7%a9/)

**মালয়েশিয়া ভ্রমণ কাহিনী ২/** [মালয়েশিয়াতে কয়েকদিন ২](/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%95%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a7%a8/)

**মালয়েশিয়া ভ্রমণ কাহিনী ১/** [মালয়েশিয়াতে কয়েকদিন -১](/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a7%a7/)
