# মালয়েশিয়াতে কয়েকদিন ১০ (শেষ পর্ব)

Author: নীহারিকা
Published: 2017-06-27
Category: ভ্রমণ
URL: https://sonelablog.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%b6/

আজ মালয়েশিয়াতে আমাদের শেষ দিন। দুপুর ১২টায় আমাদের হোটেল চেক আউট। একটু দেরি করেই সকাল ৮.৩০ এর দিকে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে ব্রেকফাস্ট করতে চলে গেলাম। ব্রেকফাস্ট করে রূমে এসে ব্যাগ গুছাতে লেগে গেলাম। এদিকে দেখি কর্তা এ ক’দিন ধরে যা যা কিনলাম তার রিসিটগুলো এই ব্যাগ, সেই ব্যাগ, মানিব্যাগ, পকেটের চিপা-চাপা থেকে বের করে গোছাচ্ছে। এতক্ষণে মনে পড়লো, কাল রাতে ড্রাইভার ভাই বলে দিয়েছিলেন যে আমরা যা যা শপিং করেছি তার সব রিসিট গুছিয়ে এয়ারপোর্টে GST Refund (Goods & Service Tax) বুথে যোগাযোগ করলে জিনিসপত্র কেনার সময় রেখে দেয়া ট্যাক্স ট্যুরিস্টদের ফেরত দিয়ে দেয় সরকার। আমরা শুনে বিরাট খুশি। কি সিস্টেম!!! যাহোক দুজন মিলে রিসিট গোছাতে গোছাতে দেখি সবথেকে দামী জিনিসের রিসিটটাই পাওয়া যাচ্ছে না। তা হলো কর্তার আংটি আর আমার চেন-লকেট এর রিসিট। মন খারাপ করে সব গোছগাছ শেষে তৈরি হয়ে নিলাম। আজকের প্ল্যান হলো বিকেল ৪ টায় রওনা হবো পুত্রাজায়ার উদ্দেশ্যে। পুত্রাজায়া ঘুরে সেখান থেকে সরাসরি যাবো এয়ারপোর্ট। কিন্ত ৪টার আগ পর্যন্ত কি করা যায়। দুপুর ১২টার দিকে চেক আউট করে লাগেজ সব হোটেলেই জমা দিয়ে রাখলাম। ওরাও বেশ হাসিমুখে টোকেন দিয়ে লাগেজ জমা রেখে বললো এখন শহর ঘুরে ফিরে লাঞ্চ করে বিকেলে এসব নিয়ে যেও, অসুবিধা নেই। কিছুক্ষণ লবিতে বসে থেকে ভাবছি এত সময় কি করবো। এদিকে আমার কর্তার যে বন্ধু আমাদের সংগে গিয়েছেন, উনার এক পরিচিত চাচা যে কিনা মালয়েশিয়ায় কাজ করেন উনি সকাল থেকে ফোন করছেন উনার বাসায় যাবার জন্য। কিন্ত আমরা ঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না কি করবো। সেখানে গেলেও ৪টার আগে আবার এসে পড়তে হবে। ওরা কথা আমি ওদের বললাম হোটেলের সামনেই এক বাঙালী স্যুভেনীর এর দোকান থেকে ঘুরে আসি। দোকানে গিয়ে দেখি এক ২৫-২৭ বছরের এক ছেলে দোকান চালাচ্ছে। কথা প্রসংগে বললো বাড়ি বরিশাল। আরো অনেক কথা শেষে টুকটাক জিনিসপত্র কিনে এসে দেখি সেই আংকেলকে দেখতে যাবে ফাইনাল করেছে। এবার আমরাতো রাস্তা চিনি না। ট্যাক্সি কিভাবে ঠিক করবো ঠিকানা ক্লিয়ার না। তখন সেই সেলসম্যান ছেলেটি ঠিকানা বুঝে আমাদের এক ট্যাক্সি ঠিক করে দিলে আমরা রওনা হলাম। প্রায় ৩০ মিনিট পর পৌছলাম এক এলাকায়। ![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/06/IMG_7180_resize_20170627_133710-569x427-300x225.jpg)আমি ঠিক জায়গাটার নাম মনে করতে পারছি না। শহরতলী বলা যায়। আবাসিক এলাকা একদিকে আরেকদিকে দোকানপাঠ, হোটেল ইত্যাদি। শুনলাম এখানে নাকি প্রচুর বাংলাদেশি থাকে। তবে প্রায় সবগুলো এপার্টমেন্টই পুরোনো পুরোনো। আমরা পৌছে দেখি আংকেল রাস্তায় অপেক্ষা করছেন। কুশলাদি বিনিময়ের পরেই বললেন চলো সবাই দুপুরের খাবার খেয়ে আসি পরে কথা হবে। আমি কিছুটা অবাক হলাম যে কেন বাইরে খেতে বলছেন। ![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/06/IMG_7196-3024x2268-756x567-567x425-425x319-300x225.jpg)পরে জানলাম উনার পরিবার দেশে থাকে তাই। আমরা অনেক মানা করা সত্বেও জোর করে খাবার হোটেলে নিয়ে গেলেন। তারপর যে কি অবস্থা! উনি মনে হচ্ছে দেশি লোক পেয়ে পাগল হয়ে খাবারের অর্ডার দিতে লাগলেন। হাজার মানা করা সত্বেও গরু, সবজি, ডাল, ইলিশ মাছ, দই এসব দিয়ে খাওয়ালেন। তারপর নিয়ে গেলেন তার বাসায়। বাসা না বলে মেস বলাই ভালো। বাংলাদেশি কয়েকজন ছেলে মিলে সেই ফ্ল্যাটে থাকেন। বাসায় এনে আবার জুস, আম দিলেন খেতে। উনি বার বার আফসোস করছিলেন যে আমরা কেন সকালে উনাকে কনফার্ম করিনি, করলে উনি নিজে রান্না করে খাওয়াতেন আমাদের। আমরা আসলে উনার আতিথেয়তার চোটে খুব লজ্জা পাচ্ছিলাম আবার দেশি লোক পাওয়ায় উনার যে উচ্ছ্বাস সেটাও উপভোগ করছিলাম। যাহোক বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে উনিই আবার ট্যাক্সি ঠিক করে দিলে ২.৪৫ নাগাদ আমরা উনার থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে এলাম। এত খাওয়া খাইয়েছেন আংকেল যে ৩.৩০ নাগাদ হোটেলে পৌছে কারো আর নড়াচড়ার উপায় নেই। উপরন্ত উনি আরেকটি বড় জুসের বোতল, পানির বোতলও দিয়ে দিতে চাচ্ছিলেন আমাদের। আমরা কোন রকমে মাফ চেয়ে ওগুলো রেখে এসেছি। যাক, হোটেলে এসে এখন লবীতে বসে থাকা ছাড়া উপায় নেই। বার বার মনে হচ্ছিলো একটা বিছানা পেলে ভাতঘুমটা বেশ হতো। পুত্রাজায়া যাবার গাড়ি আসার কথা ৪ টায়। আমরা এই ফাকে কর্তার সিমের অবশিষ্ট কিছু টাকা দিয়ে দেশে কথা বলে, মোবাইল গুতিয়ে সময় কাটাতে লাগলাম। সময় আর কাটে না। এভাবে ৪.১৫ পর্যন্ত অপেক্ষার পরও গাড়ি না আসাতে জানা গেলো রাস্তায় নাকি সেদিন অনেক জ্যাম তাই দেরি হচ্ছে। ৪.৩০ নাগাদ গাড়ি চলে এলে আমরা আমাদের ব্যাগপত্র নিয়ে একেবারে রওনা হয়ে গেলাম পুত্রাজায়ার উদ্দেশ্যে। ![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/06/IMG_7217_resize_20170627_133711-569x427-300x225.jpg)হোটেল থেকে বের হয়ে শহর ছাড়িয়ে যখন ছুটছিলো গাড়ি কি যে অপরূপ সেই প্রাকৃতিক দৃশ্য। সামনে দুরে পাহাড়, ডানে, বায়ে পাহাড় আর মাঝে মাঝে উঁচু উঁচু বিল্ডিং। মনে হচ্ছিলো কোথায় যে চলে যাচ্ছি। যাবার পথে ড্রাইভার/গাইড অনেক কিছু ব্রিফ করছিলো আমাদের। আমরা শুনছিলাম। প্রায় ঘন্টাখানেক পর আমরা দেখলাম নদীর উপরে সুন্দর সাদা এক ব্রিজ। বলা হলো এই ব্রিজটাকেই নাকি পুত্রাজায়ার গেট বলা হয়। ![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/06/IMG_7248-2268x3024-567x756-425x567-225x300.jpg)সেখানে নেমে তাকালাম পুত্রা মসজিদের দিকে। কি অপরূপ দৃশ্য। যেন মনে হচ্ছে সবুজে মসজিদটি পানির উপর ভাসছে। ![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/06/IMG_7242_resize_20170627_133711-569x427-300x225.jpg)সেখানে দাড়িয়েই দেখলাম রাস্তা ধরে সামনে গেলেই সব সরকারি অফিস। উঠে পড়লাম গাড়িতে। গাড়ি চলতে লাগলো পুত্রা মসজিদের মুল ফটকের দিকে। গাড়ি চলতে চলতে দেখি ঠিক রাস্তা বরাবর সবুজ গম্বুজবিশিষ্ট আরেকটি খুব সুন্দর বিল্ডিং গাছপালার ফাক দিয়ে উঁকি দিচ্ছে। ![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/06/IMG_7291_resize_20170627_133716-569x372-300x196.jpg)ড্রাইভার বললেন এটাই নাকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। মুগ্ধ হয়ে দেখছিলাম। মসজিদের সামনে গাড়ি পার্ক করে নেমে এলাম আমরা। কর্তা চলে গেলো মসজিদের ভেতর নামাজ পড়তে। আমি মসজিদ চত্বরে ঢুকে ঘুরে দেখতে লাগলাম। ![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/06/IMG_7264_resize_20170627_133713-320x426-225x300.jpg)খেয়াল করলাম অনেক বিধর্মী মেয়েরাও ঢুকছে তবে তাদের গেট থেকে বোরকা দিচ্ছে খোলা পা আর মাথা ঢাকবার জন্য। তারা ভেতরে ঘুরে ঘুরে দেখছে, ছবি তুলছে। ![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/06/IMG_7266_resize_20170627_133714-569x427-300x225.jpg)ভেতরে আবার কিছু দোকানও আছে স্যুভেনির এর। ভেতর থেকে বাইরে এসে বিশাল একটা গোল চত্বর। মাঝে মাঝে পিলার বসানো ল্যাম্পপোস্টের মত। অনেক দেশি-বিদেশি লোকজন ঘুরে বেড়াচ্ছে। ![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/06/IMG_7280_resize_20170627_133716-569x427-300x225.jpg)আমি ঘুরতে ঘুরতে কয়েকটা ছবি তুলে নিলাম সেই জায়গায়। এর মধ্যে হঠাৎ এক বয়স্ক ভদ্রলোক আর ভদ্রমহিলা আমাকে জিজ্ঞেস করলেন কোথা থেকে এসেছি। বাংলাদেশের নাম শুনে বললেন উনারা তুরস্ক থেকে এসেছেন। বাংলাদেশে যাবেন বেড়াতে। পর্যটন এলাকাসমূহ সম্পর্কে জানতে চাইলে আমি তাদের ব্রিফ করলাম। শেষে ভদ্রলোক বলছেন আমার কাছে বাংলাদেশী টাকা আছে কি না উনি দেখবেন। নেই শুনে হতাশ হয়ে বিদায় নিলেন। এদিকে কর্তা আর আসেন না। আমি গাড়িতে এসে বসার অনেক্ষণ পর দেখি উনি আসছে। বললেন নামাজ শেষে আমাকে খুঁজে না পেয়ে নিজেই ঘুরে দেখে এসেছেন জায়গাটা। এদিকে সন্ধ্যা প্রায় হয় হয়। আমাদের ফ্লাইট রাত ৯.৩০. এখুনি এয়ারপোর্ট রওনা না হলে দেরী হয়ে যাবে। এয়ারপোর্ট আসতে আসতে মন খারাপ হচ্ছিলো। ![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/06/IMG_7298-800x600_1-300x218.jpg)যাক সন্ধ্যার সাথে সাথেই পৌছলাম এয়ারপোর্ট এ। বোর্ডিং পাস নিয়ে কর্তার সেই বন্ধু বলে চলেন ম্যাকডোনাল্ডসে যাই। কর্তা-আমি বিরক্ত যে দুপুরের খাবারই হজম হয়নি এখন ক্যাম্নে খাবো? যাহোক নাছোড়বান্দা ভদ্রলোক আমাদের জন্য বার্গার অর্ডার করলেন। একটু পর এলো বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আর ইয়া বড় গ্লাসে কোক। খেয়াল করে দেখি আরও দুটো বার্গার বেশি। কেন? সেই ভাই করুণ দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে বলেন, ভাবী ছোট ভাইয়ের জন্য দুটো বার্গার নিলাম আপনি একটু কষ্ট করে আপনার ব্যাকপ্যাকে নিয়ে নেন। আমার তো মাথায় হাত কয় কি! বলে হাতে নিলে ইমিগ্রেশনের ওখানে ফেলে দিবে। আমাদের হাতে এম্নিতেই এক পানির বোতল আর কোকের বোতল যা আসার পথে কিনেছিলাম। আমার ব্যাকপ্যাকে মিরিন্ডার ছোট এক ক্যান। অবশেষে ব্যাকপ্যাকে দুই বার্গার আর হাতে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই নিয়ে ইমিগ্রেশনের লাইনে দাড়ালাম। কর্তার হাত খালি। সে কিছু নিবে না হতে। বিরক্ত। কর্তার বন্ধুটি দুহাতে পানি আর কোকের বোতল নিয়ে পার হয়ে গেলো। এবার আমার পালা। আমিও ঢুকে গেলাম। অপেক্ষার এক পর্যায়ে কর্তা বললো GST Refund বুথ থেকে ঘুরে আসি। ![](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2017/06/IMG_7306-3024x2268-756x567-567x425-300x225.jpg)আমি পেছন পেছন গিয়ে অন্য দোকানগুলোতে ঘুরে আবার এসে বসলাম। অপেক্ষা করছি এমন সময় দেখি ৭/৮ জন বাংলাদেশি হুজুর সাথে আরো লোকজনের হাউকাউ। বিষয় হলো কাজ দেবে বলে তাবলীগ এর কথা বলে ৩ লাখ টাকা নিয়ে এক ছেলেকে ওই হুজুরদের একজন মালয়েশিয়া এনেছে ১ দিন আগে। এয়ারপোর্ট একে ঢুকতে দেয়নি। আজ ওকে ফেরৎ পাঠাচ্ছে দেশে এর মধ্যে আবার ওই হুজুর আসাতে বাকি লোকেরা তাকে চেপে ধরেছে টাকা দেয়ার জন্য। নাহলে পুলিশ ডাকবে এই ভয় দেখিয়ে কিছু টাকা আদায় করা হলো। পুরা দেশি কাহিনী। কেউ কেউ বলছে একেতো এইখানে কিছু করা যাবে না, ঢাকায় ল্যান্ড করেই আচ্ছামত মাইর দেয়া লাগবে। আমি খুব মজা নিয়ে ঘটনা দেখছিলাম। ১ ঘন্টা দেরি করে ডাক পড়লে বিমানে চড়ে বসলাম। আমাদের সামনের সিটের ভদ্রলোক ঢাকায় কাউকে ফোনে বলছে যে প্লেন ১ ঘন্টা দেরি, এখন ফ্লাই করবে। বার বার এনাউন্স করার পরও উনি সহ অনেকে ফোনের মোড চেঞ্জ করছেনই না। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে দুনিয়ার যত কথা সব বিমানে উঠে মনে হয়েছে। যাহোক কেবিন ক্রুদের বেশ কয়েক মোলায়েন অনুরোধের পর এসব বন্ধ করে প্লেন আকাশে উড়লো। খুব ক্লান্ত ছিলাম তাই ঘুমানোর চেষ্টা করছি। এর মধ্যে খাবার চলে এলো। বিরিয়ানি। বিরিয়ানি আমার খুব পছন্দের খাবার হলেও কেন যেন খেতে ভালো লাগলো না। ২/৩ চামচ খেয়ে রেখে দিয়ে দিলাম ঘুম। ঘুমাই-জাগি, আবার ঘুমাই। এ করে করে শুনলাম ঘোষণা করা হচ্ছে যে আমরা ঢাকায় ল্যান্ড করতে যাচ্ছিই। সবাই প্রস্তুত। প্লেন ল্যান্ড করা মাত্রই সেই সামনের ভদ্রলোকের আবার ফোন শুরু। “হ্যালো, হ্যা এইমাত্র প্লেন থামছে। না আমরা এখনো বিমানেই বইসা আছি। না চেক করলাম নেটওয়ার্ক পায় কি না। হ্যা তুমি বাইরেই অপেক্ষা করো।” এই আলাপ শুনতে শুনতে সবাই দেখি প্লেনের দরজা খোলার আগেই জিনিসপত্র নামিয়ে দরজার মুখে ভীড় করে দাড়িয়েছে। আমরা তখনও বসে আছি যে ভীড় কমলে নামি। কিন্ত সময় বয়ে যাচ্ছে দরজা আর খুলে দিচ্ছে না। ১০ মিনিট/১৫ মিনিট পার হয় দরজা খুলে না। ভীড় গ্রুপ ততক্ষণে চিল্লাচিল্লি শুরু করে দিয়েছে। যাহোক, প্রায় ২০ মিনিট পর দরজা খোলা হলে নেমে এলাম। তারপর আবার লাগেজ বেল্টে দাঁড়িয়ে আছি কিন্ত ব্যাগ আর আসে না। প্রায় আধা ঘন্টা পর ব্যাগ পেয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলে বের হলাম এয়ারপোর্টের বাইরে। কর্তা উবারের গাড়ি ডাকলে রওনা হলাম বাসার উদ্দেশ্যে। আসতে আসতে ভাবছিলাম পুরো ট্যুরের কথা….

(সমাপ্ত)

\*\*\* **ভালো থাকুক সোনেলা। ভালো থাকুক সোনেলার প্রিয় মানুষেরা।**

আগের পর্ব পড়ুন:

**মালয়েশিয়া ভ্রমণ কাহিনী ৯/** [মালয়েশিয়াতে কয়েকদিন ৯](/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a7%af/#comments)
