# বিশ্ব রাজনীতি বনাম আলকায়দা থেকে আইএস-বিহাইন্ড দি সিন। পর্ব-8।

Author: সীমান্ত উন্মাদ
Published: 2015-08-30
Category: সমসাময়িক
URL: https://sonelablog.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a7%9f-4/

[![ISIS / ISIL / Waffen / @albaraka\_news](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/ISIS-13-300x168.jpg)](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/ISIS-13.jpg)গত পর্বে ([বিশ্ব রাজনীতি বনাম আলকায়দা থেকে আইএস-বিহাইন্ড দি সিন। পর্ব-৩](/archives/34650 "বিশ্ব রাজনীতি বনাম আলকায়দা থেকে আইএস-বিহাইন্ড দি সিন। পর্ব-৩ ") )  আমি বলছিলাম ফিলিপ মার্শাল এর কথা, তার প্রকাশিত বই এর কথা, সেই সাথে বব উডওয়ার্ড এর State of Danial বই এর কথা, যেখানে তারা তথ্য সুত্র মিলিয়ে খুঁজে পেয়েছিলেন সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রিন্সবানদারের যুক্তরাষ্ট্রে থেকে, কলকাঠি নাড়ার ষড়যন্ত্রের কথা। পর্ব শেষে প্রশ্ন রেখে এসেছিলাম কিছু, যেমনঃ **আর কি কি গোপন তথ্য ছিল ফিলিপ মার্শালের THE BIG BAMBOOZLE বইতে? প্রিন্স বানদারের আর জর্জ বুশের ষড়যন্ত্রের আর কি কি প্রমান ছিল মার্শালের বইতে? দিবালোকের মত এইসব সত্য প্রকাশের পর কিভাবে তাঁকে হত্যা করা হয় সপরিবারে?**

**গত পর্বের এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে, আজ চলুন** **সবাই মিলে, মিলা****ই** **তথ্য সুত্র,** **উত্তর খুঁজি** **পর্ব-৪ এ।**

আপনারা আগের পর্বেই জেনেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ যখন নো ফ্লাই জোন, তখন প্রিন্স বানদারের অনুরোধে লাদেনের পরিবার সহ যুক্তরাষ্ট্রে থাকা শতাধিক সৌদি পরিবারকে বিশেষ ফ্লাইটে করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পালিয়ে যাবার সুযোগ করে দেওয়া হয়। এ সব তথ্য সুত্র ফিলিপ মার্শাল এবং সাংবাদিক বব উডওয়ার্ড নিরেট ভাবেই খুঁজে পেয়েছিলেন।

২০০৫ সালের জুনে রহস্যজনক ভাবে প্রিন্স বানদারকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রত্যাহার করে নেয় রিয়াদ। সেই সাথে শেষ হয় প্রিন্স বানদারের ২২ বছরের কূটনীতিক জীবন। যদিও বানদার বলেছেন তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। এই সব সুত্রের উপর ভিত্তি করে তখন ধারনা করা হয় নাইন-ইলাবভেনের ঘটনায় কংগ্রেসের যৌথ তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট, প্রিন্স বানদারের কূটনৈতিক জীবন অবসানে ভূমিকা রেখেছিল। কেবল নাইন-ইলাভেনের হামলাকারীদের মদত দেওয়াই নয় ২০০৪ সাল পর্যন্ত ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের সৌদি দূতাবাস এবং রিগস ব্যাংকের মাধ্যমে আল কায়েদা থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসী অর্থায়নের কুশিলবদের একজন ছিলেন এই প্রিন্স বানদার। যার হদিস পায় কংগ্রেসের যৌথ তদন্ত কমিশন। ধারনা করা হয় এরপর তাকে আর ওয়াশিংটনে রাখাটা নিরাপদ মনে করেনি রিয়াদ।

[![4 hijake, 1st pic](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/4-hijake-1st-pic-217x300.jpg)](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/4-hijake-1st-pic.jpg)ছবিঃ ছিনতাইকারি পাইলট মোহাম্মদ আতা, হানি হানজৌর, জিয়াদ সামির জারাহ ও মারওয়ান আল সেহহি।

মার্শাল তার বইয়ে আরো বলেছেন, ২০০০ সালের জানুয়ারিতে লস এঞ্জেলেসের সৌদি কনস্যুল অফিসে আসেন দুই হামলাকারি-খালিদ আল মিহদার এবং নাওয়াফ আল হাযমি। কনস্যুল অফিশিয়াল ফাহাদ আল থুমাইরি তাদের সেখানে বরন করেন। পরে সান্তিয়াগোর একটি রেস্টুরেন্টে তাদের সাথে দেখা করেন সৌদি গোয়েন্দা এজেন্ট ওমর আল বায়োমি। আর তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করার কাজটি করে আরেক সৌদি এজেন্ট ওসামা বাসনান। তার হাত দিয়েই জানুয়ারী থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময় প্রিন্স বানদার ও তার স্ত্রী কয়েক কিস্তিতে হামলাকারিদের ১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলারের চেক হস্তান্তর করে। যদিও প্রিন্সের দাবি ছিল এই টাকা বাসনানের অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসার সাহায্যে দেওয়া হয়েছে। হামলাকারিদের বাসা ভাড়া থেকে শুরু করে ব্যাবস্থাপনার সব দায়িত্ব পালন করে সৌদি এজেন্ট বাসনান। একই সময় আল কায়দার মার্কিন গুরু আনোয়ার আওলাকির সাথে হামলাকারিদের বৈঠন ও পরে পার্টির আয়োজন করেছিল বাসনান। নাইন-ইলাভেন কুশীলবদের অন্যতম আওলাকির সাথে ওয়াশিংটনের সৌদি দূতাবাসেরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। এমনকি প্রিন্স বানদারের সাথে ভিবিন্ন অনুষ্ঠানেও দেখা গেছে আওলাকিকে। কে এই আওলাকি?

নব্বয়ের দশকে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন ইয়েমেনের নাগরিক আওলাকি। ভর্তি হন কলারাডো কলেজের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ। ৯৩ সালে আফগান মুজাহিদদের সাথে রুশ বিরোধী লড়াইয়ে যোগ দিয়ে ফিরে আসেন ৯৪ সালে। আওলাকি তার কলারাডর বন্ধুদের বলেছিলেন আফগানিস্তানের মানুষের দারিদ্রের সংগ্রাম তার জীবনের লক্ষ্যকে পাল্টে দিয়েছে। তখন থেকেই আওলাকির উগ্রপন্থার সূচনা। ৯৬ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তিয়াগোতে ‘মসজিদ আর রিবাত আল ইসলামে’-এ ইমামতির আড়ালে উগ্রপন্থার প্রচার শুরু করেন তিনি। তুখোড় ইংরেজি জানা এবং ধর্মীয় বয়ানে সুবক্তা আওলাকির তখন দুই-তিনশো অনুসারি। নাইন-ইলাভেনের দুই ছিনতাইকারী নওয়াফ আল হাযমি এবং খালিদ আল মিহদারকে তিনিই সৌদি গোয়েন্দা এজেন্ট বায়োমি’র সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন বলে তদন্তে বেরিয়ে এসেছিল। প্রসঙ্গতঃ “যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক দপ্তর পেন্টাগনে আছড়ে পড়েছিল এই দুই ছিনতাইকারির বিমান”। ২০০১ সালের জানুয়ারি থেকে ‘দার আল হিজরাহ’ মসজিদে ইমামতির মধ্যে দিয়ে ওয়াশিংটনে বসবাস শুরু করেন আওলাকি। সেটা ছিল নাইন-ইলাভেন ষড়যন্ত্রের কুশীলবদের তৎপরতা শুরুর সময়। এখানেও মসজিদ এবং কল্যানমূলক কাজে অর্থসংস্থানের আড়ালে আওলাকির বিরুদ্ধে জঙ্গী অর্থায়নের প্রমান পাওয়া গেছে। অথচ হামলার পরে হঠাৎ করে উদারপন্থী একজন মুসলিম স্কলার হিসেবে আবির্ভূত হলেন আওলাকি। বিশ্লেষকরা বলেন, সেই ট্রাজেডির পর মার্কিন মুল্লুক জুড়ে যখন মুসলিম বিরোধী ক্ষোভ, ঘৃনা, তখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাকি মুসলিম দুনিয়ার সেতুবন্ধনের কাজটি করানো হয়েছিল আওলাকিকে দিয়ে। হয়তো সে কারনেই টুইন টাওয়ার ধ্বসে পড়ার দিন নিউ ইয়র্ক টাইমসসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আওলাকি বলেছিলেনঃ “কোন মুসলমান কোনদিন এমন কাজ করতে পারেনা। যদি কেউ করেও থাকে তবে তিনি অবশ্যই ইসলামকে বিকৃত করেছেন”। নাইন-ইলাভেনের দু’দিন পর এফবিআই চার দফায় মোট আটবার আওলাকিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। আবার ছেড়েও দিয়েছে। কথিত আছে তাকে ছেটে দেওয়ার পিছনে কাজ করেছেন রিপাবলিকান দলের কয়েকজন কংগ্রেসম্যান।

[![pentagon attack pic 2](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/pentagon-attack-pic-2.jpg)![awalaki 1](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/awalaki-1-300x111.jpg)](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/awalaki-1.jpg)[![anwar-al-awlaki2](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/anwar-al-awlaki2-300x182.jpg)](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/anwar-al-awlaki2.jpg)ছবিঃ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক দপ্তর পেন্টাগনে হামলার জন্য দুই সন্ত্রাসীকে রিক্রুট করেছিলেন আনোয়ার আল আওলাকি যখন সে বক্তা, আর শেষ ছবিতে তার আসল রুপ।

জিজ্ঞাসাবাদে যুক্ত এক এফবিআই সদস্য পরে কংগ্রেসের তদন্ত কমিটিকে বলেছেনঃ “আমার মনে হয়েছে আওলাকি হলেন সেই মানুষ যিনি জানেন আসলে কী হয়েছে এবং কারা এর পেছনে আছে”। অথচ আওলাকি ততক্ষনে চিরতরে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়েছেন। যোগ দিয়েছেন আল কায়দায়। এবং একের পর এক যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দুনিয়ায় হামলা চালানোর ভিডিও প্রচার করে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শত্রুতে পরিনত হয়েছেন। আওলাকি হলেন প্রথম মার্কিন নাগরিক যাকে পাওয়া মাত্র হত্যার ঘোষনা দিয়েছিল সিআইএ। ২০১১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ইয়েমেনের প্রত্যন্ত এক পাহাড়ি এলাকায় সকালে নাশতা করছিলেন আল কায়েদা নেতা আওলাকি ও তার কয়েকজন অনুসারি। তাদের কয়েকগজ দূরেই পড়েছিল প্রথম মিসাইলটি। আওলাকি ও তার অনুসারিরা দৌড়ে গাড়িতে ওঠেন। চলন্ত সেই গাড়িতেই দ্বিতীয় দফা ড্রোন হামলায় তিন সহযোগিসহ মারা যান আনোয়ার আল আওলাকি। অবসান হয় এক উগ্রবাদির জীবনের ইতিহাস। তবে আওলাকির মৃত্যুর এক বছর আগে মার্কিন জনগনকে অবাক করেছিল আরেকটি খবর। আওলাকির রিক্রুট করা যে দুই ছিনতাইকারি (নওয়াফ আল হাযমি ও খালিদ আল মিহদার) বিমান নিয়ে পেন্টাগনে আছড়ে পড়েছিল, সেই পেন্টাগনেই নাইন-ইলাভেনের আগের দিন লাঞ্চের দাওয়াত পেয়েছিলেন আওলাকি। যদিও নয় বছর পর সেই ঘটনা আড় মনেই করতে পারেননি সাবেক সামরিক সচিব টমি হোয়াইট। তবে এফবিআই’র সাবেক এক এজেন্ট বলেছেনঃ “সেদিন দুপুরে আওলাকির পেন্টাগনে প্রেবেশ করা নিয়ে অনেক ঝামেলা হয়েছিল। ব্যাপারটা অনেক দূর গড়িয়েছিল।

[![094\_alhazmi\_almihdhar](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/094_alhazmi_almihdhar-300x172.jpg)](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/094_alhazmi_almihdhar.jpg)[![Al mihdar](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/Al-mihdar-300x250.jpg)](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/Al-mihdar.jpg)[![hazmi](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/hazmi-300x93.jpg)](http://sonelablog.com/wp-content/uploads/2015/08/hazmi.jpg)ছবিঃ দুই ছিনতাইকারী খালিদ মিহদার ও নওয়াফ হাযমি।

একটু আগে বলছিলাম আওলাকির রিক্রুট করা দুই চিনতাইকারি খালিদ আল মিহদার ও নওয়াফ আল হাযমির কথা। ডিসেম্বরে সান্তিয়াগোতে তাদের সাথে যোগ দেন আরো একজন। তার নাম হানি হানজৌর। বলা হয় তিনিও ছিলেন আওলাকির অনুরক্ত। এরপর ২০০০-এর জুনে ফ্লোরিডার সারাসোটায় অবস্থান নেওয়া তিন হামলাকারী, মোহাম্মদ আতা, মারওয়ান আল সেহহি আর জিয়াদ জারাহ তাদের সাথেই অবস্থান নেয় খালিদ আল মিহদার, নওয়াফ আল হাযমি ও হানি হানজৌর। একটি বাংলো বাড়িসহ অন্তত দুটি অ্যাপার্টমেন্টে তারা বিলাসবহুল জীবনযাপন করতেন। সেখানে অভিযান চালিয়ে আনকোরা একটি ক্রাইসলার গাড়িও এফবিআই জব্দ করেছিল। অথচ কংগ্রেসের যৌথ তদন্ত দলের সমন স্বত্বেও (Subpoena) এ ব্যাপারে কোন সাক্ষ্য দিতে রাজি হয়নি এফবিআই।

**তারপর** **কি** **ঘটেছিল** **কিংবা** **আর** **কি** **কি** **গোপন** **তথ্য** **ছিল** **ফিলিপ** **মার্শালের THE BIG BAMBOOZLE** **বইতে?** **দিবালোকের** **মত** **এইসব** **সত্য** **প্রকাশের** **পর** **কিভাবে** **তাঁকে** **হত্যা** **করা** **হয়** **সপরিবারে?** **আমরা** **সবাই** **মিলে,** **মিলাবো** **তথ্য** **সুত্র,** **জানবো** **আগামী** **পর্ব-****৫** **এ****।**

বিঃদ্রঃ প্রচন্ড কাজের ব্যস্ততার কারনে আজকের পর্বটি পোষ্ট করতে একটু দেরি হল, তার জন্য অনেক দুঃখিত। আগামী পর্বে শেকড় অধ্যায়ের সমাপ্তি হবে, শুরু হবে সুত্র মিলাবার পরের অধ্যায়।

**সবাই** **ভাল** **থাকুন,** **সুস্থ** **থাকুন,** **চোখ-****কান** **খোলা** **রাখুন,** **নিরাপদে** **থাকুন****।**

**।।****শুভকামনা** **নিরন্তর।****।**

**আগের পর্বগুলোঃ**

[বিশ্ব রাজনীতি বনাম আলকায়দা থেকে আইএস-বিহাইন্ড দি সিন। ভূমিকা পর্ব।](/archives/33752 "বিশ্ব রাজনীতি বনাম আলকায়দা থেকে আইএস-বিহাইন্ড দি সিন। ভূমিকা পর্ব।")

[বিশ্ব রাজনীতি বনাম আলকায়দা থেকে আইএস-বিহাইন্ড দি সিন। পর্ব-১।](/archives/34095 "বিশ্ব রাজনীতি বনাম আলকায়দা থেকে আইএস-বিহাইন্ড দি সিন। পর্ব-১।")

[বিশ্ব রাজনীতি বনাম আলকায়দা থেকে আইএস-বিহাইন্ড দি সিন। পর্ব-২।](/archives/34293 "বিশ্ব রাজনীতি বনাম আলকায়দা থেকে আইএস-বিহাইন্ড দি সিন। পর্ব-২।")

[বিশ্ব রাজনীতি বনাম আলকায়দা থেকে আইএস-বিহাইন্ড দি সিন। পর্ব-৩](/archives/34650 "বিশ্ব রাজনীতি বনাম আলকায়দা থেকে আইএস-বিহাইন্ড দি সিন। পর্ব-৩")
