# তরুণীদের আত্মহত্যা

Author: মাছুম হাবিবী
Published: 2020-12-27
Category: একান্ত অনুভূতি
URL: https://sonelablog.com/%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/

**কম বয়সি** যু্বতী মেয়েদের আত্মহত্যার খবর শুনে অনেকটা দুঃখ প্রকাশ করলেও কেউ কেউ নিউজ শুনে বিচলিত হয়! বিষয়টা এরকম যে আত্মহত্যাকারীকে কেউ পছন্দ করেনা বরং তার মৃত্যুর খবর শুনে রাগে ক্ষোভে গালি দেয়! আমরা অনেকেই আত্মহত্যা বিষয়টি সহজে রিসিভ করতে পারিনা। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, **অধিকাংশ আত্মহত্যাকারী তরুণী একটা** **রিলেশনে জড়িত থাকে।** খুঁজ খবর নিলে জানা যায় ‘প্রেমে ব্যর্থ হয়ে আত্মহত্যা করেছে। গোটা কয়েক মেয়ে পারিবারিক সমস্যা নিয়ে সুইসাইড করলেও অধিকাংশ তরণীরা কারো কাছ থেকে ধোঁকা খেয়ে আত্মহত্যার মত বাজে পথটা বেছে নেয়! এবার আপনি বলতে পারেন **‘প্রেমে ব্যর্থ হয়ে আত্মহত্যা করতে হবে কেন?** প্রশ্নটা খুব সহজ হলেও তার উত্তর বেশ কঠিন। একজন সাদামাটা তরুণী যখন প্রেমে পরে তখন তার চোখে মুখে নতুন প্রেমের নেশা ঢুলো ঢুলো করে!!

**প্রেম করার** এক পর্যায়ে সে ছেলেটির প্রতি অতিমাত্রায় দূর্বল হয়ে যায়। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস তারা প্রেমে জড়িয়ে একজন আরেকজন কে খুব কাছে পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। প্রেমিকের দেয়া নোংরা অফারও মেয়েটি খুব সহজে গ্রহণ করে নেয়। চতুর প্রেমিকগণ তাদের কলাকৌশলে মেয়েটিকে পায় বশ করে ফেলে। একটা সময় দেখা যায় ছেলেটা যা বলে মেয়েটাও তাই করতে বাধ্য। তারপর তাদের মধ্যে আস্তে ধীরে কামনার নেশা জাগরত হয়। খুব টেকনিক কাটিয়ে ছেলেটি মেয়েটির সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। তারপর, দুজনই শারীরিক সম্পর্কটাকে দিন দিন সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়। একটা সময় দেখা যায়, তারা সপ্তাহ কিংবা মাসে দুই একবার শারীরিক চাহিদা না মিটাতে পারলে উন্মাদ হয়ে যায়। দুজন দুজনকেই ছিঁড়ে খেতে চায় যথাসময়!

আর এভাবেই একটা সময়ে মেয়েটা অবৈধ ভাবে প্যাগনেন্ট হয়ে যায়। তখন সেই বিষয়টা ছেলেকে জানালে সে ‘এই মূহুর্তে তার পাশে দাঁড়াতে পারবেনা বলে অহিনা প্রকাশ করে! আর এই বিষয়টা তাৎক্ষিণ সময় মেয়েটি এতটা সহজ ভাবে নিতে পারেনা। সে হুট করেই বিশাল বড় ধাক্কা খায়। তখন তার হুঁশ হয় সে যা করেছে তা ভুল এবং অন্যায়! তারপর, ছেলেটা মেয়েটিকে ইগনোর করার চেষ্টা করে, সে কখনো বাচ্চাসহ মেয়েটিকে গ্রহণ করতে চায় নাহ। সাময়িক আনন্দের জন্য তাদের পাপের ফসল দুজনের মধ্যে কেউ গ্রহণ করতে চায় নাহ। তারপর, মেয়েটির মাথায় চারিপাশের চিন্তা, মা-বাবার মান সম্মান, পাড়াপ্রতিবেশীদের কটুকথা। বন্ধুবান্ধবের টিককারী সবকিছু এক সাথে তার মাথায় এসে **গিজগিজ** করে! আর সে এসব অসহ্য যন্ত্রনা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার মত জঘন্যতম পথটি বেছে নেয়!

**উপরের** কথাগুলো এ জন্যই বলেছি ‘যারা অলরেডি রিলেশনে জড়িত আছেন। বিশেষ করে মেয়েদের বলছি ‘প্রেম করো তা মেনে নিলাম। যৌবনকালে মানুষ তা একটুআধটু করেই, তবে এত ভুল কখনো করবেন নাহ। যে ভুল একটা সময় তোমার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাময়িক সুখের জন্য যে পবিত্র জিনিসটা বিলিয়ে দাও তা কিন্তু মহাপাপের সমান। সো যা করার ভেবেচিন্তে করবে। **ভুল সেটাকেই বলে,** যা মানুষ জেনেশুনে করেনা। আর যা জেনেশুনে করা হয় ‘সেটাকে ভুল বলেনা। **সেটাকে বলা হয় অন্যায়!** তাই এত বড় অন্যায় করার আগে হাজার বার চিন্তা করুন, আপনি যা করছেন তা আদৌ সঠিক কি নাহ। আর যদি মজার ঠ্যালায় নিজের সবকিছু বির্সজন দাও, তখন অসম্ভব সুখ পাবে ঠিক কিন্তু যার দ্বারা সুখ বা আনন্দ পেয়েছো সেই মানুষটিকে কখনো পাবেনা। **কারণ ছেলেরা শারীরিক সম্পর্কের পর কখনো কোনো মেয়েকে বউ হিসাবে মেনে নিতে পারেনা।** আর যদি কেউ মেনে নেয়, তখন সেটা হয়তো চাপে পরে নয়তো মিরাক্কেল! সো সাবধান।।
