# কৃতজ্ঞতা স্বীকার সোনেলা ব্লগারদের প্রতি

- Author: [সুরাইয়া নার্গিস](https://sonelablog.com/author/suria-nargis-alif/)
- Published: 2020-08-08T12:22:29+00:00
- Updated: 2020-08-08T12:22:29+00:00
- Category: [একান্ত অনুভূতি](https://sonelablog.com/category/misc/personal/)
- URL: https://sonelablog.com/%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be/

---

“কৃতজ্ঞতা পোষ্ট”

আমি সুরাইয়া নার্গিস সোনেলার পরিবারের একজন ক্ষুদে সোনালী ব্লগার (সোনালী নামটা জিসান শা ইকরাম ভাইজান দিসেন)

“ব্লগ” আমার ফেসবুক ওয়ালে,আমার পেইজে নিয়মিত গল্প লিখতাম তা দেখে সবাই বলতো আলিফ ব্লগে লিখো। অনেকেই ব্লগে লেখার জন্য অনুরোধ করতো কিন্তু আমি রাজি হইনি, এস.জেড বাবু ভাইয়া সব সময় বলতেন আপু ব্লগে লেখেন আপনার সেই গুন আছে। তারপর ব্লগার শ্রদ্ধেয় জিসান শা ইকরাম ভাইজান আমার সাথে এড  আছেন তিনি আমাকে সোনেলা Sonela গ্রুপে এড পাঠান। আমি একসেপ্ট করি দেখলাম ফেসবুক গ্রুপ আমারও নিজের একটা গ্রুপ আছে। এস.জেড বাবু ভাইয়া বললেন এখানে জয়েন করুন আপনার সুন্দর শিক্ষণীয় লেখা পোষ্ট করবেন। ০৮/০৩/২০২০ই “আমার মা” শিরোনামে বাস্তব একটা গল্প বিশ্ব নারী দিবসে গ্রুপে পোষ্ট করলাম।

মোটামুটি সবাই কমেন্টস করেন অনেক সুন্দর সুন্দর মন্তব্য করেন সেখানে “শ্রদ্ধেয় ব্লগার এম ইঞ্জা ভাইজান এস.জেড বাবু ভাইজানকে মেনশন করেন “আমার মা” লেখাটা ব্লগের উপযোগী তাই যেন ব্লগে পোষ্ট করি এত সুন্দর লেখার জন্য আমাকে ধন্যবাদ দেন।

রাতেই এস.জেড বাবু ভাইজান আমাকে ইনবক্স করেন আলিফ আপু আর না করবেন না প্লীজ আপনি আমাদের ব্লগে লিখুন। আমাদের সোনেলা ব্লগে আপনাকে দরকার, বাবু ভাইয়া কথায় রাজি হলাম, এর মধ্যে শ্রদ্ধেয় ব্লগার জিসান শা ইকরাম ভাইজান ইনবক্স করলেন।

ছোট আপু আপনি আমাদের ব্লগে ওয়েব সাইডে একটা আইডি খুলেন ,জবাবে বললাম ওকে।

তারপর এস.জেড. বাবু ভাইজান নিজ দায়িত্বে ব্লগের আইডি খুলে দেন, তারপর কিভাবে ওয়েব সাইডে ব্লগে ঢুকতে হবে,কিভাবে পোষ্ট করতে হবে শত ব্যবস্তার মাঝেও আমাকে সবকিছুর ক্রিনসট দিয়ে বুঝিয়েছেন,আমিও সবকিছু শিখলাম।

>>তারপর সোনেলা ব্লগে আমার প্রথম লেখা ঔষধ খাওয়া নিয়ে বিড়াম্ভনা “হাসি” একান্ত অনুভূতি প্রকাশ করি তাং-১০/০৩/২০২০ইং প্রকাশ করি লেখা পড়েছে ৭৬৪ জন, শেয়ার হয়েছে ৪০বার প্রথম লেখায় এটা অনেক বড় সাফল্য সবার ভালো লেগেছে।

>>তারপর ২য় লেখা “নামাজ” একান্ত অনুভূতি আমার বাবাকে নিয়ে লেখা প্রকাশ করি, তাং-১৫/০৩/২০২০ইং প্রকাশ করি লেখাটা পড়েছে ৩৫১জন,শেয়ার হয়েছে ৪বার এটা আমার দ্বিতীয় সাফল্য।

>>তৃতীয় লেখাঃ-ভালোবাসার গল্প (এখান্ত অনুভূতি).প্রকাশ করি তাং-১৯/০৩/২০২০ইং প্রকাশ করি লেখাটা পড়েছে ১০০৫ জন,শেয়ার হয়েছে ৩১০বার এটা আমার ব্লগ জীবনে সেরা সাফল্য বলে মনে করি।

>>তারপর শ্রদ্ধেয় ব্লগার জিসান শা ইকরাম ভাইজান নিয়মিন বলতেন আমি অনেক ভালো লিখি উৎসাহ্ দিতেন লেখার জন্য।এস.জেড. বাবু ভাইজান বললেন পর্ব করে গল্প লিখতে প্রথম আমি অবাক হয়ে বললাম সম্ভব না আমি পারবো না। এস.জেড বাবু ভাইজান বললেন শুরু করেন তারপর বাকিটা দেখা যাবে, ইনশাল্লাহ্ শুরু করে দিলাম।

>>আমার ৪র্থ লেখা “আমি তোমার জন্য এসেছি” শুরুতে বিভাগঃ-একান্ত অনুভূতি ভাবলাম দু,তিন পর্ব লিখবো, মিষ্টি আপু (সাবিনা ইয়াসমিন) বললেন প্রথম পর্বের লেখাটা অসম্ভব সুন্দর হয়েছে বিভাগটা গল্প/উপন্যাস দেন। কারন হাজার হাজার একান্ত অনুভূতির মাঝে এত সুন্দর একটা লেখা সহজেই পাঠকদের নজরে আসবে।

মিষ্টি আপুর কথা শুনে সাথে সাথে সম্পাদন করে বিভাগ- উপন্যাস করে দিলাম।এস.জেড বাবু ভাইয়া লেখাটা পড়ে ইনবক্সে বললেন চমৎকার লিখছেন আমার বিশ্বাস আপনি পারবেন অন্তত ১০ পর্ব বাড়লে ৫০,১০০পর্ব লিখবেন।

ওনার উৎসাহ্ আর পিচনে ফিরতে হয়নি, প্রতিটা পর্বই কয়েকশত পাঠক পড়েছে, কয়েকবার শেয়ার হয়েছে সবার এতো সুন্দর সুন্দর মন্তব্য প্রতিদিন পড়তাম। ব্লগার ভাইজান, আপুরা সবাই উৎসাহ্ দিতেন আমি উপন্যাসটা এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহস পেতাম। সবার ভালোবাসায় আমি সিক্ত💝

তারপর বাকিটা সবাই জানেন.. “আমি তোমার জন্য এসেছি” উপন্যাসটা আরাফ প্রিয়ার সুন্দর মিলনে ১০ পর্ব নয় আলহামদুলিল্লাহ্ ৭২ পর্বে শেষ করলাম। আমি সোনেলা পরিবারের সকল ব্লগারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ-“আমি তোমার জন্য এসেছি” প্রথম পর্ব যারা পড়েছেন এক নজরে সম্মানিত ব্লগারদের নাম দেখুনঃ-১)সুপর্ণা ফাল্গুনী,২)জিসান শা ইকরাম,৩)ফয়জুল মহী,৪)সুপায়ন বড়ুয়া,৪)সাবিনা ইয়াসমিন,৫)তৌহিদ,৬)ইসিয়াক,৭)এস.জেড বাবু,৮)হালিম নজরুল।প্রথম পর্ব যারা পড়েছের সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি 💝

>>আমার উপন্যাসের প্রতিটা পর্ব পড়েছেন যারাঃ-

>>শ্রদ্ধেয় সুপর্ণা ফাল্গুনী দিদি ভাই এর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি দিদি আমার উপন্যাসের প্রথম থেকে শেষ প্রতিটা পর্ব পড়েছেন এবং সুন্দর উৎসাহ ও অনুপ্রেরণামূলক মন্তব্য করেছে আমিও উপন্যাসটা ৭২ পর্বে শেষ করলাম।দোয়া ও ভালোবাসা রইল দিদি ভাই সব সময় এভাবে আপনাদের ভালোবাসায় সিক্ত হতে চাই💝

>>শ্রদ্ধেয় সুপায়ন বড়ুয়া দাদা ভাই ২০ পর্বের পরে মাঝে ৩ টা পর্ব পড়েন নাই।আমার ভিষন মন খারাপ হলো, ব্যস্ততার পর নিয়মিত হলেন বাকি সব পর্ব পড়েছেন তখন আমিও খুশি। দাদা সুন্দর ও উৎসাহমূলক মন্তব্যে করেছেন আর আমিও উপন্যাসটা ৭২ পর্ব পর্যন্ত এগিয়ে নিতে পেরেছি।ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা দাদা।ভাবে আপনাদের ভালোবাসায় সিক্ত হতে চাই💝।

>>শ্রদ্ধেয় জিসান শা ইকরাম ভাইজান চোখের সমস্যার পরও ফ্রি সময় একসাথে ৪-৫ পর্ব পড়ে মন্তব্য করেছেন৷ ব্যস্ততার জন্য অনেক সময় মন্তব্য করতে পারেন নাই তবে পড়েছেন।উৎসাহ্ দিয়েছেন ছোট আপু খুব ভালো লিখছেন সুন্দর মন্তব্য করেছেন, আর আমিও উপন্যাসটা ৭২ পর্ব পর্যন্ত এগিয়ে নিতে পেরেছি।ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা ভাইজান,দোয়া ও ভালোবাসা রইল আপনার সুস্থতা কামনা করছি 💝

>>শ্রদ্ধেয় নিতাই দাদা উপন্যাসের শুরু থেকে সুন্দর সুন্দর মন্তব্য করেছেন। মাঝে কয়েকপর্ব পড়েন নাই তারপর নিয়মিত, দাদার একটা কথাই ছিলো “শ্রদ্ধেয় দিদি শুরু থেকে উপন্যাসটা দারুন লিখছেন প্রতিটা পর্ব এই ভালো লাগাটা যেন শেষ পর্যন্ত থাকে। সবার মন্তব্যে বুঝলাম দাদার কথা রাখতে পেরেছি শেষটা ভালো লিখছি।শ্রদ্ধেয় দাদা সব সময় এভাবেই আমার পাশে থাকবেন।কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইল দাদা💝

>>শ্রদ্ধেয় এম ইঞ্জা ভাইজানের কথা কি বলবো ওনার হাত ধরে আমার ব্লগে লেখা শুরু।ওনা উপন্যাস লেখা পড়েই আমি লেখার উৎসাহ্ পাই,তারপর অনুপ্রেরনামূলক মন্তব্য আমি উপন্যাসটা ৭২ পর্ব লিখেছি।ভাইজান কমেন্টস বক্সে ওনার মন খারাপ শেয়ার করেছেন ভাইজান চেয়েছিলেন উপন্যাসটা ৭২-১০০পর্বের ব্লগে একটা রেকর্ড করতে।সরি ভাইজান ভবিষ্যৎ আপনার স্বপ্নটা পূর্ন করে দিব ইনশাল্লাহ্।আপনি উপন্যাস ১০০ পর্ব লিখুন আপনার দেখানো পথে আমরা যাব।ধন্যবাদ ভাইজান, এভাবে ভালোবেসে পাশে থাকার অনুরোধ রইল💝।

>>শ্রদ্ধেয় মোহাম্মদ মনজুরুল আলম চৌধুরী ভাইজান ওনার প্রতিটা মন্তব্য সকল ব্লগারের চেয়ে আলাদা।ভাইজানের প্রতিটা মন্তব্য উপন্যাসটা কিভাবে লিখলে পাঠক শিক্ষণীয় কিছু সেটা লেখায় উৎসাহ্ দিয়েছে।ভাইজান ৭২ শেষ পর্বে আপনার নামে একটা চরিত্র দিয়েছি আপনি এখনো পড়েন নাই।ব্যস্ততা কাটিয়ে উপন্যাসটা পড়বেন আমি খুশি হব, দোয়া রাখবেন আমার জন্য। আপনি বলছেন বড় মাপের একজন লেখকের সকল গুনাবলী আমার মাঝে আছে, আপনার চোখে ভাসে আমি দেশের নামকরা একজন লেখন হবো আল্লাহ্ আপনার দোয়া কবুল করুন।ধন্যবাদও কুতজ্ঞতা জানাই সব সময় এভাবে স্নেহের ছায়ায় বোনকে রাখবেন 💝।

>>শ্রদ্ধেয় তৌহিদ, ভাইজান যতটা পেরেছে সুন্দর ও উৎসাহ্ মূলক মন্তব্য করেছেন। উপন্যাসের অনেক পর্ব পড়েছেন, আমার লেখা ভালো লেগেছে এটা আমাকে উৎসাহ্ দিয়েছে।ভাইজান সব সময় এভাবে পাশে থাকবেন 💝

>>শ্রদ্ধেয় ফয়জুল মহী ভাইজান আমার উপন্যাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলেন মাঝে ব্যস্ততার জন্য মন্তব্য পাইনি।তবে সব সময় উৎসাহ্ মূলক মন্তব্য আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে।ভাইজান দোয়া রাখবেন আমার জন্য, আপনাদের পাশে থাকতে পারি 💝

>>শ্রদ্ধেয় হালিম নজরুল ভাইজান উপন্যাসের শুরু থেকে আছেন মাঝে নেই তবে আপনার সুন্দর মন্তব্য সব সময় আমাকে মুগ্ধ করেছে।সব সময় এভাবে পাশে রাখবেন দোয়া করবেন আমার জন্য 💝

>>শ্রদ্ধেয় মাহবুবুল আলম উপন্যাসের শুরু থেকে ছিলেন ৫০ পর্বের পরে অনিয়মিত শেষে নেই। তবে যেটুকু উপন্যাস পড়েছেন অনেক গুরুত্বপূর্ন মন্তব্য করে উৎসাহ্ দিয়েছেন।ধন্যবাদ ও কুতজ্ঞতা রইল ভাইজান, আপনার একটা চরিত্র দিয়েছি পড়লে খুশি হব।ভালো থাকবেন শুভ কামনা রইল 💝।

>>শ্রদ্ধেয় কামাল উদ্দিন এই গুনী ভাইজানকে উপন্যাসের শুরু থেকে পেয়েছি শেষের দিকে পাইনি। তবে ভাইজানের উৎসাহমূলক কমেন্টস আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে, ভালো থাকবেন, শুভ কামনা রইল💝।

>>শ্রদ্ধেয় মোঃমজিবুর রহমান উপন্যাসের শুরু থেকে শেষ পর্ব পর্যন্ত ছিলেন মাঝে কিছু পর্ব পড়তে পারেন নাই।ওনি শত ব্যস্ততার পরও ব্লগে এসেই আমার লেখা পড়ে মন্তব্য করে পরে অন্য কাজ করেছে।কৃতজ্ঞতা ভাইজান দোয়া রাখবেন আমার জন্য, বোনের পাশে থাকবেন💝।

>>শ্রদ্ধেয় আলমগীর সরকার লিটন দাদা আমার উপন্যাসের মাঝ থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েছে। দাদা বলছেন বড় গল্প পড়তে তার ভালো লাগে না অথচ খেতে বসেও তিনি আমার লেখা পড়েছেন। আমার উপন্যাসটা দাদার খুব ভালো লেগেছে নিয়মিত পড়ে সুন্দর মন্তব্য দিয়েছেন।ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইল দাদা, বোনের পাশে থাকার জন্য💝।

>>শ্রদ্ধেয় শামীম আলী চৌধুরী ভাইজান ওনি আমার উপন্যাসের মাঝ পথে যুক্ত হয়েছেন। সুন্দর ও অনুপ্রেরণামূলক মন্তব্য করেছেন সব সময়,ভাইজানকে ৭২পর্ব আরাফের বিয়ের ফটোগ্রাফার ছিলেন।চমৎকার সব ছবি তুলেছেন যা আরাফের,মনোয়ারার রুমে শোভা পাচ্ছে এটা আমার উপন্যাসের চরিত্র। ভাইজান পর্বটা পড়ে বিশাল একটা মন্তব্য করছেন,কমেন্টস পড়ে আমি মুগ্ধ। ফটোগ্রাফার শামীম আলী চৌধুরী ভাইজান অমায়িক ব্যবহারের একজন মানুষ আমাদের কথা হয়েছে।ভাইজান আমার বিয়ের ছবি তুলার দায়ীত্ব নিতে চেয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ্ এমন একজন গুণী মানুষের সান্নিধ্য পাওয়া তো আমার সৌভাগ্যের ব্যাপার। ইনশাল্লাহ্ ভাইজান আমার বিয়ে হলে আপনি ছবি তুলে তারপর আমাকে ছবির এলবামটা গ্রিফ্ট করবেন কনফার্ম রইল। আপনার দেওয়া উপহার আমার ব্লগ জীবনের সেরা পাওনা থাকবে। আপনাদের ভালোবাসায় আমি সিক্ত এই বোনের জন্য দোয়া রাখবেন 💝

>>শ্রদ্ধেয় এস.জেড.বাবু ভাইজান ওনার কথা উপরে লিখেছি তাই এখানে বেশি লিখবো না। ওনি আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড প্রায় ২ বছরের উপরে, আমার ব্লগে আসা,উপন্যাস লেখা,৭২ পর্ব পর্যন্ত টেনে নেওয়া সবটা তার অবদান। কিছু না বুঝলে সাথে সাথে ইনবক্স শত ব্যবস্তার পরও ভাইজান আমাকে বুঝাতেন,শিখিয়ে দিতেন। কখনো বিরক্ত হতেন না বরং আমি শিখতে বিরক্ত হতাম ওনি ধৈর্য ধরে কষ্ট করে আমাকে একজন ব্লগার করে গড়ে তুলেছেন কৃতজ্ঞতা ভাইজান।আপনার কাছে এই বোনের ঋণের শেষ নেই, কি বললাম ঋণ! ভাই বোনের সম্পর্কে ঋণ বলে কোন শব্দ নেই।দোয়া রইল আমাদের ভাই বোনের সম্পর্ক অটুট থাকুক সব সময়💝

সম্মানিত ব্লগারগণ উপন্যাসের বেশ কয়েক পর্ব পড়েছেনঃ-সঞ্জয় মালাকার,সাবিনা ইয়াসমিন,সুরাইয়া পারভীন,খাদিজাতুল কুবরা,প্রদীপ চক্রবতী,ছাইরাল হেলাল,পর্তুলিকা।আপনারা সবাই আমার উপন্যাস পড়েছেন ব্যস্ততার জন্য কয়েক পর্বের কমেন্টস করেছেন।ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইল আপনাদের প্রতি সবার উৎসাহ্ না পেলে আমার উপন্যানটা ৭২পর্ব লিখতে পারতাম না💝

যারা ১পর্ব পড়েছেন তাদের নামঃ-বন্যা লিপি,নৃ-মাসুদ রানা,ত্রিস্তান,শায়লা ইলিয়াস,মাছুম শাহী,কামরুল ইসলাম,শায়লা খান,ইসিয়াক,,সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইল,পাশে থেকে উৎসাহ্ দিবার জন্য 💝।

>>ডাঃ মেজর আরিফুল সানি আমাদের সোনেলা ব্লগের নতুন মেম্বার পরিচয় কি দিব..!আমার বন্ধু/ ভাইয়া সবটা ঝগড়া করি,ভাব করি, শ্রদ্ধা করি অনেক বেশি। আমার প্রিয় শত্রু ডাক্তার মানুষ তো যেকোন সমস্যায় পরামর্শ নেই, সুফল পাই।অনেক হাসি খুশি ভাইয়া আমার উপন্যাসের শেষ পর্বে কমেন্টস করে যুক্ত হয়েছেন আমাদের সোনেলা পরিবারে।ওনি একজন ব্লগার খুব ভালো লেখালেখি করে, খুব তাড়াতাড়ি আমরা ব্লগে তার লেখা পড়বো ইনশাল্লাহ্। স্বাগতম ভাইয়া আমাদের সোনেলার উঠোনে,আপনার পদচারনায় আমাদের সোনেলা পরিবার মুখরিত হোক।আমাদের সাথে আপনার এই পথচলা দ্বীর্ঘায়িত হোক,ভালোবাসা ও শুভ কামনা রইল💝।

>>এখানে ৩১জন ব্লগার আমার উপন্যাস পড়েছেন আস্তে আস্তে সবার উৎসাহ্ বেড়েই চলে, ভিতরে আমি শাহস পাই। উপন্যাসটা আস্তে আস্তে শাখা প্রশাখা গজিয়ে ডাল পালা বিস্তৃতি লাভ করে ১- ৭২ পর্বে পরিসমাপ্তি হয় 💝। আপনাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, কারন আপনাদের উৎসাহ্,অনুপ্রেরণা না পেলে আমার এত বড় একটা উপন্যাস লেখা কখনো সম্ভব হতো না।আমি চেষ্টা করেছি উপন্যাসের শেষ ১০ পর্বে যারা আমার উপন্যাস পড়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ সবার নামের একটা চরিত্র রাখতে। ইচ্ছা আছে ২১ শে বই মেলা ২০২১ সালে উপন্যাসটা কাগজে মুড়িয়ে একত্রে রাখতে, বাকিটা আল্লাহ্ ভরসা।আলহামদুলিল্লাহ্ প্রায় ৪ মাস ৩০দিনের একটা লম্বা জার্নি ৮৭টি পোষ্ট আমি বলতে পারি সোনেলা ব্লগে আমি সফল।

কারন আমি উপন্যাসটা লিখে মনে মনে অনেক আনন্দ পেয়েছি “আমি তোমার জন্য এসেছি ” উপন্যাসটা লিখতে গিয়ে চরিত্র গুলোর সাথে মিশে গিয়েছি। কখনো প্রিয়া,কখনো মিতু কখনো শ্রেয়ার জায়গায় নিজেকে দাঁড় করিয়েছি,আমি চোখ বন্ধ করলে উপন্যানের সুদর্শন নায়ক আরিয়ান চৌধুরী আরাফকে দেখতে পাই 🙈 প্রিয়া তো আমারি অস্তিত্ব 🙊। আমার মামা নেই তাই শেখর সাহেবের চরিত্রটা লিখতে গিয়ে মামা ভাগনির সম্পর্ক গুলো নিজের মাঝে অনুভব করেছি। তবে হ্যাঁ আজাদ,মিরার মতো আমাকে ভালোবাসার দুজন মানুষ আছেন আমার বাবা মা,ভাই বোন সবাই আমাকে ভালোবাসে।যখন একটা গল্প লেখকের বাস্তব জীবনে প্রভাব বিস্তার করে তখন সেটা গল্প না জীবনের প্রতিছবি হয়ে যায় তাই আমি সফল।

ছোটবেলা থেকেই একটা পরিচয় “ওই যে যায় ইউ এন ও সাহেবের মেয়ে আলিফ (সুরাইয়া নার্গিস) আমি মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি এখনো কথাটা শুনি। সবাই দোয়া করবেন ১৭ আগস্ট আমার জন্মদিন পরের বছর জন্মদিনের আগে যেন নিজের একটা পরিচয়ের জায়গা গড়ে তুলতে পারি আর লোকে বলে “ওই যে যায় আলিফের বাবা ইউ এন ও সাহেব” এটা জীবনের স্বপ্ন।বাবার পরিচয়ের বাইরে নিজের একটা পরিচয়ের জগৎ তৈরি করতে চাই, কিছু করার জন্য একজন উদ্যোক্তা হবার চেষ্টায় আছি। আপনাদের ভালোবাসায় ধন্য সুরাইয়া নার্গিস💝।

বিঃদ্রঃ যেসব ব্লগার উপন্যাসটা পড়েছেন সকল ব্লগারের নাম স্থান পেয়েছে ইনশাল্লাহ্। বই প্রকাশ করলে আপনাদের সবার নাম থাকবে কৃতজ্ঞতা স্বরূপ।

ভালো থাকুক, সুস্থ থাকুক সোনেলা পরিবারের সবাই💝।

জয়তু সোনেলা ব্লগ।

---

Comments: 33 — https://sonelablog.com/%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be/#comments
