# “আশ্রীত রোহিঙ্গা” দেশের জন্য অশনি সংকেত।

Author: মনির হোসেন মমি
Published: 2019-08-26
Category: সমসাময়িক
URL: https://sonelablog.com/%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87/

বারুদের গন্ধে বায়ু দুষিত।রোগ-শোকে শিশু বৃদ্ধ আক্রান্ত।অন্ন নেই,বস্ত্র নেই, নেই চিকিৎসার সুবিদা।বহু কাল যাবৎ রাষ্ট্রের জনগণ হয়েও যেন তারা মানুষ নয়।ভিন গ্রহ হতে আসা যেন নর্দমার কীটপ্রতঙ্গ।এদের পায়ের তলায় পিষিয়ে ফেল, জ্বালিয়ে দাও ঘর বাড়ী তাহলেই এরা দৌড়ে পালাবে যেথায় নিরাপদ একখন্ড জমিন পাবে।তেমনি মনোভাবে মায়ানমার সামরিক শাসিত সরকার অত্যাচার চালালেন আরাকান রাজ্যের রাখাঈন জাতি গোষ্টির জীবন যাপনের উপর দিয়ে।  
![](https://sonelablog.com/wp-content/uploads/2019/08/download-2-300x168.jpg)

গ্রামছে গ্রাম পুড়িয়ে দিচ্ছে,যাকে যেখানেই পাচ্ছে সেখানেই গুলি,ধর্ষণ আর অত্যাচারে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিচ্ছে মায়ানমার সরকার।সেনাবাহিনীর নিকট মায়ানমার সরকার প্রধান শান্তিতে নোবেল প্রাপ্ত অংসান সূচীও যেন অসহায়।তেমনি এক পরিস্থিতিতে মায়ানমার বর্ডার সাইট দিয়ে রোহিঙ্গা অত্যাচারিত জনগণ অন্য দেশে ঢুকার চেষ্টা করছেন।বাড়ী ঘর যাই যাক অন্ততঃ জীবনটাকে তো বাচাতে হবে।জীবন বাচলে বাড়ী ঘর সব হবে এই ভাবনায় তারা ভারত-চীনে ঢুকার চেষ্টা করল।বাধা এলো ভারত সরকারের “ঢুকলেই ডায়রেক্ট সূট”।ভারতীয় সহ মায়ানমারের প্রতিবেশী দেশগুলোর রোহিঙ্গা প্রবেশ ঠেকানোর কঠোরতায়,তারা জীবন বাচিয় আশ্রয়ের পথ বদলায়।অবশেষে পেয়ে যায় মোক্ষম দেশ,নাম তার-বাংলাদেশ।তাদের মুখের ভাষার শব্দ উচ্চারণের ভিন্নতা থাকলেও চেহারায় অনেকটা মিল আছে বাংলাদেশীদের সাথে।তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে সবচেয়ে সহায়ক হিসাবে সব চেয়ে বেশী কাজ করেছে ধর্মীওগত কারন এবং বিশ্ব জ্ঞাত বাঙালীর সচারচর স্বভাব “অতিথীপরানয়তা”।

ধর্মীও কাজটি হল যে সকল রোহিঙ্গারা দেশান্তরিত হয়েছেন তাদের মধ্যে বলা যায় একটি বড় অংশই মুসলমান।আর বাংলাদেশের ৯০ ভাগ যখন মুসলিম জনগণ সে হিসাবে বাংলাদেশের সেই সব বর্ডার সাইটেও বসবাস করত অধিকাংশ মুসলিম জনগণ।আমরাতো জানিই বা মুসলমানদের একটি নীতি আছে তা হল-মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই।আর এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছে রোহিঙ্গা গোষ্ঠি।স্থানীয়ও জনগণও তাদের অসায়হত্বতা দেখে একে বারে নিজেদের বুকের ভিতরে স্থান দিতে থাকলেন।সেখানে বসবাসরত স্থানীয়দের অনেকেই নিজেদের জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন স্বেচ্ছায় কেবল মাত্র মানবতা আর মুসলমান হওয়ার খাতিরে।অন্য দিকে এ দেশের অধিকাংশ মুসলিম সম্প্রদায় এবং আন্তজার্তিক ভাবে সরকারের নিকট অনুরোধ আসতে থাকে-রোহিঙ্গা প্রবেশে সরকার যাতে কোন বাধা না দেন।অতি দরদী সরকারও তখন কোন বাধা দিলেন না।একেবারে তাদের স্বাগতম জানাতে থাকলেন-জামাই আদরে।সে সময় অবস্থা এমন হয়েছিলো যেন সরকারের এমন উদার নীতিতে জোয়ারের বেগে রোহিঙ্গা ঢুকা শুরু করল।শেষ পর্যন্ত প্রায় দশ বারো লক্ষ রোহিঙ্গা ঢুকেছিলো মাত্র মাস দেড়েক সময়ের মধ্যে।[১৯১৭ সালের আগষ্টের এমন দিনে যা আজ দু’বছর বছর পূর্তি চলছে।](https://www.bbc.com/bengali/news-42574150)

![](https://sonelablog.com/wp-content/uploads/2019/08/40406300_303-300x169.jpg)

এরপরের ঘটনা আরো চমকপ্রদ।যেন মেহমানরা এলেন,তাদের জন্য থাকার খাবারের ব্যাবস্থা করতে হবে।স্থানীয় জনগণ তাদের থাকার জন্য ঘর বাড়ী বানাতে পৈর্তীক জমি জমা “সওয়াবের” আশায় বীনে পয়সায় ছেড়ে দিলেন তাদের নিকট।তারাও তৈরী পোলার বাপ হয়ে আশে পাশের গাছপালা কেটে নিশ্চিন্তে ঘর বাড়ী বানিয়ে ফেললেন দ্রুত।এর মধ্যে সরকার দেখলেন তাদের একে অন্যের যোগাযোগে সমস্যা হচ্ছে,সমস্যা হচ্ছে যাতায়াতের তাই সরকার দ্রুত দেশের জনগণের টাকা হুগা মারা দিয়ে তৈরী করলেন যাতায়াতের রাস্তা,দিলেন রোহিঙ্গা জনগোষ্টি দ্রুত বিস্তারে বিজলী বাতি,বিশুদ্ধ জল সহ টেলিফোন ও অনলাইনের অত্যাধুনিক ব্যাবস্থা।যা দেখে সাত সমুদ্র তের নদী পাড় হতে ভিন দেশীরা সরকারকে বাহবা দিচ্ছে।পত্র পত্রিকায় ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বে [মানবতার কাতারে বাংলাদেশ এক নম্বরে](https://www.rtvonline.com/country/71090/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%B2-%E0%A6%A6%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A8)।হান্ডেড ওভার কোটি জনগণের দেশ ভারত যে ভারটি বহন করার সাহস পেল না সেই ভারটিই বিশ্বে অনুন্নত একটি দেশ বাংলাদেশ তা করে দেখালো বরং [উল্টো ভারত হতেও বহু রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকে](https://www.jugantor.com/todays-paper/city/134599/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%A9%E0%A6%B6-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE-%E0%A6%A2%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87)।[সাবাশ বাঙালী সাবাশ বাংলাদেশ।](https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1312446/%E0%A7%A9%E0%A7%A9-%E0%A6%AA%E0%A6%A5-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A2%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE)বাংলাদেশ পর্যটনের প্রান কেন্দ্র সেই চট্রগ্রাম কক্সোসবাজার আজ রোহিঙ্গা বস্তির জন্য বিশ্ব বিখ্যাত হয়ে উঠল।আর দেশের যুব সমাজ ধ্বংসের মরণ নেশা [“ইয়াবা”](https://www.bbc.com/bengali/news-47718392) সেবনে যাতে কষ্ট করে খুজঁতে না হয় সে জন্য দূর হতে একেবারে নিজের ঘরে চলে এলো বাবা।  
অন্যদিকে যদি কখনো ওরা এদেশেই থেকে যায় তবে ওদের ম্যানপাওয়ার [প্রোডাক্টসনের](https://somoyekhon.com/news/51082) যে পাওয়ার যা দেখছি তাতে হঠাৎ করে দেশের জনসংখ্যার সংখ্যা বলতে হবে “দেশ এখন বত্রিশ কোটিতে আছে”।কারন ক্যাম্পগুলোতে রোহিঙ্গারা অসংখ্য ডাক্তারদের সেবা অন্যান্য রোগবালাইতে গ্রহন করলেও জন্ম নিয়ন্ত্রন বিষয়ে সেবা নিতে তারা তেমন কোন [আগ্রহ দেখান না](https://www.banglanews24.com/national/news/bd/722956.details)।কারন তাদের ভাষ্য-মুখ যখন আল্লাহ দিয়েছেন আহারও তখন আল্লাই দিবেন।

**রোহিঙ্গা পরিচয়:  
**আমরা কোন ধরনের(কেমন তাদের স্বভাব)জাতিগোষ্টির প্রতি এতোটা ভায়ার্স হলাম তা না জানা থাকলে জনম যেন মোর হবে না সার্থক।তাই একটু জেনে নেই।  
**প্রথমত** তারা নিজ দেশের জন্যই একটি মোনাফেক জাতি।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তারা ভারতবর্ষের শাষক বৃটিশদের অধীনে থেকেও তারা জাপান/জার্মানকে সাপোর্ট করে।  
**দ্বিতীয়ত** মায়ানমারে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ১৩০/৩৫টি জাতি আছে।তারা সবাই মায়ানমারের মুল স্রোতের সাথে একাত্বা হয়ে মিলে মিশে আরাম আয়াসে নিজ অধিকার নিয়ে বসবাস করছেন। একমাত্র এই রোহিঙ্গা জাতিই মায়ানমারের মুল স্রোতের সাথে মিশতে অস্বীকিতী জানায়।কতটা বেঈমান হলে নিজ দেশের সাথের গাদ্দারী করে এবার বুঝুন।যদি বিশ্বাস না হয় ওদের ইতিহাস দেখুন।

**তৃতীয়ত** যে কাজটি তারা করেছেন তা বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের বিপক্ষে ১৯৭১ সালে নাপাকিদের সাপোর্ট ও সরাসরি সহযোগিতা করে অত্যান্ত নিকৃষ্ট কাজটিই করেন।যা এদেশের মুক্তিকামী মানুষ কখনোই তাদের এমন নিন্দনীয় গহিত কাজটি মেনে নিতে পারবেন না।তবুও তারা এ দেশেই জামাই আদরে এখনো বহাল।

**চতুর্থতঃ** ওরা এমনি একটি জাতি যা বিশ্বে অন্যান্য বৃহৎ অথবা ক্ষুদ্র নৃ-জাতিগোষ্ঠির মত নয়।বিশ্বে ওদের বহু নৃ-জাতিগোষ্ঠিই আছেন যাদের অনেকে জগতে অনেক কল্যায়ণকর অবদানের জন্য বিশ্বে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।এক মাত্র চরম অলস, অকর্মন্য, অথর্ব, অশিক্ষিত, ম্যানপাওয়ার বিপ্ফোরক,বিবেকহীন,অসার জাতির মাঝে এমন একটি উদাহরণও নেই যা নিয়ে তারা গর্ব করতে পারবে।

**পঞ্চমত** আমাদের দেশে বসবাসরত এ সব কুলাঙ্গারদের যারাই আপণ ভেবে আশ্রয় দিয়েছেন তাদের উপরই তারা ছুড়ি চালিয়েছেন।এরা একটি চরম অকৃজ্ঞ জাতি।এদের যতই দিবেন ততই যেন লাগবে।এদের অভাব কখনো শেষ হবে না কারন এদের স্বাভাব ভাল না।ক্যাম্পে বিভিন্ন এনজিওরা তাদের প্রতিটা পরিবারে জন্য প্রতি  ১৫ দিন পর পর ৩০ কেজি চাল, ৮ কেজি ডাল, ৩ কেজি তেল দেওয়া হয়।তাছাড়া লুটা বালিশ কম্বলতো আছেই। অভিযোগ পাওয়া যায় এরা এখন এগুলোও বাজারে বিক্রী করে দেয়।

**মানবতা দেখিয়ে কি পেলাম আর সম্ভাব্য কি বা হারাবো:  
**এমনিতেই দেশের ভিতরে জনগণের নিরাপত্তার যে নাজুক অবস্থা তাতে রোহিঙ্গারা সহজেই মিশে যাবে দেশের জনগণের সাথে।ইতিমধ্যে মিশে গেছেনও কিছু অংশ।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে কোন স্থানে রাস্তাঘাটে বিদেশীদের দেখলে বা সন্দেহ হলে সে দেশের আইন শৃংখলাবাহিনীরা তাদের আইডি কার্ড অথবা পাশপোর্ট ভিসা ইত্যাদি ঠিক আছে কি না চেক করেন যা আমাদের দেশে বিরল ঘটনা।এমন স্বাধীন দেশটি বিশ্বের আর কোথাও খুজেঁ পাবেন না এটা হলফ করে বলতে পারি।

গত দু[ই বছরে রোহিঙ্গাদের অপরাধমুলক](https://www.thedailystar.net/bangla/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%96%E0%A6%AC%E0%A6%B0/%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A7%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A7%AA%E0%A7%A9-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%A4-%E0%A7%A9%E0%A7%A8-119074) কর্মকান্ডের জন্য কক্সবাজারে মামলা হয়েছে প্রায় ৪৭১টি।হত্যা বিষয়ক ঘটনা ঘটেছে প্রায় ৪৩টি এছাড়াও রয়েছে ধর্ষণ এবং মাদক চোরাচালানের অসংখ্য অভিযোগ।এইতো রিসেন্টলি একটি হত্যাকান্ড ঘটে যা দেশবাসীকে বেশ নাড়া দেয়…এ কোন পথে এগুচ্ছে বাংলাদেশ। [টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনয়িনের জাদিমুরা এলাকার যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে।](http://www.banglatribune.com/country/news/532653/%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%95-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%87)অথচ এই ফারুখই একদিন তার নিজ হাতে ভূভুক্ষ অত্যাচারিত রোহিঙ্গাদের মুখে খাবার তুলে দিয়েছিলেন।

জঙ্গি তৎপরাতা চিহ্নিত করনের ভয় এখন অনেকটা অনিশ্চিত দেশের আইনশৃংখলা বাহিনীদের মাঝে।কারন অনেকে মনে করেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের সাথে মিলিত থাকতে পারে [আরসা](https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0/23773) নামক রিক্রুমেন্টস জঙ্গিগোষ্ঠি।ওরা চাইবে ওদের দলে ভেড়াতে।হয়তো একটা সময় যখন রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে যেতে অস্বীকৃতি জানাবে আর বাংলাদেশ সরকার জনগণ যখন তাদের মায়ানমার যেতে চাপ প্রয়োগ করবে তখনি হয়তো ঘটতে পারে দেশে এ সব জঙ্গি কর্মকান্ডের তৎপরতা।এমনো হতে পারে ওরা পুরো চট্রগ্রামটিকে তাদের অধীনে দিয়ে দেবার স্বাধীনতা চেয়ে বসতে পারে অথবা মায়ানমার-বাংলাদেশ এর সাথে আন্তঃসীমান্ত যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়াটাও কল্পনাতীত নয়।আর এ সব কাজে সহযোগীতার জন্যতো রয়ে গেছে স্বয়ং মায়ানমার সহ চীন জাপান ভারত।আর সেসময় এক লক্ষ নয় প্রায় দশ বারো লক্ষ রোহিঙ্গাকে  সামাল দেয়া এ সরকার এর একার পক্ষে সম্ভব নয় তাই চাই পুরো দেশের জনগণের সংশ্লিষ্টতা।

স্থানীয় তথা দেশে স্বাস্থ্য জগতেও পড়বে এর প্রভাব।কারন আগত রোহিঙ্গা শরনার্থীদের মাঝে প্রথম দিকেই প্রায় ১০০জনের মত রোগীর মাঝে পাওয়া গিয়েছিলো এইআইভি পজিটিভ বা এইডস রোগী যা ক্রমান্নয়ে বাড়তে থাকে।এইডস রোগী এদেশের জনগণের স্বাস্থ্যের জন্য ভয়ংকর হুমকি।

থাকবে আর্থসামাজিক ঝুকি ও রাজনৈতিক ঝুকি।উখিয়া কক্সবাজার টেকনাফ কুতুবপাল অঞ্চলের স্থানীয় জনগণ এখন সংখ্যালঘুর কাতারে পড়ে গেছে।রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে কাজ করছেন ফলে স্থানীয় কামলারা হয়ে পড়েছেন অসহায় কর্মহীন।এ অবস্থা দীর্ঘকাল বজায় থাকলে এক সময় আন্তজার্তিক মহল ভুলে যাবে এ সব অঞ্চলে বসবাস রত কারা বৈধ আর কারা অবৈধ।তখন শুরু হয়ে যেতে পারে সেখানকার জনগণের সাথে পারষ্পরিক সংঘর্ষ।

দেশে অর্থনীতিতে পড়তে পারে বিরূপ প্রতিক্রিয়া।মুল দেশের জনগণের মাথা পিছু আয়ে পড়তে পারে ভাটা।কারন রোহিঙ্গা জনগণের মাঝে প্রশাসনিক,সেবা সংস্থা গুলোর যে পরিমান লোক সেখানে নিযুক্ত থাকবেন তাদের ব্যায় ও বস্তুয়াদির ক্রয়কৃত অর্থ অধিকাংশ রাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে।আর এ ব্যায়টা আসবে জাতীয় বাজেট থেকে।বাহিরের এনজিওগুলোর অনুদান দীর্ঘমেয়াদী নাও হতে পারে।

রোহিঙ্গা আশ্রয়ে সব চেয়ে ভয়ংকর যে বিপদটির মুখোমুখি আমরা হতে যাচ্ছি তা হল বিপুল সংখ্যক আশ্রীত রোহিঙ্গাকে ঐসব নিদিষ্ট আশ্রীত ক্যাম্পগুলোর সীমানায় বেধে রাখা।আমরা আমাদের দেশের মানুষদের ভাল করেই চিনি-সামান্য ক’টা টাকার জন্য এমন হীন কাজ নেই যা করেন না।[তেমনি টাকার বিনিময় রোহিঙ্গারা সহজেই পেয়ে যাবেন বাংলাদের পার্সপোর্ট সহ নাগরিকত্ব](https://www.bbc.com/bengali/news/2013/07/130718_pg_bangladesh_saudi_workers_illegal_rohingyas)।ইতিমধ্যে এর প্রমানও আমরা পেয়ে গেছি।মাত্র ১৪০০ হাজার টাকার বিনিময়ে তারা সহজেই পেয়ে যাচ্ছে ন্যাশনাল আইডি কার্ড সহ রাষ্ট্রীয় অন্যান্য সার্টিফিকেট।

[পর্যটন শিল্পশুন্য হবে বাংলাদেশ](https://www.youtube.com/watch?v=nQmOl3kOEJQ)।বাংলাদেশের সৌন্দর্য্যের প্রানকেন্দ্র বন্দরনগরীয় চট্রগ্রাম।পাহাড় পর্বত ঝরনা ঘেরা প্রকৃতির এ অপার সৌন্দর্যকে চোখে দেখতে বিদেশীরা ছুটে আসতেন এ শহরে যে শহরটি এখন পাহাড় বনাঞ্চল কেটে সমান্তরাল।এখানে এখন চলছে মাদকে ছড়াছড়ি আর পতিতাবৃত্তির আখড়া।নিরাপত্তাহীনতায় পর্যটকরা সেখানে আসা কমিয়ে দিচ্ছেন ক্রমশত।

**বর্তমান পরিস্থিতি**:  
সম্প্রীতি বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনের কাজটি শুরু করে ছিলেন কিন্তু রোহিঙ্গা গোষ্ঠিরা মায়ানমারে ফেরত যাবেন না।আর যাবেনই বা কেন? কেউ কি আরামে থাকতে পারলে বেরামের দিকে পা বাড়ায়।যতটুকু জানা যায় তা এ দেশে [বিশাল এক সমাবেশ করেছেন।](https://www.youtube.com/watch?v=8l2CbJ6_JUg)যা তারা মায়ানমারেও পারেননি তা এ দেশে পেরেছেন।আমার কথা হল কে দিলো তাদের এ দেশে এতো বড় একটা সমাবেশ করার।যে দেশে বিরোধীদল একটি সমাবেশ করতে সরকারের নজর এড়িয়ে যেতে পারেন না।সহজে সমাবেশের অনুমতিও দেন না সেই দেশে এতো বড় সমাবেশ কি করে ওরা করতে পারল?দেশের প্রশাসন কি ঘুমিয়ে ছিলেন?যারা এতো বড় সমাবেশ করতে পারে তারা যে স্বার্থের বেঘাত ঘটলে পুরো চট্রোগ্রাম নিজেদের করে নেওয়ার হুমকি দিবে না তার কি গ্যারান্টি আছে?  
আমি আগেও বলেছিলাম জামাই আদরে এই রোহিঙ্গারাই একদিন এ দেশের বুকেই গুলি চালাবে যা অনেকটা শুরু হয়ে গেছে।অবস্থা দৃষ্টে যা দেখছি রোহিঙ্গারা সহজে এ দেশ হতে মায়ানমারে ফেরত যাবে না কারন তাদের যে সমাবেশ হয়েছে তারা সেখানে পাচ দফার দাবী পেশ করেছে যা মিয়ানমার সরকারকে পূরণ করতে হবে।দাবীগুলো হল-  
![](https://sonelablog.com/wp-content/uploads/2019/08/69079993_356288651947993_395128951053221888_n-173x300.jpg)  
নাগরিকত্ব দেওয়া,  
সকলের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা,  
নিজেদের ভিটে বাড়ি জমিজমা ফিরিয়ে দেওয়া,  
ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া  
এবং রোহিঙ্গাদের হত্যা ও নির্যাতনকারীদের আন্তর্জাতিক অদালতে বিচার করা।

এ সব দাবী আদায়ে নিশ্চয়তা না পেলে তারা কেউ মিয়ানমারে ফেরত যাবেন না।আর এ সব দাবীগুলো আদায় করতে এ দেশে থেকেই তারা আন্দোলন করে যাবেন।এটা একটা স্বাধীন সার্বোভৌমত্ত্ব দেশের জন্য অশনি সংকেত বটে।তবুও আমরা চাইব এ সব দেশ হারা মানুষগুলো যেন নিরাপত্তাময় জীবন চালানোর একটি শান্তিময় স্থান খুজেঁ পায়।

সুতরাং এখন এ সমস্যার সমাধান সরকারের একার পক্ষে কখনো সম্ভব নয় কারন এখন এটা একটা  আন্তজার্তিক রাজনৈতিক কূটচাল-এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।তাই দেশের আপামর জনগণকে এ বিষয়ে সরকারকে সহযোগীতা করতে হবে।

আমরাও চাইবো….  
“রোহিঙ্গা হটাও  
দেশ বাচাও”

তথ্য ও ছবি  
বিবিসি  
DW  
প্রথম আলো পত্রিকা  
এবং অন্যান্য অনলাইন মিডিয়া ও পেইজ গ্রুপ।
