# আমি তাঁতি, আমি মানুষের লজ্জা নিবারণের কাপড় তৈরি করি!

- Author: [নিতাই বাবু](https://sonelablog.com/author/nitaibabu/)
- Published: 2017-03-06T20:54:46+00:00
- Updated: 2017-03-07T05:57:21+00:00
- Category: [বিবিধ](https://sonelablog.com/category/misc/)
- URL: https://sonelablog.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%9c%e0%a7%8d/

---

ছোটবেলায় দেখতাম আমাদের গ্রামে একটা বাড়ি ছিল। বাড়িটার নাম ছিলো জুগিবাড়ি, জুগি হলো আমাদের হিন্দুধর্মের একটা জাত বা সম্প্রদায় । জুগি সম্প্রদায়ের কাজ ছিল বস্ত্র তৈরি  করা, তাঁরা যেই মেশিন বা কল দিয়ে কাপড় তৈরি করতো সেটাকে বলা হতো তাঁত । সেই তাঁত চালিয়ে যারা  কাপড় উৎপাদন করতো, তাদের বালা হতো তাঁতি বা জুগি । কোন-কোন জায়গায় এসব তাঁতিদের ভিন্নভিন্ন নামেও ডাকা হতো, এখনো তাঁতিদের একএক জায়গায় একএক নামে নামে ডাকা হয় অঞ্চল ভেদে । কোন জায়গায় তাঁতি, কোন জায়গায় ঝোলা, কোন জায়গায় কারিকর নামেও ডেকে থাকে এই বস্ত্র তৈরি করার জাদুকর তাঁতিদের । তাঁত শিল্প বা বস্ত্র শিল্প নিয়ে কিছু লিখতে হলে তার আগে সেই শিল্পের জন্মকথা বা ইতিহাস তুলে ধরতে হয় ।

এই তাঁত শিল্প বা বস্ত্র শিল্পের জন্মলগ্ন আমার জানা না থাকলেও আমি খুব অল্প বয়স থেকেই এই শিল্পের সাথে জরিত, আর আমার বাবা, কাকা, জেঠা, বড়দা সবাই এই তাঁত শিল্প বা বস্ত্র শিল্পের সাথে আমার জন্মের বহু আগে থেকেই সম্পৃক্ত ছিলেন । আমাদের সংসার চলতো এই শিল্প থেকে শ্রমের বিনিময়ে  উপার্জিত অর্থ দিয়ে, যার কারণে আমি বড় হয়ে নিজেও এই শিল্পের সাথে জরিয়ে যাই বংশগত ভাবে । তাই আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই এই তাঁত বা তাঁতি নিয়ে কিছু লিখতে চাই, কারণ আমি নিজেও একজন তাঁতি বা বস্ত্র তৈরির কারিকর ছিলাম, কোন একসময়।

তাঁত (weaving) হচ্ছে এক ধরণের যন্ত্র বা মেশিন, যা দিয়ে তুলা (cotton) হতে উৎপন্ন সূতা (yarn) থেকে কাপড় (cloth) বানানো হয় । তাঁত বিভিন্ন রকমের হতে পারে বা দেখাও যায়, খুব ছোট ছোট তাঁতও আছে আমাদের দেশে, যা দিয়ে দেশীয় গামছা আর ওড়না তৈরি করা হয় । এসব তাঁত আমাদের দেশের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন নামে পরিচিত, তাহলো জাপানি কল, পিট লুম, টেপ লুম, ঠকঠকি, hand loom. (হাত তাঁত) এসব কল বা মেশিনগুলি হাতে চালানো হয় । এরপর যুগের সাথে তাল মিলিয়ে কাপড় উৎপাদন বৃদ্ধি করতে বৈদ্যুতিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা হয় পাওয়ার লুম (power loom machine) যা বিদ্যুতের সাহায্যে চলে । এই পাওয়ার লুমের মধ্যেও বর্তমানে বহু প্রকার কাপড় তৈরি করার মেশিন আছে, যেগুলি বিদেশিদের দেখাদেখি আমাদের দেশে তৈরি করে তার নাম বাংলা মেশিন বা বাংলা লুম ।

আর যেগুলি সরাসরি বিদেশ থেকে আসে সেগুলি বিভিন্ন নামে পরিচিত, চায়না লুম, জাপানি পাওয়ার লুম, কুরিয়ান লুম, সুইজারলেন্ডি লুম, যেই দেশের মাশিন সেই দেশের নামটা মেশিনের আগে ব্যবহার করা হয় । তারপরও আরো আছে রিপিয়ার মেশিন, যেই মেশিন সূতার নুলি সংযুক্ত(মাকু ছাড়াই চলতে সক্ষম । আছে সেরোয়ার ফাইভ হান্ড্রেড, এই মেশিনটা রিপিয়ার মেশিনের মত, প্রতি মিনিটে পাঁচ’শ’ বার বাইনের সূতা জুড়তে সক্ষম বিধায় এর নাম রাখা হয় সেরোয়ার ফাইভ হান্ড্রেড । আছে সোলজার মেশিন, এগুলি সবই রিপিয়ার (repair machine) পরিবারের বংশধর । আরও আছে এয়ারজেট, ওয়াটারজেট মেশিন, এয়ারজেট মেশিন সূতার নলি (bobbin winder) মাকুর (seattle) পরিবর্তে বাতাস দ্বারা মাকুর কাজ করে বিধায় তার নাম এয়ারজেট । আর ওয়াটারজেট মেশিন হলো সূতার নলি মাকুর পরিবর্তে পানির সাহায্যে মাকুর কাজ করা হয় বিধায় তার নাম রাখা হয় ওয়াটারজেট ।

যেই বস্তুটাকে কাজে লাগানোর জন্য এসব মেশিনের আবিস্কার তা হল তুলা, তুলা থাকেই হয় সূতা, সূতা দিয়ে তৈরি করা হয় কাপড় । কাপড় ছাড়া এই সুন্দর পৃথিবীর কোন মানুষের লজ্জা নিবারণ হয় না, সে হোক না-কোনো রাজা বাদশা, হোক কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী, হোক কোনো রাষ্ট প্রধান । লজ্জা নিবারণের জন্য সবার এক টুকরো কাপড় লাগবেই লাগবে । সেই কাপড় তৈরির মেশিন তাঁত (loom) আর কারিকর হলো তাঁতি (weaver) ।

আমার ধারণা পৃথিবীতে কাপড়ের আবিষ্কার;(cloth inventory)

আমার ধারণা এই সুন্দর পৃথিবীতে বস্ত্র আবিস্কার হয়েছিল শীত থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য । কারন; আদি যুগে লজ্জা কোন বিষয় ছিলো না, আমার মনে হয় তখন লজ্জা কাকে বলে তখনকার দিনের মানুষ তা বুঝত না । তখন তাঁরা সবসময় থাকত ক্ষুধা নিবারণের জন্য হতাশ আর ভয়ে থাকত দৌড়ের উপর । যেখানে ঝড়-তুফান আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলা করতে হতো তাদের দিন-রাত চব্বিশ ঘন্টা, যেখানে-সেখানে ওত পেতে থাকত বনের জীব জন্তু । সেখানে এই লজ্জা নামক জিনিসটার নামই তখন ছিল না, আর লজ্জা কী সেটা তখনকার মানুষ তা বুঝতোও না, তারা শুধু বুঝতো বেঁচে থাকার লড়াই । তখন তাঁরা জীবনধারনের জন্য ছুটে বেড়াতো শুধু খাদ্যের সন্ধানে, সারাদিন খাদ্যে সংগ্রহ করে রাতে বনের হিংস্র প্রাণীদের আক্রমন হতে নিজেকে বাঁচানোর জন্য গাছের উচু জায়গায় বা কোনো পাহাড়ের গুহায় আত্মরক্ষা করতো ।

মনে হয় তখন তাদের লজ্জা কোন প্রয়োজনীয় বিষয় ছিল না, যা এখনো দেখা যায় ব্রাজিলের আমাজন রেইন ফরেস্টের কিছু ভিডিও দেখলে । আদিযুগের মানুষের ছিল শুধু খাদ্যে আর রাতযাপনের চিন্তা । খাদ্য যাই পেতো তাই খেতো, কিন্তু শীতের হাত থেকে বাঁচার প্রয়োজনে তখন তাঁরা গাছের ছাল বা পশুর চামড়া ব্যবহার করে জীবনধারণ করতো । এভাবেই চলতে চলতে মানুষ শীত থেকে বাঁচার উপায় খুঁজে বের করে ফেলল, তা ছিল গাছের তুলা থেকে বহু কষ্টে সূতা তৈরি করে।  সেই তূলা তুলা থেকে একদিন সূতার আবিস্কার করে ফেলে । সেই সূতা থেকেই তৈরি করা শুরু করে দেয় হাতে বুনা কাপড় । সেই আদি যুগের মানুষ যখন ধীরে-ধীরে সভ্য জগতে পা রখতে শুরু  করলো, তখন তাদের কাপড় তৈরি করাও উন্নতির দিকে অগ্রসর হতে লাগল ।

গাছের তুলা সংগ্রহ করে সেই তুলার আঁশ হতে হাতে পাঁক দিয়ে সূতা তৈরি করে, সেই সূতা এক থেকে দেড় হাজার সূতা সারিবদ্ধ ভাবে একসাথ করে ২০গজ বা তারও বেশি লম্বা একটা বড় রুলার (ঘুড়ি উড়ানোর নাটাই এর মতো) তৈরি করতো । (বর্তমানে সেই রুলার কোনকোন জায়গায় টানা বা ভীম (veeam) বলে পরিচিত) সেই টানা বা ভীমের মোট সূতাগুলিকে আলাদা আলাদা করে ১০/১১/১২/বা ১৩ ইঞ্চি লম্বা (rings) ‘ব’ বা ‘বয়া’মাঝখানে সুইয়ের ছিদ্রের মতো থাকে এমন, সেই ছিদ্রযুক্ত জায়গা দিয়ে একটা একটা করে সূতা ভরে সাজানো হয়। এই কাজটাকে বলে ‘ব’গাঁথা বা ড্রয়ার বা রিচিং করা, কোনকোন জায়গায় এই কাজটাকে হানা ‘ব’ বলে হয় (নরসিংদী আর পাবনায়) । আমি নিজেও টেক্সটাইল মিলের একজন ড্রয়ারম্যান ছিলাম। 

এই বয়াগুলো দুইভাগে বিভক্ত বা ১০/১২ ভাগে বা তারও বেশি ভাগে বভক্ত থাকে বা থাকতে পারে (কাপড়ের ডিজাইনের ওপর নির্ভর করে) । এই সারিবদ্ধ বয়াকে বলে ঝাপ বা (ring frame) বয়ের ফ্রেম। এই ‘ব’ বা বয়ার ভিতর দিয়ে সূতাগুলো শানা বা হানা বা রিড এর ভিতরে সমান ভাগে ভাগ করে শানার (reide) ভিতরে ঢুকায় । এই রিড বা শানা বা হানা ঘন-পাতলা আছে, ১০ কাউন্ট হতে শুরু করে ২৫০ কাউন্টের শানাও আছে । যত বেশি কাউন্টের শানা বা রিড, তত তার শলা বা ঘর । যদি ৫০ কাউন্টের শানা বা রিড হয়, তবে প্রতি ইঞ্চিতে শানার ঘর বা ফাঁক বা শলা থাকবে ৫০ এর অর্ধেক ২৫ ঘর বা ২৫ শলা একএক ঘরে দুই সূতা করে হলে প্রতি ইঞ্চিতে সূতা থাকবে ১০০ সূতা, ৫০ ইঞ্চি কাপড়ের জন্য সূতার প্রয়োজন হবে ৫০০০ হাজার সূতা, আর ‘ব’ বা বয়াও থাকবে ৫০০০ হাজার বয়া ।

যখন তাঁত চালূ দেয় বা চালায় তখন এই ‘ব’ বা বয়ার ঝাপ বা ফ্রেম ওপর-নীচ হয়ে দুইভাগে ভাগ হয়ে ওঠা-নামা করতে থাকে, তখন ভীমের সূতাগুলিকে মাঝখানে সুরুঙ্গ বা ফাঁক করে দেয়। সূতার এই ফাঁক দিয়ে তখন আলাদা একটা সূতার নলি সহ মাকু, ওই ফাঁক হওয়া সুরুঙ্গ দিয়ে আসাযাওয়া করতে থাকে। আর শানা বা রিড ওই সূতাগুলো চাপ দিয়েদিয়ে একসাথ করে দেয়, তখনই তৈরি হয়ে যায় কাপড় । কাপড়ের গায়ে যেই নকশি বা ডিজাইন দেখা যায়, সেই নকশি বা ডিজাইন করা হয় জাপানি জ্যাকেট বা ডবির সাহায্যে, ডবি বা জ্যাকেট বহুরকমের হয় । যা দিয়ে তৈরি করা হয় জামদানি বা টাঙ্গাইল শাড়ী বা পর্দার কাপড়, সময়সময় জামা, পেন্ট, তোয়ালে, গেঞ্জির টিকেট, ও মকলম কাপড় তৈরি করতেও ডবি বা জ্যাকেটের প্রয়োজন হয় । জ্যাকেট বা ডবি হল একটা ছোট মেশিনের মতো যা তাঁত বা পাওয়ার লুমের উপরে সেটিং করা থাকে । ২৪ লিভারের ডবিও আছে, লিভার হল যা দিয়ে সূতার ঝাপগুলি টেনেটেনে ওঠা-নামা করায় তাকেই বলে ডবি বা জ্যাকেটের লিভার । শাড়ি কাপড় তৈরি করতে হলে জ্যাকেট ছাড়া কিছুতেই সম্ভব নয় ।

আমরা যখন আদর্শ কটন মিলে থাকতাম, তখন মিলের ভিতরে গিয়ে দেখতাম আমার বড়দাদা বসে-বসে বয়ের ভিতরে সূতা ঢুকাচ্ছে একজন হেলপার সাথে নিয়ে । আমিও শখ করে হেলপারের জায়গায় বসে আমার বড়দাদার সাথে সূথা গাঁথতাম, সেই থেকে আমার কাপড়ের মিলে বা টেক্সটাইল মিলে তাঁতের কাজ শিখা, (আমি নিজেও একজন ড্রয়ারম্যান)। সেসব বড়-বড় মিলে কাপড় তৈরির সব মেশিনপত্র থাকতো, তুলা থেকে সূতা, সূতা থেকে কাপড় তারপর কাপড়ে রং করে পরে বাজারে বা বিদেশে রপ্তানি কারা পর্যন্ত । সেসব মিলে তুলা আসতো নৌকায় বা বাইরোডে, প্রথমে তুলা যেত ব্লু রুমে । ব্লু রুমে তুলাকে রিচার্জ করে আসতো স্প্রিং ডিপার্টমেন্টে, স্প্রিং এ তৈরি হতো সূতা, সূতা হয়ে চলে যেত (warping) ওয়ারপিং এ । সেখান থেকে ভীম হয়ে চলে যেত সাইজিং (সূতা মাড় করার মেশিন) থেকে সূতা মাড় হয়ে বা ভীম হয়ে আসে তাঁতে,তাঁত থেকে কারিকর বা তাঁতিরা তাঁত চালাইয়া তৈরি করতো কাপড় , সেই কাপড় আবার রং কারার জন্য চলে যেত ডাইং-এ, ডাইং থেকে কাপড় রং হয়ে চলে যেত হাটবাজারে বা বিদেশে ।

কিছুদিন আগে আমাদের নারায়ণগঞ্জের ফতল্লায় একটা প্রাইভেট টেক্সটাইল মিলে গিয়েছিলাম একজন পরিচিত তাঁতির সাথে দেখা করতে, গিয়ে দেখি সেখানে আমার পরিচিত অনেক তাঁতিরা কাজ করছে । তাদের জিজ্ঞেস করলাম, কেমন কী অবস্থা বর্তমানে টেক্সটাইল মিলের? উত্তর পেলাম, না-দাদা-না ভালো না, কাজ করলে দিনকার রোজ হয় না করলে আর হয় না ।  [https://www.youtube.com/watch?v=63tpwYJfUCc](https://www.youtube.com/watch?v=63tpwYJfUCc)”<তাদের পঢ়নে দেখলাম জীর্ণকাপড়, জীর্ণদেহ’ সবমিলিয়ে একেবারে দুরবস্থা, সেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁতে কাজ করে এখনো ঠিকমতো সংসার চালাতে পারছে না পরিচিত তাঁতিরা, অথচ তাঁত চালিয়ে মানুষের লজ্জা নিবারণের জন্য কাপড় তৈরি করে যাচ্ছে দিনের পর দিন রাতের পর রাত, আমিও সেই কাপড় তৈরির কারিকর তাঁতি ও ড্রয়ারম্যান ।

বর্তমানে এই কাপড় ছাড়া কোনো দেশের রাজা-বাদশাদেরই লজ্জা নিবারণ হয় না, আমরা এই কাপড় তৈরি করার কারিকর বা তাঁতি। আজ আমি গর্ব করে বলতে পারি, আমি সারা দুনিয়ার মানুষের লজ্জা নিবারণের কারিকর বা তাঁতি, আমি বা আমরা পরের লজ্জা নিবারণের জন্য বস্ত্র বা কাপড় তৈরি করে আমি আজ নিজেই টাকার অভাবে বস্ত্রহীন ভাবে থাকতে হয় সময়সময় । আমার মায়ের শরীরে পেঁচানো থাকে ছেঁড়া কাপড়, নিজের স্ত্রীর থাকে ছেঁড়া কাপড়, ছেলে-মেয়ের পঢ়নে থাকে ছেঁড়া কাপড় । আর দিনদিন থাকি না খেয়ে, সময়সময় কাজে বা মিলে ডিউটি করতে যেতে হয় না খেয়ে । সারা বছর থাকতে হয় ঋনের বোঝা মাথায় নিয়ে, একগজ কাপড় তৈরি করে পাই দুইটাকা, সারাদিনের মুজুরি গড়ে পাই ২৫০/৩০০ টাকা, বিদ্যুৎ না থাকলে মুজুরি নাই, ঈদ/পূজায় বোনাস নাই, বাৎসরিক কোনো ভাতা নাই, প্রাইভেট কোনো মিলে চাকরির নিশ্চয়তা নাই, তবু আমি পৃথিবীর শ্রেষ্ট শিল্পের কারিকর বস্ত্র কারিকর, সকলের লজ্জা নিবারণের কারিকর, আমি তাঁতি, আমি গর্বিত তাঁতি ।

---

Comments: 35 — https://sonelablog.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%9c%e0%a7%8d/#comments
