# অড়হর আবাদ

- Author: [মোঃ মজিবর রহমান](https://sonelablog.com/author/tandra/)
- Published: 2019-01-31T08:43:04+00:00
- Updated: 2019-01-31T10:48:50+00:00
- Category: [এদেশ](https://sonelablog.com/category/this_country/)
- URL: https://sonelablog.com/%e0%a6%85%e0%a7%9c%e0%a6%b9%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6/

---

[অড়হর গাছের ভিডিও](https://www.youtube.com/embed/coEnMUSUYx0?feature=oembed)

***অড়হরঃ*** দেশের ডাল জাতীয় খাদ্যের একটি  সুস্বাদু ডাল। ।  ছোট্ট বেলায় বাবা-চাচাদের মুখে এর নাম শুনেছি আড়োল, কিন্তু বড় হয়ে বই পুস্তকে জেনেছি অড়হর। বাংলার আবহমান কাল ধরে চাষ হয়ে আসছে।

***চাষ প্রনালীঃ-*** ভুমি সাধারনত, দো-আশ, এটেল, ভাল জন্মে। তাছাড়া রাস্তার ধারে, খাল বিলের ধারে, টিলা, ভুমিতেই আবাদ করা যায়।

***চাসাবাদ এলাকাঃ-*** আমাদের দেশের কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, রংপুর যশোর ছাড়াও অনেক জেলায় আবাদ করা হয়। একবছরব্যাপি চাষ হওয়াতে এখন রাস্তার পাশে, উচুনিচু, টিলা, বা ঝোপছাড়েও চাষ হয়। এছাড়া ভারতের অনেক রাজ্যে আবাদ হয় কিন্তু উত্তোর প্রদেশ ও বিহারে ব্যাপক চাষ হয়।

***বোনা বা রোপন সময়ঃ-*** জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে শ্রাবণ মাসে বীজ বোনার সময়।

***আধুনিক চাষ প্রনালীঃ-*** জমি প্রস্তুত করার সময় বিঘাপ্রতি প্রায় ৬ কুইন্টাল গোবর সার অথবা আবর্জনা সার প্রয়োগ করা দরকার। এ ছাড়া শেষ চাষের সময় বিঘাপ্রতি ৫ কিলোগ্রাম ইউরিয়া এবং ৩৫ কিলোগ্রাম সিঙ্গল সুপার ফসফেট সার প্রয়োগ করা ভালো।

***বীজের হার :*** ২ কেজি প্রতি বিঘা।

***রোপণের দূরত্ব :*** সারি থেকে সারি ৭৫ সেন্টিমিটার। গাছ থেকে গাছ ৩০ সেন্টিমিটার।

বীজ রোপণ ও মাধ্যমিক পরিচর্যা : বোনার আগে প্রতি কেজি বীজে ৩ গ্রাম কেপটান বা মিরাম বা ১ গ্রাম বেভিস্টিন বা ২.৫ গ্রাম ইন্দফিল এম ৪৫ ওষুধ মিশিয়ে শোধন করে নেয়া প্রয়োজন এরপর ৭৫ সেন্টিমিটার দূরত্বে সারি করে প্রতি সারিতে ৩০ সেন্টিমিটার দূরত্বে বীজ বোনা দরকার চারা জমি থেকে বের হওয়ার ৩ সপ্তাহ পরে একবার এবং প্রয়োজন মতো ৫-৬ সপ্তাহ পরে আর একবার আগাছা পরিষ্কার করে দিতে হয়।

নভেম্বর ডিসেম্বরে ফুল হয়ে ফেব্রুয়ারী বা মার্চ মাসে গাছ কাটা হয়। তারপর রোদ্রে শুকিয়ে লম্বা( মটর শুটির মত ফল।) থেকে আলাদা করতে হয়।

***অড়হরের হরেক গুনঃ-***প্রোটিন সমৃদ্ধ উৎকৃষ্ট খাদ্য।

*  জন্ডিস রোগের ঔসুধ হিসাবে এর পাতার রস ২/৩ চামচ একটু লবণ দিয়ে হালকা গরম করে খেতে হবে।

* এর পাতা খেলে অরুচি দূর হয়।

*জিহ্বার ক্ষত দূর করার জন্য এর পাতা বেশ উপকারী।

* হাতে পায়ে জ্বালা করলে পাতার রস মাখলে কমে যায়।

* জ্বিহবার খতে। পাতার রস খেলে ভাল হয়।

 

***উপসংহারঃ-***  একটি সুস্বাদু ডাল ও খিচুড়ি হিসেবেও খাবার হয়।

মুড়ি মত করে ডাল ভাজা খেতেও বেশ মজার।

তথ্যঃ কিছু ব্লগ ও নেট থেকে সংগৃহীত।

---

Comments: 14 — https://sonelablog.com/%e0%a6%85%e0%a7%9c%e0%a6%b9%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6/#comments
