ইচ্ছে থাকলেই ভালো কাজ করা যায়

সৈকত দে ৮ জুন ২০২৩, বৃহস্পতিবার, ১২:৪৯:০৩পূর্বাহ্ন পরিবেশ ২ মন্তব্য

অনেকদিন ধরে কিছু লেখা হয় না।আজ চেষ্টা করছি কিছু একটা লেখার তবে এটা কারোর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ নয়,কোনো অভিযোগ নয় শুধু নিজেকে পরিবর্তন করার অঙ্গীকার মাত্র।

আমরা এমন একজাতি কিছু হলেই শুধু সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলি আর নিজে কিছু করি না।

ছোট কাল থেকে বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠরা বলে ভালো হতে পয়সা লাগে না। এখন আমি যে বিষয়টা নিয়ে আলোকপাত করতে যাচ্ছি এই ব্যাপারটা অনেকটা তাই।

দিনদিন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে তার অন্যতম কারণ হল বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। আমরা আমাদের অসাবধানতা বসত এর কারণ হয়ে দাড়িয়েছি। অনেকটা নিজের অজান্তেই। কখনো কি ভেবে দেখেছি এখন আমাদের চলতে কষ্ট হচ্ছে আর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমরা কি করে যাচ্ছি যাতে তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে?

আসুন সকলে মিলে কিছু একটা করে যায়..

গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে জীবন অতিষ্ঠ হলেও এ ঋতুর একটি বিশেষ গুণ রয়েছে। জৈষ্ঠ্য মাসে বিভিন্ন ফলমূল পাওয়া যায় বলে একে মধুময় মাসও বলা হয়। হাটে বাজার এখন (আম,জাম,কাঠাল,আনারস জামরুল, সফেদা, গাব) ইত্যাদি সহ নানান দেশীয় রসালো ফলে ভর্তি।আমাদের প্রত্যেকের ঘরে কোনো না কোনো ফল প্রায় প্রত্যেকদিন খাওয়া হয় কিন্তু নিজের অজান্তে আমরা বীজ গুলো নষ্ট করে ফেলি। কারণ জীবিকার তাগিদে যারা শহরে বাস করছি তাদের নিজের কোনো জমি নেই।

আমি প্রত্যেককে উদ্দেশ্য করে বলব.. যখনই কোনো ফল খাওয়া হবে তখন তার বীজ গুলো ফেলে না দিয়ে রোদে শুকিয়ে সংগ্রহ করি এবং দূরে কোথাও ঘুরতে গেলে রাস্তার ধারে বা জমিতে ফেলি পরবর্তীতে এর থেকে চারা উঠলে আপনি ফল খেতে পারেন বা না পারেন কিন্তু বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।তাপমাত্রার পরিমাণ কমবে এবং বিদ্যুৎের ব্যবহার কমবে। সর্বোপরি পৃথিবীর ভারসাম্য ঠিক থাকবে।

এটি হয়তো তাৎক্ষণিক ফলপ্রসূ হবে না ঠিকই কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় এটি কাজে আসবে।

এই পৃথিবী আমাদের। এখানেই বিচরণ করবে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম। তাই সকলে আসুন তাদের উদ্দেশ্যে একত্রে কিছু করে যায়।

বিঃদ্রঃ ছবি সংগ্রহকৃত।

 

৩৩৬জন ২৬০জন
0 Shares

২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ